| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
৩/৪ বছর যাবত আলহামদুলিল্লাহ।এর আগেও নামাজ পড়তাম কিন্তু ৫ ওয়াক্ত হত না। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
সাধারণ বোরখা,হিজাব,নিকাব,হাত,পা মোজা। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
খিলাফত |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
না আলহামদুলিল্লাহ |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
জ্বী আছে আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল।২০২১ আমার ডায়াবেটিস ধরা পড়ে।আমার ডায়াবেটিস হওয়ার মত কোনো কারণও ছিল না।যেমন ওজন বেশি বা অলস জীবনযাপন বা খাদ্যাভাসে অনিয়মাবর্তিতা।তারপর ও কেন হয়েছে আল্লাহই ভালো জানেন।আল্লাহই তো উত্তম পরিকল্পনাকারী।তিনি হয়তো এভাবেই আমাকে পরিক্ষা করতে চেয়েছেন।তাই আমিও ধৈর্য্যধারণ করে আছি আলহামদুলিল্লাহ।রোগ দেয়ার মালিক আল্লাহ সুস্থ করার মালিক ও আল্লাহ।তিনি চাইলে আমাকে সুস্থও করতে পারেন।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন,"আর আমরা তোমাদের অবশ্যই পরিক্ষা করবো (১)কিছু ভয়,ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ,জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা।আর আপনি সু-সংবাদ দিন ধৈর্য্যশীলদেরকে"।[সুরা আল বাকারা-আয়াত-১৫৫]নিজের অসুস্থতা নিয়ে কখনো চিন্তা চলে আসলে আমি এই আয়াত মনে করে ধৈর্য্য ধারণ করি।আমি মনে করি এই রোগ আমাকে ডিসিপ্লিনে থাকতে সাহায্য করে।নফসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।কত কিছুই আমার সামনে থাকে কিন্তু খেতে পারি না।ওই মুহুর্তে নফস কে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি।আমার থেকে বয়সে ছোট অনেকেই অনেক বড় বড় রোগে আক্রান্ত।আমার থেকে বয়সে ছোট কেউবা এই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে আল্লাহর কাছে চলেও গেছে।আমি তো তাদের থেকে অনেক ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।আমি বেচে আছি,আমলের দুয়ার খোলা আছে।আমার রোগের কারণে আমার দ্বীন পালনে,চলা ফেরায় কোনো সমস্যা হয় না বরং অনেক সুস্থ মানুষের থেকে আল্লাহ আমাকে অনেক শক্তি দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।আরেকটা বিষয় জানিয়ে রাখি আমি ইন্সুলিন নেই অথবা ইন্সুলিন ছাড়াই শুধু খাবার কনট্রোল(শর্করা জাতীয় খাবার ভাত রুটি কম খেয়ে বা না খেয়ে),ব্যায়াম এর মাধ্যমে ডায়াবেটিস কনট্রোলে রাখার চেষ্টা করি।আমি আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করি আমার রোগসহ অন্য সকল বিষয়ে।আল্লাহ যাকে আমার জন্য বাছাই করবেন সে সব কিছু জানার পরেও রাজি হবে ইন শা আল্লাহ।আমার ভাগ্যে যতটুকু রিজিক আছে আমি ততটুকুই পাবো।আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে এমন মানুষ ই আল্লাহ যেন আমার জীবনে কবুল করেন।আমিন। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
বান্ধবী,বোনকে আরবি পড়াই।চোখের সামনে হারাম কিছু হতে দেখলে বাধা দেয়ার চেষ্টা করি।বুঝানোর চেষ্টা করি।দ্বীন সম্পর্কে যতটুকু জানি তা আশেপাশের মানুষকে জানানোর চেষ্টা করি।মানুষ কে নামাজ,পর্দা,কুরআন শিখার গুরুত্ব সম্পর্কে বলার চেষ্টা করি। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
মাজার আরবি শব্দ।বাংলা অর্থ জিয়ারতের স্থান।মাজার একটি সাধারণ কবর মাত্র।কিন্তু আমাদের দেশে মাজার বলতে সাধারণত ওলী-আউলিয়া,পীর-বুজুর্গ দের কবরকেই বুঝানো হয়।মাজারে মান্নত করা,দান করা বা সিজদাহ দেওয়া শিরক।তবে জিয়ারত করা যাবে। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
আর-রাহীকুল মাখতূম,তাসাওউফ ও আত্নশুদ্ধি,নফসের বিরুদ্ধে লড়াই,শয়তানের বিরুদ্ধে লড়াই,হিজাব আমার পরিচয়,মা মা মা ও বাবা। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
১.ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর(রহিমাহুল্লাহ) ২.শায়েখ আহমাদুল্লাহ ৩.মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাইদী |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
নেই |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
"নিজের সম্পর্কে বলা অনেক কঠিন কাজ।কেউ ই পারফেক্ট হয় না।আমিও পারফেক্ট নই।চেষ্টা করি নফসের সাথে লড়াই করার।অনেক সময় ইমান আমলে কমতি দেখা দেয়।তখন নিজেই সেটার সমাধান খোজার চেষ্টা করি।আগের জীবন টা অনেকটাই আলাদা ছিল।২০২১ এ হেদায়েত পাই আলহামদুলিল্লাহ।পরিপূর্ণ হেদায়েত এখন ও পেয়েছি কিনা সেটা আল্লাহই ভালো জানেন।ফরজ বিষয় গুলোতে কোনো ছাড় দেই না।সুন্নতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।নফল ইবাদত সাধ্য অনুযায়ী করি।দিনের শুরু হয় সালাত, কুরআন তিলাওয়াত,দোয়া-জিকির,হিফয ক্লাসের মাধ্যমে।
ছোট বেলায় বাবা মায়ের ইচ্ছা ছিল আমাকে হিফয করানো।পরবর্তীতে সেটা আর হয়ে উঠে নি।২০২২ এর সেপ্টেম্বরে এক বান্ধবীর উৎসাথে আমি সিদ্ধান্ত নেই হিফয করার।আলহামদুলিল্লাহ এখন প্রায় ১০ পারা হিফয হয়েছে।ইচ্ছা সম্পুর্ন কুরআন বুকে ধারণ করার।শুরু থেকে অনলাইনেই হিফয করছি।বর্তমানে মদিনা হালাকা ও ত্বলাবুল ইলমে হিফয করছি।বর্তমানে হিফয ই আমার মেইন ফোকাস(আল্লাহ যদি কবুল করেন)।আল্লাহর কালাম বুকে ধারণ করার মাঝে অনেক প্রশান্তি আছে।পরবর্তীতে কুরআন নিয়ে আরও অধ্যয়নের জন্য হিফয থাকাটা ইন শা আল্লাহ অনেক উপকারে আসবে।বিয়ের পর এই জার্নিটা অনেক কঠিন যদি না পরিবারের সাপোর্ট থাকে।আমার চাওয়া আমার জীবনসঙ্গীও আমাকে এই ব্যাপারে সাপোর্ট করবেন।আমাকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করবেন।ইসলাম সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবেন।সারাজীবন কুরআনের ছাত্রী হয়ে থাকতে চাই।ইসলামিক বই পড়তে পছন্দ করি।প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘুরতে ভালো লাগে।প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝেই আল্লাহর নিয়ামত গুলো ভালো ভাবে উপলব্ধি করা যায়।গোছালো থাকতে পছন্দ করি।জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ড হওয়ায় ইসলামের জ্ঞান সীমিত।"ইসলাম সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করি এবং সে অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করি।ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্য আইওএম এ পড়া।পাশাপাশি অন্যান্য সোর্স থেকেও জানার চেষ্টা করি।বিভিন্ন লেকচার বা বইয়ের মাধ্যমে।কম্বাইন্ড কলেজে পড়তে হচ্ছে কিছু কারণে বাধ্য হয়ে।আমি কলেজে ক্লাস করি না,ট্যুরে মার্ক থাকা সত্ত্বেও যাই না।অতি প্রয়োজন ছাড়া কলেজ যাই না,ছেলেদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলি,শুধু এক্সামের সময় এক্সাম দেই।
অনেক সহজেই মানুষের সাথে মিশে পারি আলহামদুলিল্লাহ।মায়াতেও পড়ে যাই খুব দ্রুত।মানুষকে প্রচন্ডভাবে ভালোবাসতে পারি।শ্বশুড় শাশুড়ির সাথে বাবা মায়ের মত সম্পর্ক গড়তে চাই।আমার বাবা-মায়ের ও ছেলে নেই।তিনিও যেন আমার বাবা-মাকে নিজের বাবা-মায়ের মতন ই দেখেন এটাই চাওয়া।বিশেষ ইচ্ছা আল্লাহ সামর্থ্য দিলে ইন শা আল্লাহ হজ্জ্ব বা উমরাহ করতে চাই।
আমি জানি আমার অনেকদিক থেকেই অনেক ল্যাকিংস আছে।তারপরেও আমি স্বপ্ন দেখি যে আমার জীবনসঙ্গী হবে তার তাক্বওয়া,উত্তম আখলাক দেখে আমার চোখে পানি চলে আসবে।যাকে বলে চক্ষু শীতলকারী।আমি এমন একজন কে চাই যে আমাকে জান্নাতে যাওয়ার পথে সাহায্য করবে।আমার ভুল ত্রুটি গুলো আমাকে সুন্দর ভাবে ধরায় দিবে।যাতে আমার ভুলগুলো আমি সুধরে নিতে পারি।দুনিয়াই তো সুধরানোর জায়গা।মৃত্যু হলেই তো সকল আমলের দুয়ার বন্ধ।একে অপরের কাধে কাধ মিলিয়ে,সুখে দুঃখে একে অপরের পাশে থেকে দুনিয়ার সফর শেষ করতে চাই।অতঃপর জান্নাতে গিয়েও সেই দুটি চোখের দিকে তাকিয়ে পার করে দিতে চাই ৪০ টি বছর।যে জোড়া চোখের দিকে তাকিয়ে দুমিয়াতেও একি স্বপ্ন দেখেছিলাম।" |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
সঠিক ভাবে দ্বীনকে পালন করে হায়াতুত দুনিয়া শেষ করা।ইসলাম সম্পর্কে সারাজীবন জ্ঞান অর্জন করা।সারাজীবন কুরআনের ছাত্রী হয়ে পার করে দেওয়া।সংসার জীবনে এবং আমার উপরে যাদের হক আছে তাদের হক সঠিক ভাবে পালন করা।সন্তান দেরকে তাওহিদের উপর চলার জন্য ফিকির করা।অমুসলিম দের মাঝে দাওয়াত দেয়ার অনেক ফিকির কাজ করে ভিতরে।কিন্তু পর্যাপ্ত সাহস আর জ্ঞানের অভাবে করতে পারিনা।এই দিকে ভবিষ্যতে কাজ করার ইচ্ছা আছে।মুসলিম দের মাঝেও দাওয়াতের প্রসার ঘটানো নিজের সাধ্য অনুযায়ী।সদকায়ে জারিয়ার পথ তৈরী করে রেখে যাওয়া।(ইন শা আল্লাহ) |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
বই পড়ে বা ইসলামিক লেকচার শুনে,পরিবারের মানুষ দের সাথে গল্প করে। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
বাসার কাজে আম্মুকে কাজে সাহায্য করে।বাসার সবার সার্বিক খেয়াল রাখা।দ্বীনি বিষয় গুলা লক্ষ্য করা ইত্যাদি |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
নারী আর পুরুষ কখনো ই সমান হতে পারে না।কিছু ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালা নারী দেরকে সামলানোর দায়িত্ব দিয়েছেন যেমন ঘর সংসার,সন্তান প্রতিপালন ইত্যাদি।আর কিছু ক্ষেত্রে পুরুষদেরকে যেমন শক্তি সামর্থ্যের কাজ,ইনকাম করা ইত্যাদি।নারী আর পুরুষের শারীরিক গঠন ও ভিন্ন।আর ও অনেক বিষয়েই নারী পুরুষের মাঝে ভিন্নতা রয়েছে।তাই পুরুষের দায়িত্ব পুরুষ আর নারীর দায়িত্ব নারী পালন করার মাধ্যমেই সমাজে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। |