| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
হ্যাঁ। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
হ্যাঁ, ছোটবেলা থেকেই পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ। তবে গুরুত্ব সহকারে ২০২০ থেকে। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
চেষ্টা করি। তবে স্ক্রীনে কঠিন হয়ে যায়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
হ্যাঁ(হুজুরকে কয়েকবার দেখিয়েছিলাম) |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
পাঞ্জবী, টিশার্ট, ট্রাউজার, প্যান্ট |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
ইমারাহ-খিলাফাহ |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
না দেখার বা না শুনার চেষ্টা করি। ডকুমেন্টারি, ইসলামিক কন্টেন্ট এবং মাঝেমাঝে ইসলামিক কার্টুনও দেখা হয়। তবে মিউজিক এভয়েড করার চেষ্টা করি। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
এলার্জির কিছুটা সমস্যা আছে। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামা’আহ। এলাকায় তাবলীগি মেহনত(একমাত্র পথ বলে মনে করিনা এবং বেশ বাড়াবাড়ি ও ভূলও আছে) এবং ডিপার্টমেন্ট এ সকল দল মতের উর্ধ্বে একটি দ্বীনি কমিউনিটিতে শুরু থেকে যুক্ত আছি। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
না। |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
কবর। কিছু চাওয়া বা সিজদা দেওয়া হারাম ও শিরক। তবে জিয়ারত করা যেতে পারে যেন বেশি করে মৃত্যুর কথা স্মরণ হয়। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
ইতিহাসের আয়নায় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা, ইবনে তাইমিয়ার জীবনী, শহীদ ফারূক রহি: এর জীবনী(চলমান), ইমলামী জীবনব্যবস্থা, যেমন ছিলেন তিনি(সীরাত স:) রাসূলুল্লাহ এর বিপ্লবী জীবন, গল্পে আঁকা সীরাত, চার খলিফার অডিওবুক, ফাহমুস সালাফ, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল ও দাজ্জাল, ইমাম মাহদির দোস্ত-দুশমন, কারাগারে রাতদিন, ডেসটিনি ডিসরপ্টেড, ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ১,২, চিন্তাপরাধ, সানজাক ই উসমান, মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কি হারালো, সিতক্রেটস অব জায়েনিজম, সূরা তাওবার তাফসীর ১ ও ২, আরব্য রজনীর নতুন অধ্যায়, মাইলস্টোন(অসম্পূর্ণ), বাংলাদেশে ইমলাম, চেপে রাখা ইহিহাস সহ আরো অনেক। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
সকল হক্কানী ‘আলেম। শায়খ হারুন ইজহার হাফি:, মুফতি তারেকুজ্জামান হাফি:, হযরত শাহ তৈয়ব আশরাফ দ: বা:, মাওলানা মাহমুদুল হাসান গুনবি হাফি: শায়খ উসাইমিন রহি:, শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি: শায়খ জসিমুদ্দিন রহমানি হাফি:, শাইখ ড: আব্দুল্লাহ আযযাম রহি:, শাইখ আসেম উমার রহি: ভাই আসিফ আদনান হাফি:, ভাই জাকারিয়া মাসুদ হাফি:, ভাই ডা: শামসুল আরেফিন শক্তি হাফি:সহ আরো আনেকে। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
নেই বললেই চলে। তবে কিছু সফ্ট স্কিল শিখেছিলাম। ১. গ্রাফিক্স ডিজাইন (বেসিক) ২. ডিজিটাল মার্কেটিং ৩. Amazon FBA(Private Label) in Australia ৪. বেসিক ওয়েবসাইট ডিজাইন |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
এই অংশ একট বড়। ভালোভাবে জানার জন্য ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়ার অনুরোধ। আমি আল্লাহর এক গুনাহগার বান্দা। লোকে আমায় কত ভালো মনে করে অথচ কেবল তিনিই জানেন আমি কতটা গুনাহগার। আল্লাহ আমাকে মাফ করুন। এখানে যা বলবো, যা লিখবো তা আমার পছন্দের। আমি যে হুবহু সেরকম তা কিন্ত নয়। আমি চেষ্টা করি।
আমি ছোটবেলা থেকে খুব ইসলামিক ধাঁচে বড় হইনি। নানা আলেম ছিলেন কিন্তু উনাকে পাইনি। তবে নামাজ এবং মিথ্যা না বলার ক্ষেত্রে বাবার অনেক বড় ভূমিকা ছিল। তিনি সবসময় কুয়েত থেকে ফোন দিলেই নামাজের কথা বলতো, নফল রোজা রাখার বয়স না হলেও উদ্বুদ্ধ করতো । আম্মু যদি কখনো বলতো নামাজ পড়েছি, কিন্তু আসলে পড়িনি আর আব্বু যদি বুঝতে পারতো তবে কয়েকদিন কথা বলতোনা আমাদের সাথে বিশেষ করে আম্মুর সাথে। সেই থেকে নামাজ রোজা এবং মিথ্যা না বলার অভ্যাস তৈরী হয়েছিল। কিন্তু পাশাপাশি অন্য গুনাহের কাজও চলতো। ক্লাস ৮ এ উঠে নিজে টাকা জমিয়ে গিটারও কিনেছিলাম, না’উজুবিল্লাহ। পরে আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে সেটা শেখা হয়নি। এরকমই চলছিল।
২০২০ এ কোভিডের পর থেকে এ রকম জীবনের অনেকটা পরিবর্তন ঘটে। আল্লাহ অশেষ কৃপায় আমাদের পুরো পরিবারকে অন্তত আগের জীবন থেকে হেদায়াত দেন। আমার ছোটবোন এক্ষেত্রে একটি বড় উছিলা ছিল। এর পর থেকে চেষ্টা করি হারাম পরিহার করে চলার।
আমি বই পড়তে পছন্দ করি। ইসলামের ইতিহাস জানতে ভালো লাগে। ইচ্ছে করে পুরো পৃথিবী ঘুরি ইবনে বতুতার মত আর ইসলামের ঐতিহাসিক মানুষগুলোর স্থান ও স্থাপনা দেখি। একসময় লিখতে ভালো লাগতো বিশেষ করে কবিতা ও ছোটগল্প। কাউকে কষ্ট দিতে আমার খুব কষ্ট লাগে। যদি কোথাও আমার ভূল নাও থাকে তবুও আমি সেখানে বিনয়ী হতে পারি। কাউকে কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে থাকতে নিজের পাওনাটুকু ছেড়ে দিতে পারি। আমার এক বন্ধু বলেছিল এজন্য আমায় জীবনে অনেক ভূগতে হবে। অবশ্য আমার কাছে এগুলো ভালো লাগে যেমন ভালো লাগে বাবার সমসাময়ীকরা দেখা হলে বলে, তোর বাবা এই পরিবারের জন্য অনেক করেছে, তোর বাবার জায়গায় অন্য কেউ হলে কোটিপতি থাকতো ইত্যাদি। তখন গর্বে বুকটা ফুলে উঠে।
আমার মাঝে অভিমান অনেক বেশি। আমি মুখে খুব কম কথা বলতে পারি। তবে লিখার অভ্যাস ভালো। পরিবারের মানুষগুলোকে যে কি পরিমাণ ভালোবাসি তা কখনো বুঝাতে পারবোনা। আমি কখনো কাউকে বা স্যোশাল মিডিয়ায় বলতে পারবোনা যে ভাই/বাবা/বোন/মা তোমাদের ভালবাসি বরং এমন হয় তাদেরকে আমি বুঝাই যে তাদের জন্য আমার ভাবনা নেই, যেন তারা মনে করে আমি তাদের নিয়ে ভাবিনা। কিন্তু ভিতরে ঠিক উল্টো-ই হয়।
আমি নিজেকে মেকিভাবে উপস্থাপন করতে অপছন্দ করি বিশেষ করে স্যোশাল মিডিয়ায়। মাঝেমাঝে নিজেকে এত ছোট করে দেখি যে হীনম্মন্যতায় ভূগি। একটা দোষ বা রোগও বলা যেতে পারে; কে কি ভাববে এ বিষয়টা্ প্রায় কাজ করে আমর মধ্যে। এজন্য নিজের বৈধ অনেক কিছুই ছেড়ে দিই যেন কেউ বলতে না পারে যে আমি নিজের স্বার্থের জন্য ওই কাজটা করেছি।
কখনো মনে হয় একদম টুপি পাঞ্জাবীতে মুভ করি কিন্তু ভয় হয় যদি ওই পোশাকের হক আদায় না করি! যদি কেউ বলে ওই দেখ, হুজুর হয়ে কি কাজটা করলো!
আমার বন্ধুর সংখ্যা হাতেগোণা। আমি নিজেই এখন কমিয়ে আনতে চাই। আমি অনেক ইন্ট্রোভার্ট। খুব কমই মিশতে পারি মানুষের সাথে। ভার্সিটিতেও নিজ ডেপ্টের ব্যাচমেট ছাড়া খুব কমই আছে আমার পরিচিতজনদের সংখ্যা।
আমি একটা স্বপ্ন দেখি যেদিন আমাদের সকল দল-মত নির্বিশেষে সবাই কেবল কালিমার ভিত্তিতে এক কাতারে এসে দাঁড়াবে। সেদিন আমাদের কেউ রুখতে পারবেনা ইন-শা-আল্লাহ। এই উম্মাহ কেন্দ্রীয় অভিভাবক ছাড়া ১০০ বছরেররও অধিক সময় পার করে ফেলেছে। সামনে আবারো সে সময় আসবে ইন-শা-আল্লহ। তবে সেজন্য অনেক ত্যাগ করতে হবে। আমার যিনি অর্ধাঙ্গিনী হবেন উনার সাথে মিলে আমরা একসাথে এই ত্যাগের জন্য নিজেদের তৈরী করবো ইন-শা-আল্লাহ।
আমার একটা ভয়ংকর দিক হল; রাগ! আমি শর্ট টেম্পার্ড। আমি সহজে রাগিনা, কিন্তু হঠাত রাগ উঠে গেলে ইচ্ছে করে কষ্ট দিয়ে কথা বলে ফেলি! যদিও লজিক্যালি কথা বলতে পারিনা কারণ আমি সামনাসামনি কমই কথা বলতে পারি। কিন্ত সাথেসাথেই নিজের কাছে ছোট হয়ে যাই, কেন এভাবে বললাম! লোকটা কি ভাববে আমায়! তাই আমি সরি বলে দিই। অনেক সময় চাইলেও বলতে পারিনা। অনেক কিছুই এরকম হয়। ইচ্ছে হয় করি, কিন্তু পারিনা। আড়ষ্ঠতা, অপারগতা, জড়তা কিংবা সাহসের অভাবে; আবার ইন্ট্রোভার্টনেস এর কারণেও হতে পারে। রাস্তায় যেকাউকে যদি দেখি বোঝা নিয়ে যেতে কষ্ট হয় কিংবা কিছু একটা কিনতে গিয়েও দামের জন্য কিনেনা, খুব ইচ্ছে হয়, তার বোঝাটা হালকা করি কিংবা জিনিসটা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কিনে দিই, কিন্তু পারিনা। এমনও হয়, কয়েকজন ছেলে মিলে তাস খেলছে কিংবা সিগারেট খাচ্ছে, খুব করে চাই তাদেরকে বাধা দিতে, পরক্ষণেই মনে হয় নিজেইতো ঠিক নেই, কাকে কি বলবো!
দুনিয়াটা খু্ব অল্প সময়ের। যে যতবেশি ইফেক্টিভ করতে পারবে এই সফরকে সে ততই সফলকাম। আল্লাহ আমাকে রিয়া থেকে হেফাজত করুন। সফলতা বলতেতো বাহ্যিক চাকচিক্য নয় বরং অন্তরের বিশুদ্ধতা বুঝায়, রবের তরে সঁফে দেয়া আত্না-ইতো সফল। আমাদের ভালবাসা-ঘৃণা, বন্ধুত্ব-শত্রুতা সবকিছুুই হোক মহান রবের জন্য। সেই রবের কাছে নাজাত পাওয়ার জন্য নিজের জীবনকে নিবেদিত করতে চাই।
রিযিক নিয়ে আমার ভয় হয়না। আমি চাই রিযিকের সন্ধানে যেন আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারি, সবরের মাধ্যমে মাটি কামড়ে যেন পড়ে থাকতে পারি। বড় বড় দালন কোঠা দেখলে আমার সেই সময়ের কথা মনে পড়ে যায় যখন পাহাড়গুলি, দালানগুলি তুলোর মত উড়তে থাকবে। বস্তুবাদের প্রতি আমার আকর্ষণ নেই। যতটুকু না হলেই নয় ততটুকু হলেই আমি খুশি থাকতে চেষ্টা করি। যদি কখনো আমার ভালো উপার্জন হয়, হবে ইন-শা-আল্লাহ, তখন নিজের প্রয়োজনীয় অংশ রেখে বাকিটা উম্মাহর কল্যাণে ব্যয়ের ফিকির করবো ইন-শা-আল্লাহ। এমন একটা পেশা চাই যার মাধ্যমে হালাল রুজিও হবে আবার প্রয়োজনের সময় উম্মাহর কাজেও লাগবে। সেই পেশা, সেই কাজ যেন এমন হয় যার দ্বারা সৈয়দ কুতুবের মত বলতে পারবো; তোমার কলিমা তোমাকে রুটি জোগায় আর আমার কালিমা আমাকে ফাঁসিতে ঝুলায়।
আমি বিলাসিতার অমুখাপেক্ষী। আমার বাসার লোকজন মাঝেমাঝে আমায় কৃপণ বলে। কারণ আমি তাদের পানিটাও অতিরিক্ত খরচ করার জন্য বাধা দিই। সবকিছুতেই চিন্তা করি যেখানে ৩ ইউনিটে আমার হয়ে যাবে সেখানে কেন ৩.৩ ইউনিট খরচ করবো? আল্লাহ হেফাজত করুক এগুলো যেন অহংকার না হয়ে যায়।
কারো সামনে আমি আমার বোনদের নাম উচ্চারণ করতেও আনকম্পোর্ট ফিল করি, কারো সামনে বাসায় কথা বলতেও বিব্রতবোধ করি। কেউ যদি আমায় ছোট করে কথা বলে বা অবজ্ঞা করে তখন খারাপ লাগে কারণ আমি কাউকে ছোট করে দেখিনা। কেউ এমন করলে তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। সবসময় আমানত রক্ষার চেষ্টা করি। সেটা যাই হোক, হতে পারে কারো গচ্চিত কথা, হতে পারে সম্পদ কিংবা কারো অর্পণ করা দায়িত্ব। নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চভাবে পালনের চেষ্টা করি। দায়িত্বকে আগে নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ করি।
যেকোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে মাশোয়ারা করে নেয়া জরুরী মনে করি। সবার মতামতকে গুরুত্ব দিই। নিজের মতামত উপস্থাপনের ক্ষেত্রে অন্যেরটাকে উপহাস করিনা, খেয়াল রাখি যেন আমার ওই সময়ে, ওই পরিবেশে, ওই অ্যাপ্রোচে কথা বলাটা সমীচিন কিনা।
সবার মত আমারও সেই স্বপ্নটি আছে; রাসূলের (স:) রওজা জিয়ারত করা। প্রথমে নিজের হালাল রুজি দিয়ে মা-কে, পরে দুজনে মিলে একসাথে এ মহান কাজটা করার ইচ্ছা। আরো কয়েকটি স্বপ্ন আছে সেগুলো পরে জানানো যাবে ইন-শা-আল্লহ।
পরিবারে একসাথে থাকতে গেলে নানান সমস্যা হতে পারে। সেসব ক্ষেত্রে শরীয়তের যে বিধানটা বেশি খাটে কিংবা ক্ষেত্রবিশেষ কেবল অনুমোদিত সেটা গ্রহণ করার চেষ্টা করি। আর আমার পরিবারের সদস্যদের সাথে যতি কখনো মনোমালিন্য হয় তবে সেগুলা ম্যানেজ করার বুঝ আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন শুকরন লিল্লাহ, আমি চেষ্টা করবো কারো উপরই যেন জুলুম না হয়। পারিবারিক সদস্যদের দ্বীনি বুঝ থাকলে এগুলো সহজ হয়ে যায়।
আমি আপাতত সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে অপারগ যদিও আমার পরিবারের প্রত্যেকেই চায় আমি আমার ফরজ দায়িত্বটা পালন করি। আমার ভাইতো আরো বেশি চায়। কিন্তু আমি ভাইয়ের আয়ে চলি, নিজে টুকটাক টিউশন করাই। আমার আহলিয়াকেও ভাইয়ের আয়ে চালাতে আমার গায়রতে বাধে। তাই আগে নিজের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চাই(ইন-শা-আল্লাহ খুব শীঘ্রই তিনি ব্যবস্থা করে দিবেন)। ততদিনে তিনি না হয় বাবার পরিাবরে থেকেই আসা যাওয়া করলেন।
আমার মা, এই পৃথিবীর একটা সরল মানুষদের লিস্ট করলে উনিও সেই লিস্টে থাকবেন। এক কথায় বললে, উনি একজন বাচ্চা যিনি নিজের কোথায় কষ্ট হচ্ছে, ব্যাথা হচ্ছে সেটাও বুঝতে পারেননা। উনাকে একজন বাচ্চার মতই চিন্তা করতে হয়, হবে। উনার প্রতি সদয় থাকবেন। কারো প্রতি যেন জুলুম না হয় সেদিকে আমি সর্বোচ্চ সজাগ থাকবো ইন-শা-আল্লাহ।
বি:দ্র: কল করার আগে অবশ্যই বায়োডাটা ইমেইল করার অনুরোধ রইল। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
উত্তম প্রজন্ম তৈরী করা যারা খুলাপায়ে রাশেদার সেই সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনতে নিজেদের সর্বোচ্চটুকু উজাড় করে দিবে। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
বই পড়ে, বোনদের ছেলেদের দেখভাল করে, ইউটিউবিং করে |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
বাবা ও ভাই-র অবর্তমানে পরিবারে একজন পুরুষের সমস্ত দায়িত্বই পালন করে আসছি ২০১৭ থেকে। |