| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
"আমার শখ ছোট্ট ছোট্ট ইচ্ছেগুলো পূরণ।হয়তো সেগুলো অন্যের কাছে বড় বড় ইচ্ছে ও হতে পারে।
নিজের ভালোদিকগুলো লুকোতে পছন্দ করি।লুকিয়ে রাখি বলতে, কারো সামনে নিজেকে বেশি গ্লোরিফাই করাটা পছন্দ করিনা।আমার সামনে কেউ আৃমার প্রশংসা না করে,খারাপগুলো বুঝিয়ে বলুক,যেন আমি শুধরে নিতে পারি।এটা পছন্দ করি।
যেমন: ভালো কিছু বিষয় যা আমার মধ্যে আছে তা সময় নিয়ে জানিয়ে আমি সারপ্রাইজ দিতে পছন্দ করি।লাইক,ভালো আনএক্সপেক্টেড কিছু
পাওয়ার পরবর্তী চমৎকার রিয়েকশন টা দেখার জন্য।হাসাতে ভালোবাসি।
আমার দুনিয়াবি প্রধান স্বপ্ন, Psychologist হওয়ার এবং এর মাধ্যমে দুনিয়াতে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার।
ইসলাম ও বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে পছন্দ করি।
আমার ইচ্ছে, আল্লাহ যখন বিয়ে লিখে রেখেছেন, তখন যেন খুবই সিম্পলভাবে মসজিদে বিয়ে সম্পন্ন হয়,সবার ব্লেসিং নিয়ে।যেখানে গুনাহের কোনো কিছুই থাকবেনা,শুধুই আল্লাহর রহমত এবং বরকত। আল্লাহ যেন কবুল করেন।
বাবা মা থেকে বাচ্চারা অনেক গুনাবলি পায়,তবে কিছু গুনাবলি ব্যক্তির নিজের থাকে যা তাকে অন্য আরেকটি মানুষ থেকে পৃথক করে।
তেমনি আমিও আমার পরিবার থেকে কিছু বিষয়ে ভিন্ন মতাদর্শের তবে তা অবশ্য ইসলাম বিরোধী নয়,আলহামদুলিল্লাহ। অনেকেই বাবা-মা কে দিয়ে সন্তান কেমন হবে তা জাজ করে। কিন্তু এটা ভুলে যায় যে, বৈজ্ঞানিকভাবে ও ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যাবলি থাকে যা, বাবা-মায়ের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়,যা ব্যক্তির ব্যক্তিত্বে প্রকাশ পায়।
আমার বাবা-মা ও আমাকে যথাসম্ভব ভালো আদর্শে বড় করার চেষ্টা করেছেন এবং আমি চাই আমার ছোট ভাই বোনের আদর্শ হতে,বোন হিসেবে দায়িত্বগুলো পালন করতে, যতদিন বেঁচে আছি ইন্ শা আল্লাহ।
আরেকটি ইচ্ছে দ্বীন ও দুনিয়ার ভিন্ন জগতকে, ইসলামের মাধ্যমে একত্রিত করার। যাতে "দ্বীন vs দুনিয়া " না হয়ে,"দ্বীন with দুনিয়া" হয়।এজন্য একটি গ্রুপ পরিচালনার ও সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ছোট্ট মাথা দিয়ে সহিহভাবে যতটুকু সম্ভব।
আমি পরিবারের সব বাচ্চাদের একমাত্র বড় বোন। সে হিসেবে, আমার থেকে তাদের আশা-প্রত্যাশা ও অনেক।তাই দায়িত্ব ও অনেক। শুধু এটা নয়,আমি চাই আমার সর্বদিকে সকল দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করতে। সব যে পারবো তা নয়,আবার পারবো না তা ও নয়। আল্লাহর কাছে চাইলে আল্লাহ অবশ্যই দেন,সমস্যা হলো আমরা ঠিকভাবে চাইতে জানিনা আর দোষারোপ করি।
আমি Feminism support করিনা। আবার, Anti-feminism ও না। আমি শুধু জানি এবং মানি,ইসলাম নারীদের যেখানে যতটুক প্রতিবন্ধকতা রেখেছে, সীমা রেখেছে, সেটা মেনে নিয়ে হালালভাবে সব সম্ভব। আমার আল্লাহ যেখানে সুযোগ রেখেছে,ইসলামের নাম দিয়ে সেখানে বাঁধা তৈরি করার আমরা কে? কে সেই আমরা?
কর্পোরেট জবের পক্ষে বা বিপক্ষে বলছিনা। নারী ঘরে থেকেও দক্ষতা বৃদ্ধি করে অনেক কাজই করতে পারে। অফলাইন,অনলাইন পর্দার সাথে অনেক কিছু সম্ভব। আগে ইসলাম কে সঠিকভাবে জানতে হবে। Each and every single things.. একটি মাসআলা পড়লাম আর যা বুঝলাম মেনে নিলাম তা না করে, সেই মাসআলা ও মাসআলার আদ্যোপান্ত সব জেনে মানবো। ইসলাম যেখানে নারী-পুরুষ কে আলাদা করেনা সওয়াব এ,সেখানে আমরা কীভাবে হেয় করি??
আবারও বলতে চাই,ফেমিনিজম সাপোর্ট করিনা তবে সঠিক নিয়মে আল্লাহ যার যতটুক সীমারেখা রেখেছেন ততটুকু মেনে বাকি জীবন কাটাতে চাই। আল্লাহ ভালো জানেন।
আমি কিছুটা দুষ্টু প্রকৃতির। ছোটদের সাথে ছোট বাচ্চা, বন্ধু হয়ে যাই আবার বৃদ্ধ দাদা-নানা বয়সীদের জন্য তাদের কথা বলার সঙ্গী, বন্ধু হয়ে যাই। তাদের কাছাকাছি থাকতে ভালো লাগে।
আমি ইগো,বদমেজাজ একদমই পছন্দ করিনা।ইগোইস্টিক ও বদমেজাজি মানুষ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি সবসময়।
আত্মীয়তার সম্পর্কগুলো সঠিকভাবে আগলে রাখার মধ্যে শান্তি খুঁজে পাই।এটি আম্মুর থেকেই শিখা। আম্মুর থেকে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা এবং কোনো অসহায় ব্যক্তি বাড়ি আসলে খালি হাতে না ফেরানো ব্যাপারটা আমাকে অনেক প্রভাবিত করে। ছোট থেকেই দ্বীনি পথে হাঁটতে সাহায্য করেছে।কুরআন,নামাজ,পর্দা আম্মুর থেকেই শেখা। আর আব্বুর মাধ্যমে রাস্তাঘাট চিনেছি,শিখেছি মান-সম্মান এর সাথে বড় হওয়াটা, সদ্ব্যবহার ,দান এর ব্যাপারে এবং আশেপাশের মানুষের সাথে শ্রদ্ধাশীল হওয়ার ব্যাপারটাও আব্বুর থেকে শেখা। মেয়েদের প্রতি আব্বুর ভালোবাসার প্রকাশটা একটু বেশিই,তাই কখনো মেরে কথা বলেননি। মাইর আম্মুর হাতে খেয়েছি 😑😑। এমন বেশকিছু দিকে আব্বু ও আম্মু সুন্দরভাবে একত্রে আমাদের গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। অনেক কিছুই দেখেছি,শিখেছি আলহামদুলিল্লাহ। কখনোই ছোট্ট ভুলকেও প্রশ্রয় দেননি।
বর্তমান সমাজে কুফু মেলানো জরুরি,তবে কুফু বাদে অন্যদিক গুলো দেখা বেশি জরুরি। সমাজের স্ট্যাটাস স্টাটাস গেইম টা খুবই অপছন্দ। চরিত্র থেকে শুরু করে একজন ব্যক্তির সামর্থ্য সহ সব পছন্দনীয় হলে,স্ট্যাটাস মেইনটেইন টা কি খুব বেশি জরুরি? মনে করছিনা।
আমি যেকোনো বিষয়ে গভীর চিন্তা ধারার মানসিকতা রাখতে পছন্দ করি। এক কথায় বললে,Broad minded thinking. কিছুটা Ambivert প্রকৃতির।
ছোট থেকেই গার্ডেনিং এর অনেক শখ ছিল। যদিও সবসময় চালিয়ে যেতে পারিনি।
একটি জিনিস খুবই অপছন্দ করি,"Misunderstanding" যেকোনো সমস্যা আল্লাহ চাইলে সমাধানযোগ্য। তবে,সমাধান না করে ঝামেলা তৈরি করা আর তৈরিকারী উভয়ই অপছন্দের।
বৃষ্টি খুবই পছন্দ, বৃষ্টি এবং স্নিগ্ধ আকাশ দেখলে আমার বাচ্চাসুলভ বৈশিষ্ট্যের আগমন ঘটে,বাচ্চাদের মতো হয়ে যাই।যত কষ্টে-ই থাকিনা কেন এই বৃষ্টি এবং তাকে জুড়ে সবকিছু আমাকে প্রশান্তি দেয়। বলা যায়,প্রাকৃতিক নিদর্শনগুলোর প্রতি আমার ভালোবাসা টা একটু বেশিই।
ছবি তোলা আমার ছোট থেকেই পছন্দ, সাথে বিভিন্ন লেখকের বই পড়া,হোক বাংলা অথবা ইংরেজি বা সাহিত্যমূলক।
আমার স্বপ্ন দ্বীন ও দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন। দ্বীন এর বিভিন্ন বিষয়ে গবেষনা,মুসলিমের ইতিহাস জানা,নিপীড়িত মুসলিমদের জন্য কিছু করার অদম্য ইচ্ছে। বিশেষ করে,যারা যুদ্ধ থেকে বাঁচতে সমুদ্রপথ পাড়ি দেয়।
এমন অনেক ছোট ছোট ইচ্ছে আছে পূরণের,আল্লাহ যদি সহায় হন এবং যাকে আমার পার্টনার হিসেবে রেখেছেন সে।
বাচ্চাদের জন্য কিছু করতে চাই,যারা পথশিশু। বিশেষ করে, মেয়ে বাচ্চাগুলোর জন্য।চাই,ঐ ছেলেমেয়ে সবগুলোকে যথাসম্ভব সঠিক গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করতে।
মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে,কারো মুখে ছোট্ট এক হাসির ঝলক দেখতে পারলেও জীবন সার্থক লাগে। রাস্তার অসহায় বৃদ্ধ,বাচ্চা... ইচ্ছে তাদের জন্য কিছু করার। এমন না যে,এখন অনেক টাকা আমার,এখনি করবো😑😑,তা নয়। যখন আল্লাহ উপায় রাখবে,চাইবে তখন করবো। নিয়ত করতে তো "না" নেই।
ট্রাভেলিং পছন্দ,বিশেষ করে বৃষ্টিস্নাত দিনগুলোতে, মেঘলা আকাশ থাকাকালীন।
নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার চেষ্টা করতে পছন্দ করি।ইসলামের সাথে আমলের মাধমে জীবন পরিচালনা করার ইচ্ছে,প্র্যাক্টিসিং মুসলিমাহ হওয়ার পথে।
জাজমেন্টাল সমাজ টা থেকে নিজেকে একটু এক্সেপশনাল রাখতে চাই।
দেশভ্রমণ এর ইচ্ছে। তবে,সিরিয়া,ফিলিস্তিনের মতো দেশগুলোতে প্রথমে যাওয়ার ইচ্ছে।
আমার পড়াশোনা বাচ্চাদের নিয়ে,তাদের বিকাশ নিয়ে। সাইকোলজি রিলেটেড এবং আমার ইচ্ছে সে বিষয়ে নিজেকে উন্নত করা।তাদের জন্য কিছু করার জন্য।
কখনো কোনো বিষয়ে রাগ করলে,রাগ এর চেয়ে বেশি কষ্ট পাই😑।
মাঝে মধ্যে ইনার বাচ্চামো ভাব বের হয়ে আসে।কিন্তু, অনুচিত জায়গা গুলোতে নয়। কখন কার সামনে কেমন বিহেভ করা উচিত,খেয়াল রেখে চলতে পছন্দ করি।
পূরণ করতে চাই এমন অনেক কিছু আছে Wishlist এ লিখা।আল্লাহ চাইলে করবো, ইন্ শা আল্লাহ।" |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
নাহ। নারী পুরুষ সমতা আর সুসমতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। নারী অধিকারের নামে নারীবাদ বেশি বাড়ছে। তবে,নারী অধিকার এবং নারীবাদ ভিন্ন দুটি বিষয়। তথাকথিত ফেমিনিজমকে সমর্থন করিনা। তবে,ইসলামে নারীকে যেখানে যতটুক সীমাবদ্ধতা দিয়েছে ততটুক বজায় রেখে নারী তার অবস্থান সুনিশ্চিত করতে পারে। ইসলামে নারী পুরুষ এ যেখানে সওয়াবের বেলায় কম বেশি এর পার্থক্য নেই। সেখানে আমরা পার্থক্য করার কে? এতো সাহস আমাদের হওয়া উচিত বলে মনে করছিনা। একটা বিষয় না বললেই নয়,কিছু পুরুষ মনে করেন যে,নারীর পড়াশোনা করারই বা কী দরকার। কিন্তু, একজন নারী, একজন মেয়ে হওয়ার পর,মা ও। সন্তান লালন পালন করতে গেলে যেই সর্বোপরি শিক্ষা প্রয়োজন,তা বাবার তুলনায় মা থেকে বাচ্চা বেশি গ্রহন করে। সেক্ষেত্রে পড়াশোনা জরুরি। তবে,চাকরি ব্যবস্থার ক্ষেত্রেই হয় আসল সমস্যা। নারী পুরুস ইকুয়ালিটি..... তবে,কর্মস্থল বেঁছে নেওয়া যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। একজন তার লাইফে কতটুক সেইফ থাকবে বা কতটুকু গুনাহে জড়াবে.. এটা তার, তার পরিবার এবং আল্লাহর মধ্যবর্তী বিষয়। পরের বিষয়ে কথা কম বলতে পছন্দ করি। তাই কথা বাড়াচ্ছি না। তবে,আমি যেই সেক্টর এর জন্য গোল প্ল্যান করেছি,তা ইসলামকে আরোও ছড়ানোর উদ্দেশ্যে যেন,ইসলাম ফোবিয়া টা কমাতে আল্লাহর রহমত দ্বারা সাহায্য করতে পারি। বান্দা হিসেবে দায়িত্ব, ইসলামের দাওয়াত দেওয়া। তবে, নিজেকে আগে আরও মজবুত করে। ইন্ শা আল্লাহ।
নারী কখনো পুরুষের মতো হতে চাইলে,কাজ করতে চাইলে ইসলাম বিরোধী হয়ে যায়,আর যা ইসলাম বিরোধী তার পক্ষে কীভাবে হতে পারি!
তবে, পুরুষদের মধ্যে অনেকেই নারীকে ডমিনেটিং নজরে দেখেন।মনে করেন, এতেই পুরুষত্বের প্রভাব,এটাই পুরুষত্ব! কিন্তু নারীদের নিয়ে ইসলামে যেমন আচরণ করতে বলা হয়েছে, সেটি বাদে দুনিয়ার সব মাসআলা তাদের মনে থাকে। দুঃখিত! তবে যারা নিজের সুবিধার জন্য ইসলামকে নিজেদের মতো করে ইউজ করে,তাদের আমি খুবই ঘৃণা করি,সে যে-ই হোক। প্রকৃত ইসলাম পালনকারী কেউই যেন আল্লাহ,লাইফ এ আনেন যে নিজের জন্য ইসলামকে নয়,ইসলামের জন্য নিজেকে গোছাবে,পরিবর্তন করবে। ইন শা আল্লাহ |