| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
জী আলহামদুলিল্লাহ |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
যতটুকু মনে আছে চার পাঁচ বছরের মত হবে হয়তো |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
চাচাতো , খালাতোও ফুফাতো ভাই তাছাড়া নিজের দুলাভাইয়ের সামনে ও ইচ্ছাকৃত বেপর্দা ভাবে যাই না আলহামদুলিল্লাহ। নিজ দায়িত্বে চেষ্টা করি নন মাহরাম মেইনটেইন করার। তো সব মিলিয়ে যথাসম্ভব চেষ্টা করি। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
জী আলহামদুলিল্লাহ।ছোটবেলায় মক্তবে শিখছিলাম ওইটা শুদ্ধ ছিল না তারপর যখন জেএসসি পরীক্ষা দেই ক্লাস এইটে দেওয়ার পর অবসর ছিলাম তখন আবার একটা কওমি মাদ্রাসাতে নতুন করে কায়দা থেকে কুরআন পর্যন্ত আবার শিখছিলাম। তবে এখনো কিছু হরফেরমাখরাজওকিছু তাজবীদ এর ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি আছে মনে হয় তা সংশোধন করার জন্য বাংলাদেশ ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসা মানে Biom এর সাথে যুক্ত আছি একদম বিশুদ্ধ করার জন্য। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
কালো বোরকা,,মোজা,ছয় পার্টের লং নিকাব ও বাইরে বের হওয়ার সময় চোখ ঢেকে বের হই আলহামদুলিল্লাহ। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
ইসলামের পক্ষে সর্বদা। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
আলহামদুলিল্লাহ না। একদম অপছন্দের,ইচ্ছাকৃত দেখি ও না শুনিও না |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
এখানে যখন আমার বায়োডাটা জমা দিয়েছিলাম তখন আমার বায়োডাটা তে দিয়েছিলাম যে আমার PCOS এর সমস্যা আছে তবে এবার এটা এডিট করে দিতেছি, কারণ সর্ব প্রথম যখন আমি ২০২৩সালের, লাস্ট এর দিকে অন্য এক প্রয়োজনে আলট্রা টেস্ট করি তখন এই টেস্টে আমার এই রোগ ধরা পড়ে কিন্তু তখন ও আমি ১০০% কনফার্ম ছিলাম না যে আমার আসলেই এই রোগ হয়েছে কিনা কারণ এ রোগের যেসব লক্ষণ ছিল হুবহু আমার সাথে লক্ষণগুলো মিলে নাই তবুও রিপোর্টে যেহেতু এই সমস্যা ছিল তাই বায়ো তে দিলাম , তবে এদিকে রোজার আগে দুই জন ডাক্তার এর সাথে আমার এই রোগ নিয়ে কথা হয় তো ওনারা দুই জন ই আমাকে আবার টেস্ট করতে বলেন তো ওনাদের কথা মতো আর আমি ও একদম কনফার্ম হওয়ার জন্য টেস্ট কি , তো আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ রিপোর্ট নরমাল আসছে, টেস্ট করার সময় ই আমি ডঃ ম্যাম কে জিজ্ঞেস করছি যে আমার pcos মানে সিস্ট আছে কিনা তো তিনি ঐ সময় ই বলছে যে কিছু নাই সব ভালো, তো সত্যি বলতে আমার নিজের ইবিশ্বাস হচ্ছিল না কারণ একে তো আমি হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করি নাই কারণ এই রোগ এর জন্য যতটুকু জানছি যে এটা এমন একটা রোগ যেটার সরাসরি কোনো ঔষধ নাই যে এই এই ঔষধ খেতে হবে তাহলে সুস্থ হয়ে যাবেন,এটা এমন একটা রোগ যেটার জন্য হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করতে হবে যেমন পুষ্টিকর খাবার,শরীর চর্চা, টেনশন ফ্রি সব সময় হাসি খুশি থাকা ইত্যাদি তাছাড়া অনেক কিছু খাওয়া যাবে না, যেমন সাদা ভাত, সয়াবিন তেল ব্রয়লার মুরগি, আর ও অনেক কিছু তবে আমি তো এই সব কিছুই খাইছি, তাহলে আমি নিজেই প্রশ্ন করি যেহেতু আমি এভাবে চলি নাই মানে হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করি নাই তাহলে তো এই রোগ টা আরো জটিল হওয়ার কথা ,তাহলে এখানে রিপোর্ট নরমাল আসে কিভাবে? তবে একটা বিষয় কি,মহান আল্লাহ চাইলে সব সম্ভব প্রথম যখন আমি আমার এই রোগ টা ধরা পড়েছে জানলাম তো এর আগে আমার শ্রদ্ধেয় এক শায়েখ মোঃ আমজাদ হোসেন হেলালী সাহেব এর একটি ইসলামিক একটি অনুষ্ঠানে উনার থেকে শুনছি যে এক লোকের সূরা ফাতিহা পড়ে পানি খাওয়ার বরকতে ঐ লোকের ক্যান্সার ভালো হয়ে গেছে,তো এইটা আমার মনে ছিল। তো আমার অন্য একটা প্রয়োজন আর PCOS থেকে সুস্থতার নিয়তে সূরা ফাতিহা, পাঠ করে পানি খাওয়া শুরু করি আমল যদিও নিয়মিত করতে পারি নি, মাঝে মাঝে মিস হয়ে যেত,আর পাশাপাশি আল্লাহর কাছে, এই রোগ সহ সব ধরনের রোগ থেকে সুস্থতার জন্য দোয়া করছি সাধ্যমত তো আমার বিশ্বাস আমার যদি এই রোগ হয়ে থাকে তাহলে আল্লাহর কুরআন এর বরকতে আর আল্লাহর কাছে যে দোয়া করতাম তো, কুরআন এর আমল ও দোয়ার উসিলায় আল্লাহর রহমতে এবারে আলট্রা টেস্ট এ আমার রিপোর্ট নরমাল আসছে আমি মনে করি।।আর যদিও এই রোগ টা জন্য হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাইছি আপুর সাথে পরামর্শ করে যেহেতু বড় আপু হোমিওপ্যাথি লেভেলে ডাক্তারি পড়াশোনা করতেছে, কিন্তু এদিকে একদম কনফার্ম হই যে এই রোগ এর জন্য, সরাসরি কোনো ঔষধ নাই। কারণ pcos এর সমস্যা থাকলে ডঃ এর কথা অনুযায়ি হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করতে ই হবে ১০০%। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে দেখেন আমি কিন্তু তেমন হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করি নাই তো যাই হোক আলহামদুলিল্লাহ যিনি আমাকে এই রোগ থেকে শিফা দান করছেনর ।আর এখন যদি রোগের কথা বলা লাগে তো বলবো যে জিনের নজর লাগার, সমস্যা আছে হয়তো তবে 100% কনফার্ম না আল্লাহ ই ভালো জানেন এই বিষয়ে। তবে ভাববেন শরীরে জিনে ধরা সমস্যা আছে কি না,নেই আলহামদুলিল্লাহ। কারণ জিনের নজর লাগা এক বিষয় আর শরীরে ভর করা অন্য বিষয়।আর উদাহরণ হিসেবে আমার ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হয়, আর অন্ধকারে একা ভয় পাই,যেমন সবাই ঘুমিয়ে আছে আমি একা নামাজ পড়তেছি বা বাইরে ওয়াশ রুমে অজু করতেছি বা বাইরে কোন কারনে একা আছি তখন মনে হয় আশপাশে কেউ আছে,এই রকম টাইপের ভয় হয় আমার । তো ভয় পাওয়া,ওয়াস ওয়াসা এগুলো নাকি ওই জিনের নজর লাগলে হয়, তবে আরো লক্ষণ আছে ওইসবগুলো আবার মিলে না।আর আমার যে ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হয় এটা কনফার্ম।আর কারো ওয়াস ওয়াসা সমস্যা শুধু জিনের নজর লাগলেই হয় এমন টা নয় যেমন:১) কারো জিন, জাদুর,বদনজর ও জিনের নজর থাকলে ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হতে পারে ২) দীনের ব্যাপারে সঠিক ইলম না থাকলে ৩) গোসল খানায় কেউ প্রসাব করলে আর এই গোসল খানায় ওযু গোসল করলে এই কারনে ও ওয়াস ওয়াসার সমস্যা হতে পারে,। আমার কোন কারনে ওয়াস ওয়াসা সমস্যা হয়েছে আমি নিজেও ভালো ভাবে জানি না। তবে ওয়াস ওয়াসা থেকে সুস্থতার নিয়তে আয়াতুল হারক মানে জাহান্নাম সংক্রান্ত আয়াত যা ওয়াস ওয়াসা চিকিৎসা কার্যকরী তো এই আয়াতুল হারক তিলাওয়াত করে অলিভ অয়েল এ ফু দিয়ে শরীরে ব্যবহার করতেছি আলহামদুলিল্লাহ আগের তুলনায় ওয়াস ওয়াসা কমে গেছে।আর ভয় পাওয়া যে বিষয়টি বললাম ঐ মুলত বিশেষ করে আমার পরিচিত বা আমার এলাকায় মারা গেলে ভয় টা একটু বেশি লাগে, এমনিতে,হালকা ভয় লাগে এই আরকি।আর অনেক কথাই লিখলাম কারণ একটাই ,ভালো ভাবে ক্লিয়ার করে বোঝানোর জন্য এতো গুলো কথা লিখলাম । আরেকটা বিষয় আমার ওজন টা আগের চেয়ে কমে গেছে তো যে দুই জন ডাক্তার এর সাথে কথা হয় তাদের একজন ডায়েটিশিয়ান, কারণ PCOS এর হেলদি লাইফস্টাইল মেইনটেইন করার জন্য ডায়েট করে খাবার খেতে হয়, তো আমার ওজন টা যেহেতু আগের চেয়ে কমে গেছে তো যে ডায়েটিশিয়ান ডক্টর ম্যামকে দেখায় তিনি আমাকে আমার ওজনটা যাতে বাড়ে আর PCOS যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে কারণ তিনি আপাতত আমার এই রোগ টা আছে ধরেই প্রেসক্রিপশন লিখছিল, তো এই ডঃ ম্যাম আমাকে দুই মাসের জন্য ডায়েট চার্ট দেয় তো যথাসম্ভব ফলো করার চেষ্টা করতেছি আল্লাহ চাহে তো ইনশাআল্লাহ আমার আগের ওয়েটে ফিরে যেতে পারবো। আর আমার নিজের ও টার্গেট আগের ওজনে ফিরে যাওয়া। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
না |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
মাজার একদম পছন্দ না, আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কোন কিছুর কাছে কোন কিছু মান্নত করা বা চাওয়া একদম স্পষ্ট শিরকের অন্তর্ভুক্ত। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
বেলা ফুরাবার আগে,মুহসানাত ,মহানবী (স:) জীবনী |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
শায়েখ আহমাদুল্লাহ হুজুর, আবু তোহা আদনান, মোঃ আমজাদ হোসেন হেলালী সাহেব। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
দীনী কোনো বিশেষ উল্লেখযোগ্য যোগ্যতা আছে কিনা জানিনা, মহান আল্লাহ ই ভাল জানেন, তবে দুনিয়াবি বলতে গেলে মোটামুটি দর্জির কাজ জানি, রান্নার কাজ জানি মোটামুটি আলহামদুলিল্লাহ। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
প্রথমত নিজের সম্পর্কে বলাটা খুবই কঠিন, কারণ নিজের সম্পর্কে মানুষের কাছে উপস্থাপন করাটা পছন্দ না।তবে নিজের ব্যাপারে ধারণা দেওয়ার জন্য কথাগুলো বলা। আমি মানুষটা একটু চঞ্চল টাইপেরও হাস্যজ্জল,তবে খুবই নগণ্য ও নরম প্রকৃতির মানুষ। খুব সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করে ফেলি। অল্পতেই মানুষের জন্য মায়া হয়ে যায়। অন্যের জন্য কোন কিছু করতে পারলে নিজের কাছে আনন্দ লাগে। অতিরিক্ত বিলাসিতায় বড় হয়ে ওঠেনি, মানুষের সাথে মিশতে ভালো লাগে, তবে সবার সাথে না।পছন্দের বিষয় গুলোর মধ্যে কুরআন তিলাওয়াত শোনা, ইসলামিক নাশীদ, সত্যকথা বলা,ফুল, চাঁদনী রাত ইত্যাদি বিষয়।আর মনের জমে থাকা কথা গুলো আকাশের দিকে তাকিয়ে মহান মালিক কে বলতে ভালো লাগে। অপছন্দের বিষয় গুলোর মধ্যে অশ্লীল ভাষা বলা , ঝগড়া বিবাদ,লোক দেখানো ইবাদত, লেবাসধারী দ্বীনদার,মিথ্যা কথা বলা ,অহংকার করা ,পরনিন্দা করা ,মানুষের সাথে প্রতারণা করাএগুলো । আর আমি জেনারেল লাইনে পড়ালেখা করা অবস্থায় আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লাহ আমাকে দীনের বুঝ দান করেছেন , যার জন্য এসএসসি পাস করে ওই লাইনের ফালতু পড়ালেখা থেকে আমি লিভ নিয়ে নিয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। তবে আমি তখন জানতাম না সহ শিক্ষা হারাম। তবে এখন চিন্তা করে দেখি আসলে আমি যা করছি একদম ঠিক কাজ করছি,, তাছাড়া নারীদের উচ্চ শিক্ষার পক্ষে আমি নই।যে শিক্ষা নারীর হায়া ওপুরুষের গায়রত ধ্বংস করে দেয় এ শিক্ষার তেমন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।তবে দীনের বুঝ তো আলহামদুলিল্লাহ পেয়েছি ঠিকই কিন্তু দীনহীন অভিভাবক থাকায় এই পথে চলাটা আমার জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে,, হয়তো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমার জন্য পরিক্ষা আল্লাহ ই ভালো জানেন,, বলতে গেলে আমার মতো জেনারেল থেকে দীনে ফেরা প্রতিটি বোনই জানে নিজেদেরকে সমাজ ওপরিবারের সাথে কতটা যুদ্ধ করতে হয়। আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন আমার জন্য সবকিছু সহজ করে দেন ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন দীনের পথ থেকে যেন কখনো সরে না আসি ইনশাআল্লাহ। আর এই ফিতনাময় জেনারেশনে দীনের পথে চলার জন্য একজন বিশ্বস্ত দীনদার জীবনসঙ্গীর খুবই প্রয়োজন মনে হচ্ছে।তবে এইটুকু বিশ্বাস, আল্লাহর উপর আছে তিনি সবসময় আমার পাশে আছেন কারণ আল্লাহর দয়া তো বান্দার কল্পনা ও চিন্তার বাইরে। আল্লাহর কাছে আশা রাখি যিনি আমাকে দয়া করে হেদায়েত দান করছেন তো এই পথে টিকে থাকার জন্য দুনিয়াবি জীবনে
উসিলা হিসেবে উত্তম কাউকে আমার জন্য পাঠাবেন,ইনশাআল্লাহ। আর আলহামদুলিল্লাহ বয়ফ্রেন্ড, জাস্ট ফ্রেন্ড এসব শয়তানি ফাঁদ নেই। রিলেশন নামক এসব হারাম সম্পর্কে কে একদমই ঘৃণা করি। । আর লাইফের সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে উত্তম জীবন সঙ্গী খুঁজে পাওয়া, আর এই জায়গায় এসে আল্লাহর কাছে দোয়া করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা তাই যথা সম্ভব খুব খাছ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেছি উত্তম কাউকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পাওয়ার জন্য, আল্লাহর কাছে আশা রাখি তিনি আমাকে আমার পরিকল্পনার চেয়েও উত্তম কাউকে রেখেছেন আমার জন্য ইনশাআল্লাহ। কারণ আল্লাহর কাছে দুই হাত তুলে দোয়া করলে বান্দার সেই দুই হাত খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আল্লাহ তো লজ্জা পান। আর আমার কথা গুলো হয়তো এলোমেলো,তাই কতটুকু বলতে পেরেছি জানিনা।
ছোট এই জীবনে অনেক কিছু জানার আছে শিখার আছে, বিশেষ করে দ্বীনি বিষয়ে শিখার আগ্রহ । দীনের পথে নতুন একটু কম বুঝি,তাই যারা আমার বায়ো টা পড়বেন বায়োতে, থাকা ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ইন শা আল্লাহ। আর আমার লেখা গুলো বোধহয় একটু বেশি বড় হয়ে গেছে তাই আফওয়ান। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
দীনি একটা পরিবার গঠন করা ইনশাআল্লাহ ও নিজে দীনিইলম,অর্জন করে অপরকে শিক্ষা দেওয়া। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
আমি মানুষটা ততটা স্পেশাল নই যে সব সময় একই কাজ করে অবসর সময় কাটায়,, বলতে গেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী যখন যেটা ভালো লাগে ওইটাই করি। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
নিজের কাজ নিজে করা,ঘর গুছিয়ে রাখা, মাঝে মাঝে রান্নার কাজে আপু কে সাহায্য করি ,তাছাড়া আপু প্রচন্ড অসুস্থ থাকলে আমি নিজে রান্না করার দায়িত্ব নেই। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
কখনোই না,, ,ইসলামে নারীদের মর্যাদা অনেক উপরে,, নারীদের কে ঘরের রানী বলা হয়, তাছাড়া সৃষ্টিগত ভাবে নারী-পুরুষ আলাদা ভাবে সৃষ্টি হয়েছে,তো তাদের কাজে ধরণটাও আলাদা এবং দায়িত্ব ও কর্তব্যের দিক দিয়ে আলাদা।তাই সমঅধিকার এসব বলে নারীর পর্দার বিধান লংঘন করে বাড়ির বাইরে বের হয়ে বেহায়া ও গায়রতহীন দের মতো নারী-পুরুষ একসাথে কাজ করা এটা অগ্রহণযোগ্য ।আর নারী কোমল ও প্রেমময়ী সে ঘরের বাইরে বের হওয়া মানে একজন পুরুষের জন্য ফিতনা,, তাই তাকে ঘরেই মানায়,বাইরে নয়।আর পুরুষ পারিবারিক আর্থিক চাহিদা মেটাতে বাইরে গিয়ে ঘাম ঝরিয়ে রোজগার করবে, আর অন্য দিকে নারী ঘরের দিকে সামলাবেন এতেই তো কামিয়াব। |