| স্থায়ী ঠিকানা | রামু, কক্সবাজার |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | টঙ্গী, গাজীপুর |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | ঢাকা এবং টঙ্গী |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রের বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| বর্তমান ঠিকানা | গাজীপুর |
| বিভাগ | ঢাকা বিভাগ |
| স্থায়ী ঠিকানা | কক্সবাজার |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| জন্মসন (আসল) | ১৯৯২ |
| গাত্রবর্ণ | ফর্সা |
| উচ্চতা | ৫'৫'' |
| ওজন | ৬৩ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | B+ |
| পেশা | প্রাইভেট জব |
| মাসিক আয় | পরে জানানো হবে ইনশাল্লাহ। |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| আপনি কি হাফেজ? | না |
| দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? | না |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | A |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | ব্যবসা বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০০৭ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | ব্যবসা বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | A+ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০০৯ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | বি.বি.এ (ব্যাচেলর অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় |
| পাসের সন | ২০১৩ |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | এম.বি.এ (মাস্টার্স অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)-২০১৪ |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | সফট স্কিল (অ্যাপ্রুড বাই জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইউএসএ), নিবন্ধিত প্রভাষক হিসাববিজ্ঞান (NTRCA), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিবন্ধিত আয়কর আইনজীবী Income Tax practitioner-ITP(বিসিএস ট্যাক্স একাডেমি)। |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | না |
|---|---|
| পিতার পেশা | অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী |
|---|---|
| মাতার পেশা | গৃহিণী |
| বোন কয়জন? | ১জন |
| ভাই কয়জন? | ১জন |
| বোনদের সম্পর্কে তথ্য | শিক্ষিত, বিবাহিত। |
| ভাইদের সম্পর্কে তথ্য | শিক্ষিত, চাকরিজীবী |
| চাচা মামাদের পেশা | সরকারি চাকরিজীবী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, অবসরপ্রাপ্ত। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাদেরকে উভয় জায়গাতেই সম্মানিত করেছেন। এবং আলহামদুলিল্লাহ মধ্যবিত্ত জীবনযাপন করার তৌফিক দিয়েছেন। আল্লাহুম্মা বারিক লাহু। |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | আলহামদুলিল্লাহ আমাদের পরিবারে আমি, বাবা-মা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, কোরআন তেলাওয়াত করেন, রোজা রাখেন, পর্দা মেনটেন করেন। আমার আম্মু কুরআনের কারিয়ানা তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ছিলেন ছোটবেলায়। |
| সুন্নতি দাঁড়ি রয়েছে কি? (Required) | আলহামদুলিল্লাহ সুন্নতি দাড়ি রেখেছি, এক মুষ্টির উপরে। |
|---|---|
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন?(Required) | আলহামদুলিল্লাহ আমি সবসময় টাখনুর উপর কাপড় পড়তে চেষ্টা করি। অফিস কিংবা অন্যান্য জায়গাতেও। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | আলহামদুলিল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়। আল্লাহুম্মা বারিক রাহু। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | আলহামদুলিল্লাহ ২০ বছরের বেশি সময়।আল্লাহু আলম। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | চেষ্টা করি |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | আলহামদুলিল্লাহ সুন্দরভাবে তেলাওয়াত করতে পারি আরো সুন্দর ভাবে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করি। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | ঘরের বাইরে পেন্ট, শার্ট, পায়জামা, পাঞ্জাবি। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | নেই। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | না অভ্যাস নেই। সিনেমা, সিরিয়াল, গান, ক্রিকেট খেলা ইত্যাদি সময়ে ধরে দেখা আমার বিরক্ত লাগে। তবে মোবাইল স্ক্রলিং করতে করতে মাঝে মাঝে চলে আসে। আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে থাকি, আল্লাহ যাতে এতোটুকু পরিহার করার তৌফিক দান করেন। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | আলহামদুলিল্লাহ। আমার জানা মতে আল্লাহ সুস্থ রেখেছেন। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | দিনের কোন বিশেষ মেহেনতে যুক্ত নেই। তবে আমার পরিচিত মানুষদেরকে মাঝে মাঝে কোরআন, হাদিস এর রেফারেন্স দিয়ে নসিহত করি। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | মাজার সিজদা করা, কোন কিছু চাওয়া শিরক গুনাহ। এটি শুধুই কবর। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | আল কোরআন, রিয়াজুস সালেহিন, বুলুগুল মারাম |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | প্রফেসর ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, শায়খ আহমদউল্লাহ, প্রফেসর আবু বকর যাকারিয়া, প্রফেসর মুক্তার আহমদ, শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। আরো অনেকে। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | আলহামদুলিল্লাহ আমি আল্লাহর একজন নগণ্য বান্দা। ধর্মীয় আচরণ অনুষ্ঠান পালন করি। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে চেষ্টা করি। আল্লাহ ভয়ে হালাল হারাম নীতি-নৈতিকতা মেনে চলতে চেষ্টা করি। দুনিয়াবী যোগ্যতা বলতে বিজনেস স্টাডিজ বিষয়ে কিছুটা জ্ঞান রয়েছে। পেশাগত দক্ষতা ও কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। সামাজিক আর্থিক এবং জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের চেষ্টা করে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহুম্মা বারিক লাহু। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | নিজেই নিজের সম্পর্কে বলাটা কিছুটা মুশকিল। আমার পেশাগত জীবনে আমি সততা, নিষ্ঠা এবং দায়িত্ববোধকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। আমি বিশ্বাস করি, হালাল রুজি ইবাদতের একটি অংশ, তাই আমি কর্মক্ষেত্রে সর্বদা স্বচ্ছতা বজায় রাখি আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন মুসলিম অতটুকু দ্বীনদার মুসলিম হতে পেরেছি আল্লাহই ভাল জানেন এবং ইসলামের পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থায় বিশ্বাসী। আমি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে/সময়মতো আদায় করার চেষ্টা করি এবং আল্লাহর রহমতে রোজা ও অন্যান্য ফরয ইবাদতগুলো যত্ন সহকারে পালন করি আলহামদুলিল্লাহ। আমি কোরআন তেলাওয়াত, হাদিস অধ্যয়নের মাধ্যমে আমার জ্ঞান বৃদ্ধির চেষ্টা করি। ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী জীবনযাপন করা আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য। নম্রতা, বিনয়, সত্যবাদিতা এবং মানুষের প্রতি দয়া দেখানো আমার চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আমি শিরক, বিদআত এবং সকল প্রকার পাপ কাজ থেকে দূরে থাকতে সচেষ্ট। আমি রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ মোতাবেক একটি সাদামাটা, আল্লাহ-কেন্দ্রিক জীবন যাপন করতে পছন্দ করি। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী খুঁজছি যিনি প্রকৃত অর্থেই আল্লাহভীরু (তাকওয়াবান) হবেন ইনশাআল্লাহ। যিনি নিয়মিত সালাত আদায় করবেন, শরয়ী পর্দা মেনে চলবেন এবং দ্বীনের পথে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত রাখতে আগ্রহী হবেন। আমি আশা করি, তিনি শুধুমাত্র ধার্মিক হবেন না, বরং আমার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল হবেন ইনশাআল্লাহ। আমার স্বপ্ন হলো আল্লাহ যাকে আমার স্ত্রী হিসেবে নির্ধারিত করে রেখেছেন তাকে নিয়ে একসাথে একটি জান্নাতমুখী পরিবার গড়ে তোলা ইনশাআল্লাহ। আমরা একে অপরের দ্বীনের পথে চলতে সহায়ক হব, ভুল হলে শুধরে দেব এবং সকল অবস্থায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করব। আমরা চাই আমাদের সন্তানেরা যেন ইসলামের আলোয় বেড়ে ওঠে এবং সমাজে আদর্শ মুসলিম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে ইনশাআল্লাহ। আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহর উপর ভরসা রেখে একটি সুন্দর ও পবিত্র সম্পর্ক শুরু করা সম্ভব, যেখানে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার ভিত্তি হবে ঈমান ও তাকওয়া। আল্লাহুম্মা বারিক লাহু। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | ১.নিয়মিতভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, রোজা, এবং অন্যান্য ফরজ ইবাদতগুলো সঠিকভাবে পালন করা। ২. কুরআন অর্থসহ পড়া এবং সহীহ হাদীস সম্পর্কে জানা ও তা জীবনে বাস্তবায়ন করা। ৩. নিজের জীবিকা বা পেশার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ হালাল ও সৎ থাকা এবং কোনো ধরনের অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা। ৪. মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা, বিনয়ী হওয়া, মিথ্যা পরিহার করা এবং রাসূল (সাঃ)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন করার চেষ্টা করা। ৫. কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে (যেমন: ফিকহ, তাফসীর, হাদীস) গভীর জ্ঞান অর্জন করা। ৬.নিজের সাধ্যমতো মানুষকে ইসলামের পথে আহ্বান করা বা দ্বীনি শিক্ষামূলক কাজে সময় দেওয়া। ৭. নিয়মিতভাবে সাদকা করা, দরিদ্রদের সাহায্য করা, এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করা। ৮. যতটুকু সম্ভব কোরআন মুখস্ত করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা। ৯. আল্লাহ তৌফিক দিলে দ্রুত হজ্জ/উমরাহ করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন, বাবা মার সাথে গল্প করে বা পেশাগত কোন বিষয় নিয়ে। |
| কত ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করেন? (Required) | আলহামদুলিল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করার চেষ্টা করি । মাঝে মাঝে অনাকাঙ্ক্ষিত বা অনিচ্ছাকৃত কারণে জামাতের সাথে আদায় করতে না পারলেও নিজে আদায় করি। কিন্তু অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত আদায় হতেই হবে ইনশাল্লাহ। আল্লাহুম্মা বারিক লাহ |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | বাড়িতে থাকলে নিজের কাজগুলি গুছিয়ে নেই। বাজারে যাওয়া কেনাকাটা করা। নিজের পরিধে বস্ত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা ইত্যাদি, কোন প্রয়োজনে আব্বু-আম্মাকে ভাই বোন কে হেল্প করি। |
| আপনি কি ধুমপান করেন? (Required) | না |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | হ্যাঁ |
|---|---|
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | বিয়ে মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কুরআন ও হাদিসে এর তাৎপর্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে। নিচে কিছু মূল কারণ তুলে ধরা হলো:মানসিক শান্তি ও প্রশান্তি: আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, "আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদেরই মধ্য থেকে জোড় সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি লাভ করতে পারো এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।" (সূরা আর-রুম, ৩০:২১) এই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, বিয়ে হলো মানসিক প্রশান্তি এবং ভালোবাসার একটি মাধ্যম।নৈতিক পবিত্রতা রক্ষা: নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, "হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে। কারণ এটি দৃষ্টিকে নত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে রক্ষা করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন রোজা রাখে, কারণ রোজা তার জন্য ঢালস্বরূপ।" (সহিহ বুখারী ও মুসলিম) এই হাদিসটি বিয়ে করার মাধ্যমে অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।বংশবৃদ্ধি ও উম্মাহর বৃদ্ধি: বিয়ে করার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো বৈধভাবে বংশবৃদ্ধি করা। নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, "তোমরা অধিক সন্তানবতী ও অধিক প্রেমময়ী নারীকে বিয়ে করো, কারণ আমি কিয়ামতের দিন তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে গর্ব করব।" (সুনানে আবু দাউদ)নবী (সা.)-এর সুন্নাত অনুসরণ: বিয়ে করা নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। তিনি নিজে বিয়ে করেছেন এবং উম্মতকে বিয়ে করার জন্য উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেন, "বিয়ে আমার সুন্নাত। যে আমার সুন্নাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, সে আমার অন্তর্ভুক্ত নয়।" (সহিহ বুখারী)সংক্ষেপে, কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিয়ে হলো মানসিক শান্তি, নৈতিক পবিত্রতা, বংশবৃদ্ধি এবং নবী (সা.)-এর সুন্নাত অনুসরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এটি কেবল একটি সামাজিক চুক্তি নয়, বরং এটি একটি ইবাদতও।। আমি মনে করি বিয়েটা একটি ধর্মীয় বিষয়। যেটা আমরা বর্তমানে সামাজিক এবং ব্যবসায়ীক বিষয়ে পরিণত করেছি। বর্তমান সমাজে বিয়ে মানে অসামাজিক কার্যকলাপ, বিয়ে মানেই হচ্ছে অর্থের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার, লোক দেখানো কার্যকলাপ। গতানুগতিক এই সামাজিক ব্যাধি আমার অপছন্দনীয়। যতটুকু প্রয়োজন না করলেই নয় ততটুকই করা উচিত।১. "সবচেয়ে উত্তম বিয়ে হলো, যা সবচেয়ে সহজে (কম খরচে) সম্পন্ন হয়।"আবু দাউদ, হাদিস নং: ২১৭৯মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ২৪৫২৯সুনানে ইবনে হিব্বান, হাদিস নং: ৪১৬৩সহীহুল জামে, হাদিস নং: ২২৩৫ (আল-আলবানী এটিকে সহিহ বলেছেন)২. "সবচেয়ে বেশি বরকতপূর্ণ নারী সে, যার মোহরানা সবচেয়ে সহজসাধ্য।"মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ২৪৫২২ (এই হাদিসটিও কম খরচের প্রতি ইঙ্গিত করে)সহীহুল জামে, হাদিস নং: ২২৩৫ |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | জি ইনশাআল্লাহ। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? | আলোচনা সাপেক্ষে |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? | আলোচনা সাপেক্ষে |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? | ইনশাআল্লাহ স্বামীর সাথে থাকবে। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? | বাবা মা অনেক কষ্ট করে একটি মেয়েকে লালন পালন করেন। তারা যদি মেয়েকে দ্বীনদারিতা, আদব-কায়দা, নম্রতা ভদ্রতা, পারিবারিক মূল্যবোধ, ধৈর্যশীলতা, অধ্যবসায়, নিরলস পরিশ্রম শিক্ষা দেন তাহলেই তো যথেষ্ট। |
| পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | গায়ের রং |
| বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | আমার প্রথম দায়িত্ব হলো স্ত্রীর প্রয়োজনীয় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সরবরাহ করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, "বিত্তবান নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করবে এবং যার জীবনোপকরণ সীমিত, সে আল্লাহ যা দান করেছেন, তা থেকে ব্যয় করবে।" (সূরা আত-তালাক: ৬-৭) ২. স্ত্রীর সাথে সদাচরণ করা, দয়া ও ভালোবাসার সাথে জীবন যাপন করা। আল্লাহ তাআলা বলেন, "আর তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সাথে সত্ভাবে জীবন যাপন করবে।" (সূরা আন-নিসা: ১৯) রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম।" ৩. বিবাহের সময় স্ত্রীকে দেনমোহর দেওয়া। এটি স্ত্রীর প্রাপ্য। আল্লাহ তাআলা বলেন, "আর তোমরা নারীদের তাদের মোহরানা স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে দান করবে।" (সূরা আন-নিসা: ৪) , ৪.মানসিক ও সামাজিকভাবে স্ত্রীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ৫. দ্বীনি মাসআলা-মাসায়েল শিক্ষা দেওয়া বা তার ব্যবস্থা করা স্বামীর অন্যতম দায়িত্ব। তাকে আল্লাহর আনুগত্যের পথে থাকতে সাহায্য করা। ৬. স্ত্রীর বৈধ শারীরিক ও মানসিক চাহিদা পূরণ করা। ৭. কোনো ভুল বা অপছন্দনীয় দিক থাকলে ধৈর্যধারণ করতে চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ এবং ভুল-ত্রুটিতে ক্ষমা করা উত্তম। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "কোনো মুমিন পুরুষ মুমিন নারীর ওপর রাগান্বিত হবে না। কেননা যদি তার কোনো কাজ খারাপ মনে হয়, তাহলে তার এমন গুণও থাকবে, যার জন্য সে তার ওপর সন্তুষ্ট হতে পারবে।" (সহিহ মুসলিম) |
| আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনি বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় থাকবেন? | একক পরিবারে |
| বয়স (Required) | ১৮-৩০ এরমধ্যে ইনশাআল্লাহ |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | ফর্সা , উজ্জল ফর্সা , উজ্জ্বল শ্যামলা ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর সকল সৃষ্টি সুন্দর ভাবে একেকজনের কাছে ধরা দেয়। সেই সফলকাম যার ঈমান -আখলাক উত্তম। |
| নূন্যতম উচ্চতা | ৫' |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | এসএসসি থেকে উপরে ইনশাআল্লাহ |
| বৈবাহিক অবস্থা | ইনশাআল্লাহ অবিবাহিত |
| জীবনসঙ্গীর পর্দা সম্পর্কে যেমনটা চান- (Required) | পরিপূর্ণ পর্দানশীল হতে হবে ইনশাআল্লাহ |
| পেশা (Required) | আলোচনা সাপেক্ষে |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | সচ্ছল, মধ্যবিত্ত ,উচ্চা মধ্যবিত্ত। |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | সামাজিকভাবে সম্মানিত ,মধ্যবিত্ত ,উচ্চ মধ্যবিত্ত। আল্লাহ আমাকে মাফ করুন, শুধু কুফু মিলানোর জন্যই বিষয়টি বাধ্যতামূলক বলা হয়েছে। |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নারীকে চারটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে বিবাহ করা হয়: তার ধন-সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য এবং তার দ্বীনদারী (ধার্মিকতা)। সুতরাং তুমি দ্বীনদার নারীকে অগ্রাধিকার দাও, অন্যথায় তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।" মুসলিম শরিফের ২৮৯৮ নম্বর হাদিস এবং বুখারী শরিফের ৫০৯০ নম্বর হাদিস।দ্বীনদারী (ধার্মিকতা)হাদিসে দ্বীনদারীকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হলো, একজন দ্বীনদার নারী শুধু নামাজ-রোজা বা ইবাদত-বন্দেগিতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তার ধার্মিকতা তার সামগ্রিক জীবনকে প্রভাবিত করে। সে আল্লাহর ভয় এবং রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে, যার ফলে তার মধ্যে উত্তম চরিত্র, আনুগত্য, এবং ধৈর্য ধারণ করার মতো গুণাবলী জন্ম নেয়। এ ধরনের নারী তার স্বামী এবং পরিবারের জন্য কল্যাণকর হয়।উত্তম চরিত্র ও শালীনতাইসলামে একজন নারীর জন্য উত্তম চরিত্র এবং শালীনতা অপরিহার্য। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে:লজ্জা ও শালীনতা: লজ্জা একজন মুসলিম নারীর ভূষণ। এর মাধ্যমে সে নিজেকে অহেতুক দৃষ্টি থেকে রক্ষা করে।সততা ও বিশ্বস্ততা: একজন সৎ এবং বিশ্বস্ত নারী তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে তার সম্পদ ও সম্মান রক্ষা করে।আনুগত্য ও শ্রদ্ধাবোধ: আল্লাহ এবং রাসুল (সা.)-এর প্রতি আনুগত্যের পাশাপাশি স্বামীর প্রতিও তার সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ থাকা উচিত। তবে মনে রাখা জরুরি, কোনো অন্যায় বা ইসলামবিরোধী কাজে স্বামীর আনুগত্য করা যাবে না।সৌন্দর্য ও বংশমর্যাদাহাদিসে সৌন্দর্য ও বংশমর্যাদাকেও নারীর গুণাবলী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এগুলোর চেয়ে দ্বীনদারী ও উত্তম চরিত্রকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে। এর কারণ হলো, বাহ্যিক সৌন্দর্য বা বংশমর্যাদা ক্ষণস্থায়ী হতে পারে, কিন্তু একজন ধার্মিক ও চরিত্রবান নারী একটি পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদে সুখ ও শান্তি দিতে পারে।সুতরাং, সংক্ষেপে বলতে গেলে, হাদিসের আলোকে একজন বিবাহযোগ্য নারীর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে গুণাবলী থাকা উচিত তা হলো দ্বীনদারী এবং উত্তম চরিত্র। এই দুটি গুণই একটি সুখী ও সফল দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি। |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | ইনশাআল্লাহ ঢাকা, বা ঢাকার আশেপাশে, গাজীপুর বা গাজীপুর এর আশেপাশে এবং কক্সবাজার হলে ভালো হয়। অন্যান্য জেলার লোকও যদি ঢাকা,গাজীপুর বা কক্সবাজার স্থায়ী ভাবে বসবাস করে ,এরকম চাচ্ছিলাম ইনশাআল্লাহ। |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | আলহামদুলিল্লাহ আমি বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য গ্রুপ অফ কোম্পানিতে সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত আছি বহু বছর ধরে। আল্লাহুম্মা বারিক লাহু। |
|---|---|
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | পাশাপাশি আমি ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিস করি। |
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 688 ভিউস