| স্থায়ী ঠিকানা | লেজপাতা, ৩নং চরপাতা ইউনিয়ন, দউলাতখান, ভোলা। |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | মৌলভিরটেক, খিলগাঁও, ঢাকা। |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | খিলগাঁও। |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রের বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| বর্তমান ঠিকানা | ঢাকা |
| বিভাগ | ঢাকা বিভাগ |
| স্থায়ী ঠিকানা | ভোলা |
| বিভাগ | বরিশাল বিভাগ |
| জন্মসন (আসল) | ১৯৯৮ |
| গাত্রবর্ণ | উজ্জ্বল শ্যামলা |
| উচ্চতা | ৫'৪'' |
| ওজন | ৬৪ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | A+ |
| পেশা | প্রাইভেট জব |
| মাসিক আয় | 50,000 BDT |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| আপনি কি হাফেজ? | না |
| দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? | না |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | A- |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | ব্যবসা বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৫ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | কারিগরি / ভোকেশনাল |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | A |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৯ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | নেই। |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | নেই। |
| পাসের সন | নেই। |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি। |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | নেই তবে শিগ্রই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বেচালর অফ সায়েন্সে(Bsc) ভর্তি হবো ইনশাআল্লাহ্ । আমি কেন পড়াশুনায় দীর্ঘ বিরতি দিয়েছি তা বেক্তিগত তথ্য কলামে লিখেছি। |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | না |
|---|---|
| আপনার কোর্সের নাম ও ব্যাচ নম্বর: | নেই। |
| পিতার পেশা | সিভিল কন্ট্রাক্টর |
|---|---|
| মাতার পেশা | গৃহিণী |
| বোন কয়জন? | ২জন |
| ভাই কয়জন? | ভাই নেই |
| বোনদের সম্পর্কে তথ্য | মেজো বোন – ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস (UITS)-এ ফার্মেসি বিভাগে পড়ে, অবিবাহিত ছোট বোন – ক্লাস ৫-এ পড়াশোনা করে, অবিবাহিত |
| চাচা মামাদের পেশা | চাচা: বড় চাচা – সিভিল কন্ট্রাক্টর ছিলেন দ্বিতীয় – আমার আব্বু তৃতীয় চাচা – গ্রামের বাড়িতে কৃষিকাজ করেন চতুর্থ চাচা – ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার পঞ্চম চাচা – গ্রামের বাড়িতে কৃষিকাজ করেন ষষ্ঠ চাচা – সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মামা: প্রথম মামা – কাঠের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত দ্বিতীয় মামা – ব্যবসা করতেন তৃতীয় মামা – বিদেশে থাকেন চতুর্থ মামা – কাঠের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত পঞ্চম মামা – বিদেশে থাকেন |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | আমি এবং বাবা পরিবারের উপার্জনকারী ব্যক্তি। আল্লাহর রহমতে আমাদের কোনো অভাব নেই। ঢাকাতে আমরা ভাড়া বাসায় থাকি, আমাদের গ্রামে বাড়ি করা হয়নি। আমাদের গ্রামে বসবাসের ইচ্ছা নেই। ঢাকায় আমাদের কোনো প্লট বা ফ্ল্যাট নেই, তবে গ্রামে আমাদের যথেষ্ট জমি আছে।গ্রামে দাদার আমলের টিন শেডের বাড়ী আছে। দাদা যথেষ্ট পরিমান জায়গা জমি রেখে গিয়েছেন যা এখনো ভাগ বাঁটওয়ারা হয় নি । আমার বাবার নামে কিছু পরিমাণ কৃষি জমি আছে । শিগ্রই ঢাকার আসে পাশে জমি ক্রয় করে বাড়ি করা অথবা ফ্লাট ক্রয় করার ইচ্ছা আছে ইনশাআল্লাহ। |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | পরিবারে সবাই দিন পালন করতে আগ্রহী, তবে তারা এক্ষেত্রে কিছুটা অবহেলা করে। উদাহরণস্বরূপ, আমার মা এবং বোন পর্দা করেন, তবে তারা মাহরাম মেনে চলেন না। আমার বাবা নামাজ পড়েন, তারপর আবার ছেড়ে দেন । অনেকটা এমন যে যখন তারা দ্বীন পালন করে তখন নামাজের সময় জায়নামাজ নিয়ে টানাটানি শুরু হয় এর পর আবার আগের মতো হয়ে জায় । আমাদের দেশের বেশি ভাগ পরিবারের মতো তারাও দ্বীন পালানে অমনোযোগী । তবে আমি মনে করে চেষ্টা করলে তাদের কে দ্বীনের পথে আনা সম্ভব এবং তা হয়তো একদিনে সম্ভব হবেনা । এজন্য আমি চেষ্টা করছি এবং আল্লাহ্র কাছে দোয়া করছি । |
| সুন্নতি দাঁড়ি রয়েছে কি? (Required) | জী। |
|---|---|
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন?(Required) | জী। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | জী। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | ২০২২ - ২০২৩ থেকে নামাজ শুরু করি তবে কিছু নামাজ ছুটে যেত ২০২৪ থেকে ৫ ওয়াক্ত পরি আলহামদুলিল্লাহ্। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | পরিপূর্ণ ভাবে না তবে চেষ্টা করছি। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | পারি তবে শুদ্ধভাবে পারি না। নিয়মিত পরা এবং শুদ্ধভাবে শিখার চেষ্টা করছি। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | ঢিলে ঢালা শার্ট, প্যান্ট, টিশার্ট। তবে বিয়ের পর স্ত্রী আমাকে যে সুরত বা লেবাজে দেখতে চায় আমি সেই সুরতে বা লেবাজে হাজির হব ইনশাল্লাহ |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | এমনিতে নেই তবে রাজনীতি বলতে আমি সুধু খেলাফত বুঝি গণতন্ত্র বুঝি না। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | পরিপূর্ণ ভাবে না, তবে চেষ্টা করছি না দেখার। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | তেমন কিছু নেই আলহামদুল্লিলাহ। বর্তমানে আমি জীবনযাত্রা ঠিক রাখার চেষ্টা করছি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না হয় এবং শরীর সুস্থ থাকে। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | না। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না। |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | মাজার হল কবর। এর কিছু দেওয়া বা নেওয়ার ক্ষমতা নেই। তবে আল্লাহ্র নেক বান্দাদের উছিলা করে দোয়া করা যেতে পারে। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, হযরত উমার রাঃ জীবনী এবং হযরত উসমান রাঃ জীবনী। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | ড. ইসরার আহমেদ রহিমাহুল্লাহ, জাকির নায়েক এবং নোমান আলি খান। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | নেই । |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | ## আমার কথা ছোটবেলা থেকেই আমি একটু ভাবুক ধরনের মানুষ। যেকোনো বিষয় গভীরভাবে ভাবতে আমার ভালো লাগে। চারপাশের জগৎ, মানুষের জীবন, আর সবচেয়ে বেশি—আল্লাহর সৃষ্টি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। প্রকৃতির দিকে তাকালে অনেক সময় এমন সব ভাবনা আসে, যেগুলো হয়তো সবাই সহজে বুঝতে পারে না। এজন্য অনেক সময় আমার কথাবার্তা বা চিন্তাধারা মানুষ পুরোপুরি ধরতে পারে না, ভুলও বোঝে। জীবন, মানুষ, সৃষ্টি আর রব—এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে আমার। দার্শনিকদের মতো করে ভাবি বলা যায়, যদিও আমি নিজেকে কখনো দার্শনিক ভাবি না। কিন্তু নিজের মতো করে কিছু উপলব্ধি তৈরি হয়েছে সময়ের সাথে সাথে। --- ## পড়াশোনা এক সময় আমার জীবনের বড় একটা স্বপ্ন ছিল—এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার হওয়া। আমি ইলেক্ট্রিক্যাল বিষয়ে পড়াশোনা করলেও পরিকল্পনা ছিল আগে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্যাচেলর শেষ করব, তারপর এরোস্পেসে মাস্টার্স করব। এই লক্ষ্য সামনে রেখেই বিদেশে পড়তে যাওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছিল। ঠিক তখনই করোনা মহামারি পুরো পৃথিবী থামিয়ে দিল। সেই সময়টাতে আমি প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করি। এতে পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় একটা বিরতি পড়ে যায়। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ২০২২ সালে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করি, এখনো সেই পথেই আছি। এরপর একের পর এক জটিলতা আসতে থাকে। পরিবার থেকে বাইরে পড়তে যাওয়ার ব্যাপারে পুরো সমর্থন পাওয়া যাচ্ছিল না, অর্থনৈতিক প্রস্তুতিও পুরোপুরি ছিল না। সত্যি বলতে কী, নিজের কিছুটা আলসেমিও ছিল। সব মিলিয়ে স্বপ্নগুলো ধীরে ধীরে পিছিয়ে যেতে থাকে। একসময় যখন সব দিক থেকে নিজেকে প্রস্তুত মনে হলো—মানসিকভাবেও—ঠিক তখন আল্লাহ তায়ালা আমার ভেতরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন এনে দিলেন। আমি নিয়মিত নামাজে মনোযোগী হতে শুরু করি। একদিন মসজিদ থেকে বের হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ মনে হলো—আমি যদি বিদেশে যাই, আমার ঈমানটা কি ঠিকভাবে ধরে রাখতে পারব? বিদেশে সুযোগ-সুবিধা আছে, জীবনযাপন সহজ, ভবিষ্যৎও হয়তো নিরাপদ। কিন্তু সেখানে ফিত্নাও কম নয়। আর আমার দেশ হয়তো সব দিক থেকে নিরাপদ না, জীবনযাপনও কঠিন—কিন্তু দিনে পাঁচবার আজান শুনি। নামাজ পড়তে আলাদা করে ভাবতে হয় না। এই শান্তিটা আমি হারাতে চাই না। আমি ঈমান নিয়ে দুনিয়া ছাড়তে চাই। হাওজে কাউসারের পানি পান করতে চাই। কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়া চাই। ডান হাতে আমলনামা পাওয়ার স্বপ্ন দেখি। সবশেষে—জান্নাতে গিয়ে আমার রবকে দেখতে চাই। আমি এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার না হলেও যদি আল্লাহ আমার ওপর সন্তুষ্ট থাকেন, তাতেই আমার জন্য যথেষ্ট। দুনিয়ার প্রশংসা, সামাজিক সম্মান বা তথাকথিত সফলতা—এসব না পেলেও ক্ষতি নেই। আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো, আল্লাহ যেন আমাকে ভালোবাসেন। --- ## যেসব বিষয়ে আগ্রহ বেশি **বিজ্ঞান** বিজ্ঞান আমার সবচেয়ে প্রিয় বিষয়। নতুন কিছু জানা, বোঝা আর চিন্তা করাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়। **প্রযুক্তি** প্রযুক্তি নিয়ে আমার অনেক ভাবনা আছে। সুযোগ ও সামর্থ্য হলে ইনশাআল্লাহ এগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়ার ইচ্ছা রাখি। **মনোবিজ্ঞান** মানুষের মন, চিন্তা আর আচরণ আমাকে ভীষণভাবে আকর্ষণ করে। মানুষ আসলে কেন এমনভাবে ভাবে বা কাজ করে—এটা বুঝতে ভালো লাগে। --- ## আমি যেমন মানুষ আমি স্বভাবগতভাবেই পর্যবেক্ষণপ্রবণ। এটি আমাকে মানুষ বুঝতে সাহায্য করে। সৎ, জ্ঞানী ও দ্বীনদার মানুষ আমার খুব পছন্দ—যাদের দেখলে আল্লাহর কথা মনে পড়ে। আল্লাহ ওয়ালা মানুষ দেখলে আমার অন্তরটা যেন প্রসস্থ হয়ে। মিথ্যা, ভণ্ডামি আর অন্যায় আমি সহ্য করতে পারি না। কথা দিয়ে কথা না রাখা, গিবত করা, দুর্বল মানুষকে নিয়ে হাসাহাসি—এসব আমার কাছে খুবই ঘৃণার |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | ইচ্ছা আছে মানুষের সাথে আল্লাহর পরিচয় করিয়ে দেয়ার । আল্লাহ কবুল করুক। আমার কাছে সবচাইতে কষ্টের হচ্ছে এই উম্মাহার বিভক্তি। একজন আরেকজনকে কাফের, মুরতাদ, মুনাফিক, দালাল ইত্যাদি না বললে ভাল লাগেনা যদি সুযোগ আর সামর্থ্য থাকে আমি এগুলা দূর করতে চাই । আমারা একে ওপরের ভাই । উম্মাহর ঐক্যে কাজ করবো ইনশাল্লাহ । |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | অবসর সময় দ্বীনি ইলম অর্জন করা চেষ্টা করি এবং মাঝে মাঝে বই পরার চেষ্টা করি। এছাড়া আলসেমি করে অনেক সময় কেটে যায় । আলস্য কাটানোর চেষ্টা করছি। |
| কত ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করেন? (Required) | নূন্যতম তিন ওয়াক্ত ফজর, মাগরিব, এশা। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | বাসা ভাড়া দেওয়া, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র এবং নিত্তনৈমিত্তিক জিনিস এনে দেওয়া মাঝে মাঝে বাজার করা ইত্যাদি। |
| আপনি কি ধুমপান করেন? (Required) | না। |
| আপনার ডিভোর্সের সময়কাল ও কারণ | আমি অবিবাহিত। আমার জন্য প্রযোজ্য নয়। |
|---|---|
| বিবাহিত অবস্থায় আবার কেন বিয়ে করতে চাচ্ছেন ? | আমি অবিবাহিত। আমার জন্য প্রযোজ্য নয়। |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | জি। |
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | এই ফিত্না ও অবাধ ফ্রি-মিক্সিংয়ের যুগে নিজের চোখ ও চরিত্র হেফাজত করা কতটা কঠিন—তা সত্যিকার অর্থে কেবল একজন ছেলেই গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারে। প্রতিদিনের জীবনযাপন, চারপাশের পরিবেশ, দৃষ্টির পরীক্ষা, অন্তরের টান—সব মিলিয়ে নিজেকে সংযত রাখা এক নীরব জিহাদের মতো। বাইরে থেকে হয়তো বিষয়টি সহজ মনে হয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে এটি কতটা কঠিন সংগ্রাম—তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। যৌবন আল্লাহর দেওয়া এক মহামূল্যবান আমানত—যা হেফাজত করা আমাদের দায়িত্ব ও ইবাদত। এই কারণেই আমি বিয়েকে দেখি কেবল সামাজিক একটি সম্পর্ক হিসেবে নয়, বরং চরিত্র ও ঈমান হেফাজতের একটি পবিত্র মাধ্যম হিসেবে। আমি চাই এমন একজন সহযোদ্ধা—যার সঙ্গে আমি আল্লাহর পথে চলতে পারব, যিনি আমাকে পূর্ণ করবেন আর আমিও যাকে পরিপূরক হতে পারব। একজন সঙ্গী, যার সঙ্গে দুনিয়া নয়—আখিরাতের সফরটাই হবে মুখ্য। মাঝে মাঝে মনে হয়, যদি পারতাম—তাহলে বিয়ে করে চলে যেতাম পাহাড়ের পাদদেশে, লোকালয় থেকে দূরে, কোলাহলপূর্ণ সমাজের বাইরে। যেখানে জীবন হবে সহজ, দৃষ্টি থাকবে সংযত, হৃদয় থাকবে শান্ত, আর প্রতিদিনের ব্যস্ততা সীমাবদ্ধ থাকবে রবের ইবাদত, প্রকৃতির সৌন্দর্য আর পরস্পরের দায়িত্বের মাঝে। বিলাসিতা নয়—শান্তি। প্রদর্শন নয়—পবিত্রতা। এটি কোনো সমাজবিমুখতা নয়, বরং আত্মরক্ষা। এমন এক জীবন যেখানে ঈমানটাই হবে কেন্দ্র, আর দুনিয়া থাকবে প্রয়োজনের সীমায়। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | শতভাগ ইনশাআল্লাহ্। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? | চাই। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? | যদি দ্বিন পালনে কোন অসুবিধা না হয়। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? | পরিবারের সাথে ঢাকায় থাকবো ইনশাআল্লাহ। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? | না। |
| পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | আর্থিক অবস্থা ও জেলা |
| বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | আমার বিশ্বাস অনুযায়ী, স্ত্রীর প্রতি আমার দায়িত্ব কেবল দুনিয়াবি সীমার মধ্যে আবদ্ধ নয়; বরং এটি এক আমানত, যার জন্য আমাকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। প্রথমত, স্ত্রীর জান, মাল ও ইজ্জতের পূর্ণ হেফাজত করা আমার মৌলিক দায়িত্ব। যেকোনো পরিস্থিতিতে তাকে নিরাপত্তা দেওয়া, সম্মান রক্ষা করা এবং তার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা আমার কর্তব্য। তার সম্মান আমার সম্মান, তার নিরাপত্তা আমার দায়িত্ব। দ্বিতীয়ত, ভরণ-পোষণের দায়িত্ব আমার ওপর ফরজ। হালাল উপায়ে তার প্রয়োজনীয় সবকিছু—খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও মৌলিক চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করা আমার দায়িত্ব। সামর্থ্যের সীমার মধ্যে থেকেও যেন সে সম্মান ও স্বস্তির সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা আমার কর্তব্য। তৃতীয়ত, দ্বীন পালনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং তাতে সহযোগিতা করা আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন ও আল্লাহর স্মরণ—এসব কাজে তাকে উৎসাহ দেওয়া, প্রয়োজন হলে নিজে আগে উদাহরণ স্থাপন করা এবং একে অপরকে ঈমানের পথে দৃঢ় রাখতে সহযোগিতা করা আমার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। একজন স্বামী শুধু সংসারের অভিভাবক নয়—সে তার স্ত্রীর জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের পথে একজন সহযাত্রী। আমরা একে অপরের জন্য ঢাল হব, পরিপূরক হব, এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে একসঙ্গে চলার চেষ্টা করব—এটাই আমার কাছে একজন স্বামীর প্রকৃত দায়িত্ববোধ। |
| আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনি বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় থাকবেন? | একক পরিবারে |
| বয়স (Required) | ২০ থেকে ২৮ |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | ফর্শা |
| নূন্যতম উচ্চতা | ৫ ফুট ২ ইঞ্চি |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (SSC) বা সমমান |
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| পেশা (Required) | শিক্ষার্থী, শিক্ষিকা, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার অন্যান্য হালাল পেশা হলেও চলবে অথবা পেশা না থাকলেও চলবে |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | মধ্যবিত্ত |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | আমার চাহিদা খুব বেশি নয়। আমি এমন একটি পরিবারে বিয়ে করতে চাই—যাদের হয়তো অঢেল ধনসম্পদ নেই, কিন্তু আছে সম্মান ও আত্মমর্যাদা। যাদের জীবনে নীতি ও মূল্যবোধই সবচেয়ে বড় সম্পদ। যারা অহংকারী নয়, যারা অর্থের পেছনে অন্ধভাবে ছুটে চলে না; বরং সাধারণ, সাদাসিধে ও পরিমিত জীবনযাপনেই তৃপ্ত থাকতে জানে। আমি এমন একটি পরিবার কামনা করি—যারা না অতিরিক্ত বিত্তশালী, আবার চরম অভাবগ্রস্তও নয়; বরং পরিমিত ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনে অভ্যস্ত। যাদের সঙ্গে কথা বললে মনে প্রশান্তি নেমে আসে, হৃদয় শান্ত হয়ে যায়, আর আল্লাহর কথা আপনাতেই মনে পড়ে। আমার কাছে আসল সৌন্দর্য দুনিয়ার জৌলুসে নয়, বরং চরিত্রে, আখলাকে ও অন্তরের পবিত্রতায়। এমন একটি পরিবারই আমি চাই—যাদের সান্নিধ্যে ঈমান দৃঢ় হয়, মন পরিশুদ্ধ হয়, এবং জীবনটা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়। |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | আমি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী চাই—যার চরিত্র, আদর্শ ও মানসিকতা এমন হবে যে তার সন্তানদের মাঝেই খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রাঃ) কিংবা সালাহউদ্দিন আইয়ুবি (রহঃ)-এর মতো বীর, ন্যায়ের সৈনিক ও দ্বীনের খাদেম গড়ে ওঠার বীজ নিহিত থাকবে। তিনি হবেন বুদ্ধিমান ও জ্ঞানপিপাসু, জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী এবং সত্য অনুসন্ধানে সচেতন। দ্বীন নিয়ে তার চিন্তা-চেতনা হবে গভীর, আল্লাহ ও রাসূল ﷺ–এর আদর্শের বিষয়ে তিনি হবেন দৃঢ় ও আপসহীন—কিন্তু প্রজ্ঞা ও হিকমাহর সঙ্গে। আমি এমন একজন সঙ্গিনী চাই, যার দ্বীনের ইলম রয়েছে—যাতে আমি তার কাছ থেকে শিখতে পারি, দ্বীনের পথে আরও দৃঢ় হতে পারি এবং প্রতিদিনের জীবন ও আমলকে আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে গড়ে তুলতে পারি। তিনি এমন একজন হবেন, যিনি সুন্দর তিলাওয়াত করতে সক্ষম, যার কণ্ঠে কুরআনের সুর ও মাধুর্য হৃদয়কে আলোকিত করবে। তিনি হবেন আত্মমর্যাদাশীল, সুগঠিত ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন এবং বিস্তৃত মনমানসিকতার অধিকারী। জীবনের চ্যালেঞ্জে তিনি হবেন ধৈর্যশীল ও সাহসী—যিনি সংকটে ভেঙে পড়বেন না, বরং আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবেন। দান–সাদাকায় তার থাকবে ভালোবাসা, আর মানুষের কল্যাণে নিজেকে ব্যয় করার মানসিকতা। তিনি দ্বীনের দাওয়াত দিতে আগ্রহী হবেন এবং নিজে সঠিক দ্বীন শিখতে ও অন্যকে শেখাতে আগ্রহ প্রকাশ করবেন। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী চাই—যিনি কেবল সংসারের সাথি নন, বরং ঈমান, আদর্শ, জ্ঞান ও কুরআনের আলোকে জীবনে বাস্তবায়নের একজন প্রকৃত সহযোদ্ধা হবেন। |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | যেকোনো জেলা |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | আমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। প্রায় ৩ বছর ধরে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করছি। আমি একটি স্টার্ট আপ এ আছি । আমি মূলত রিমোট জব করি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হয়না। আমার অফিস লালমাটিয়া তে । |
|---|---|
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | অনেকেই বলে, ধনী পরিবারে বিয়ে করলে বিপদে–আপদে শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে সাহায্য–সহযোগিতা পাওয়া যায়। ধরে নিলাম কথাটা সত্য। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো—আমি কেন শ্বশুরবাড়ির আশায় থাকব, যেখানে আমি সকাল–সন্ধ্যা পাঠ করি, “হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিয়ামাল ওয়াকিল” আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট। তাহলে কেন আমি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও মুখাপেক্ষী হব? আফসোস আমাদের সমাজ নিয়ে—এরা ভালো কিছু দিতে পারে না, শুধু দুনিয়াবি হিসাব শেখায়। আমি কারও কাছে কোনো আশায় থাকতে চাই না। চাই না আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ওপর নির্ভরশীল হতে। বিয়ের ক্ষেত্রে আমি কোনো জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান পছন্দ করি না। দুই পরিবারের নিকটস্থ আত্মীয়রা থাকবে, নিজেদের মধ্যে সাধারণভাবে উত্তম খাবারের আয়োজন হবে। এরপর আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে বাসায় চলে আসব—ব্যস, এখানেই শেষ। অনেকেই নানা অজুহাত দেয়, নানা কথা বলে; কিন্তু আমি সেগুলো মানি না। এরপরও যদি কারও টাকা খরচ করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে ইনশাআল্লাহ সেই টাকা গাজা, সুদান বা গরিব আত্মীয়–স্বজনদের মধ্যে দান করে দিক—সেটাই হবে সবচেয়ে উত্তম। আরেকটি বিষয় আছে, যা আমাকে বা আমাদের পরিবারকে অনেকেই প্রশ্ন করে। আমরা এত বছর ঢাকায় থাকি, বাবা একজন সিভিল কন্ট্রাক্টর—তবুও এতদিনে কেন ঢাকায় বাড়ি–গাড়ি করতে পারিনি? আসলে আমার বাবা কখনো সঞ্চয়ী মানুষ ছিলেন না। যেমন আয় করেছেন, তেমনভাবেই খরচ করেছেন। তার ওপর আমি ও আমার বোনদের পড়াশোনায় অনেক ব্যয় করেছেন। তবে আমাদের ইচ্ছা আছে, ইনশাআল্লাহ শিগগিরই ঢাকার আশেপাশে জায়গা কিনে বাড়ি করার। কিন্তু এখন এই বিষয়টি নিয়ে যেভাবে মানুষ প্রশ্ন করে, তাতে মনে হয় যেন আমরা জীবনের যুদ্ধে হেরে গেছি, সবার থেকে পিছিয়ে পড়েছি। হায়রে বোকা মানুষ! আমাদের বাড়ি–গাড়ি নেই তো কী হয়েছে? আমাদের পরিবারের প্রত্যেকটি মানুষ সুস্থ, কোনো অভাব নেই, কোনো ঋণ নেই—এর চেয়ে বড় নিয়ামত আর কী হতে পারে? জীবন যদি এভাবেই চলে যায়, তাহলে ক্ষতি কোথায়? আমরা তো এ দুনিয়ায় ক্ষণিকের অতিথি মাত্র। বরং আমি উল্টো মনে করি—ধনসম্পদ বেশি থাকলেও অনেক সময় সমস্যা বাড়ে। উদাহরণস্বরূপ, দুজন মানুষকে ধরা যাক: একজনের ব্যাংকে দশ লাখ টাকা আছে, আরেকজনের তেমন কোনো টাকা নেই। যখন দুজনই বিপদে পড়বে, তখন প্রথম ব্যক্তির মনে সবার আগে টাকার কথাই আসবে। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি কী করবে? সে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবে, দোয়া করবে। এখন বলুন তো—কোনটা বেশি নিরাপদ আশ্রয়? কোনো কিছুর বিনিময়ে যদি আমরা আল্লাহকে পেয়ে যাই, তাহলে সেটি কি সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি নয়? এখন অনেকে বলবে—আমার যেহেতু ধনসম্পদ নেই, তাই আমি এসব কথা বলছি। সত্যি বলতে কি, আমিও চাই বাড়ি–গাড়ি করতে। কিন্তু যদি তা না-ও পারি, তার মানে কি আমি হেরে গেছি? কিংবা জীবনে পিছিয়ে পড়েছি? মানুষের এই ধরনের কথায় আগে আমি কিছুটা কষ্ট পেতাম। কিন্তু একদিন আল্লাহ আমাকে মনে করিয়ে দিলেন—আমার কাছে কী কী আছে। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর সঙ্গে আমার সম্পর্ক দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। আমি আল্লাহর দিকেই ছুটতে চাই। ইনশাআল্লাহ তিনিই আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন। জীবনে অনেক ভুল করেছি। এখন আর দুনিয়াবি লোভ–লালসার পেছনে ছুটতে চাই না। আমি চাই একটি সুন্দর, পবিত্র ও পরিশুদ্ধ অন্তর—এর বাইরে আর কিছুই চাই না। |
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 451 ভিউস