| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
২০২১ থেকে আলহামদুলিল্লাহ। আগে পড়া হতো, ইলমের অভাবে নিয়মিত ছিলাম না।আল্লাহুমাগফিরলী |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
জি আলহামদুলিল্লাহ,২০২০-২১ সালের পর থেকে ইচ্ছাকৃত ভুলের কারনে কোন গাইরে মাহরাম আমাকে দেখে নি।রব সহজ করেছেন আমার জন্য আলহামদুলিল্লাহ।২০২১এরপর নানু,ফুপির বাসায় ২-১ বার যাওয়া ছাড়া কোথাও যাওয়া হয় নি।বাবা মায়ের সাথেই যাওয়া হয়,তাই রাস্তায়ও কারও সাথে কথা বলার প্রয়োজন পড়ে না আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
জি আলহামদুলিল্লাহ।রব আমার মতো অযোগ্য কে হিফয করার তৌফিক দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।অফলাইনে কিছুদিন হিফয বিভাগে খিদমত করা হয়েছে।আরবি ভাষা শিখছি ইনশাআল্লাহ,যাতে তিলাওয়াতের পাশাপাশি অর্থ টাও বুঝতে পারি।রব আফিয়ার সাথে কবুল করুন আমিন। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
ঢিলেঢালা কালো বোরকা,হিজাব,নিকাব,হাত মোজা,পা মোজা।বোরকায় চাকচিক্য এড়িয়ে চলি আলহামদুলিল্লাহ।চোখ সাজানো,পারফিউম ইউজ কখনোই করা হয় না আলহামদুলিল্লাহ।বোরকা পরিহিত অবস্থায়ও কেউ আকৃষ্ট হোক চাই না।রব হেফাজত করুন।চোখ ঢেকে পর্দা করতেও অভ্যস্ত,যদিও সবসময় চোখ ঢাকা হয় না,আসলে বাহিরেও যাওয়া হয় না বছরে এক দুবার ছাড়া। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
খিলাফাহ'র স্বপ্ন দেখি ইনশাআল্লাহ। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
ইসলামিক লেকচার,তাফসির শুনা হয়।যদিও জীবনের অনেক সময়টা গাফেল ছিলাম,এগুলো যে হারাম সেই ইলম ও ছিলো না।মডারেট ফ্যামিলিতে যা হতো আরকি।নামাজ,রোজা,হজ,যাকাত এগুলোই ইসলাম হিসেবে জানতাম। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
উল্লেখযোগ্য কোন রোগ নেই আলহামদুলিল্লাহ,ওয়েট গেইনের কারনে স্ট্রেচমার্ক পড়েছে।এটা কোন রোগ না।কম বেশি সবারই হয় ওয়েট গেইন/ওয়েট লসের কারনে।এটা একদম নরমাল। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
হিফয খানায় খিদমত করেছি কিছুদিন।ভবিষ্যতে সন্তানদের সঠিক তারবিয়াতে সময় পার করতে চাই।যাতে আমার ছেলেরা একদিকে যেমন কুরআনের হাফেজ হবে অন্যদিকে বিমানের পাইলট ও হবে।ইলমের ময়দানে হবে নবী রাসুলদের ওয়ারিশ,আবার ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার হয়ে উম্মাহ'র কল্যাণে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ কবুল করুন। সন্তানদের সেভাবেই বড় করতে চাই ইনশাআল্লাহ।(একজন মেয়ে হিসেবে একজন অন্তর প্রশান্তকারী,প্রেমময়ী স্ত্রী এবং অধিক সন্তান জন্মদানকারী মমতাময়ী মা হতে চাই।আমার মেয়ের ক্যারিয়ার হিসেবেও আমি এতোটুক ই বুঝি।এখন কেউ আমাকে ব্যকডেটেড,আনকালচারড বলতেই পারে তাতে আমার কিছু যায় আসে না।কে কি বলবে, ভাববে এসব আসলে আমি পরোয়া করি না।রবের সন্তুষ্টিতে জীবন টা কাটিয়ে দিতে পারলেই হলো।। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
না আলহামদুলিল্লাহ |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
শিরক |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
বেলা ফুরাবার আগে,প্রত্যাবর্তন,কুররতা আইয়ুন, ফেরা ১-২,প্যারাডক্সিকাল সাজিদ ১-২,হিজাব আমার পরিচয়, কাজের মাঝে রবের খোঁজে, মুক্ত বাতাসের খোঁজে,বিয়ে নিয়ে ফ্যান্টাসি নয় হোক বাস্তব প্রস্তুতি,আহকামুন নিসা,মা মা মা এবং বাবা,মুহস্বনাত,বেশ কিছু সীরাহ'সহ আরও বই পড়া হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
শায়েখ আহমাদুল্লাহ, শায়েখ তামিম আল আদনানী,মাওলানা তারিক জামিল,মুফতী মেনক,খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, নোমান আলী খান, আসিফ আদনান,জাকারিয়া মাসুদ,আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান, মিজানুর রহমান আজহারী,শিবলী মেহেদী ভাইয়ের প্যারেন্টিং বিষয়ক লেকচারও শুনা হয় আলহামদুলিল্লাহ। অবশ্যই রেফারেন্স ফলো করে আমল করতে চেষ্টা করি,কেননা অনেক বিদআত ছড়িয়ে গেছে।আবু ত্বহা,আসিফ আদনান উনাদের নিয়ে যদিও ইখতিলাফ রয়েছে,কিন্তু আমিও যেহেতু জেনারেল থেকে এসেছি তাই তাদের অভিজ্ঞতা,তাদের লেকচার গুলো আমি নিজের সাথে রিলেট করতে পারি। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
হাফেজা, IOM এ আলিম প্রিপারেটরি কোর্সের ৪র্থ সেমিস্টার চলমান আলহামদুলিল্লাহ |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
যদিও নিজের সম্পর্কে বলতে অপছন্দ করি,তবে কিছু বিষয় ক্লিয়ার না করলে,অপরপক্ষ সঠিক ধারণা পাবে না।বিয়ের ক্ষেত্রে যেহেতু মেন্টালিটি ম্যাচ হওয়া জরুরি তাই বলছি।আমি নিজেকে কখনোই খাটি মু'মিন বলবো না।আমি আসলে নিজেকে একজন তাওবাকারী হিসেবেই জানি এবং মানি।রব তো তাওবাকারী কে ভালোবাসেন।إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّر
দ্বীনের সহিহ বুঝ না থাকা এক পরিবার,যেখানে ইসলাম বলতে নামাজ,রোজা'ই বুঝতাম।আমার উপর রবের হুকুম কি?কোনটা হালাল,কোন টা হারাম জানা ছিল না।ছোট থেকে পড়াশোনা,ক্যারিয়ার,হাই স্যালারি ইনকাম এগুলোই সফলতার ডেফিনিশন হিসেবে শেখানো হয়েছে।অথচ কুরআনের ভাষায়,"অতঃপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সে-ই সফলকাম!"
হারাম মিউজিক,ফ্রী মিক্সিং,হারাম রিলেশন,নামাজে গাফিলতি,দুনিয়ার সফলতার পিছনে ছুটে চলা আমাকে উদ্দেশ্য করেই রব বলেছেন,"يَٰٓأَيُّهَا ٱلْإِنسَٰنُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ ٱلْكَرِيمِ"হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকা দিয়েছে?রব নিজ অনুগ্রহে হিদায়াত দিলেন আলহামদুলিল্লাহ।আস্তে আস্তে জানলাম শিখলাম তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে, তখন ও জানি না অথেনটিক সোর্স কি কার থেকে শিখবো, কি শিখবো।ফ্রী মিক্সিং এডুকেশন সিস্টেমের ফিতনা গুলো চোখের সামনে দেখেছি।যদিও সো কল্ড ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিলাম,ক্লাসে সবসময় ফার্স্ট হয়েছি,উপজেলা পর্যায়েও টপার ছিলাম,সামনে ব্রাইট ফিউচার অথচ আমি ইন্টারে ভর্তিই হলাম না।কারন আমি রব'কে চিনেছি,আমার জীবনের উদ্দেশ্য জেনেছি,দুনিয়ায় আমার আগমনের উদেশ্য জেনেছি,আমি রুহের জগতে রব'কে কি প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছি আর আমাকে আবার তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে।রবের হুকুম শুনেছি মেনে নিয়েছি,কোন যুক্তি দাড় করাই নি।সদ্য দ্বীনের বুঝ আসা আমি টা সামান্য ফিতনাতেও আর পড়তে চাচ্ছিলাম না, একটা মুহুর্ত আমি গাফিলতির মধ্যে কাটাতে চাচ্ছিলাম না।আমি তখন শুধু দুআ করে যাচ্ছিলাম রব আমাকে যে উদ্দেশ্য পাঠিয়েছেন সেই উদ্দেশ্য ভুলে আমি যেনো আর কখনোই দুনিয়ার চিন্তায় গাফেল না হয়ে যাই।সর্বোত্তম মানুষদের গুণাবলি খুঁজতে গিয়ে দেখেছি রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,"তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই যে নিজে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শেখায়!"রবের প্রিয় হতে চাওয়া এক সময়ের ক্যারিয়ার ফোকাসড আমি সহশিক্ষা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।বিগত রেজাল্ট গুলো পরিবার,টিচারদের হাই এক্সপেকটেশনের কারন ছিল।কিন্তু যে আল্লাহ কে ভয় করে হারাম ছাড়তে চায় আল্লাহ তার জন্য বিপদ থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেন।
"وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَل لَّهُ مَخْرَجًا"
রাসুল (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে ও তার ওপর আমল করে, কিয়ামতের দিন তার মা-বাবাকে এমন মুকুট পরানো হবে, যার আলো সূর্যের আলোর চেয়েও উজ্জ্বল হবে।এই হাদিস টা আমার পথ আরও সহজ করে দিয়েছিল আলহামদুলিল্লাহ। বাড়িতে জানানোর আগে আমি প্রচুর দুয়া করলাম,আমার অন্তরের আকুলতা আর কেউ না দেখুক আমার রব দেখেছেন,আমি একদিন খুব ভয়ে ভয়ে আব্বুকে হাদিস টা শুনালাম আর জানালাম আমি আসলে আর জেনারেল লাইনে পড়তে চাই না, আমি হিফয করতে চাই।হয়তো আপনি সবাই কে গর্ব করে বলতে পারবেন না আমার মেয়ে বড় ডাক্তার,অনেক টাকা ইনকাম করে।কিন্তু যেদিন সবাই অসহায় অবস্থায় রবের সামনে দাঁড়াবে, সেদিন হয়তো আপনার ছেলে মেয়ে বড় ডিগ্রি নিয়ে উঠতে পারবে না, কিন্তু রব চাইলে সেদিন আপনাকে সকলের সামনে সম্মানিত করা হবে,আল্লাহ চাইলে আপনার সন্তান ও সেদিন সুপারিশের সুযোগ পাবে।সেদিনের কথা ভেবে না হয় আপনি মানুষের কথায় কান না দিলেন।আশা করি আমাকে পুরোপুরি সাপোর্ট দিবেন ইনশাআল্লাহ।আব্বুও রাজি হয়ে গেলেন আলহামদুলিল্লাহ।কিন্তু টিচার,রিলেটিভ রা অনেকেই অনেক কথা বলেছেন।তারা যুক্তি দিয়েছেন পর্দা করে সব করা যায়,মনের পর্দাই আসল পর্দা।কিন্তু আমি জেনেছি কন্ঠস্বরও পর্দার অন্তর্ভুক্ত,দুনিয়াবি কোন ডিগ্রি আমার সাথে আমার কবরে যাবে না,আমার কোন উপকারেই আসবে না।তাই এসবের পিছনে আর সময় অপচয় করতে চাই নি।রিজিকের টেনশন আমাকে আমার উদ্দেশ্য থেকে গাফেল করতে পারে নি আলহামদুলিল্লাহ।
وَمَن يَتَّقِ اللَّهَ يَجْعَل لَّهُ مَخْرَجًا وَيَرْزُقْهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ وَمَن يَتَوَكّ عَلَى اللَّهِ حَسْبُهُ
আমি সব সময় রবের কাছে সহজ জীবন চেয়েছি।আমি জানি পরিক্ষা চাইলেই হেরে যাবো।রবের কাছে সহজতার দুয়া করেছি রব কবুল করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমি তো আমার রব কে ডেকে কখনোই নিরাশ হই নি। দীর্ঘদিন এক প্যাটার্নে পড়ে জেনারেল থেকে উঠে আসা আমার জন্য কুরআন হিফয করা কখনোই সহজ ছিল না।কিন্তু রব তো বলেছেন,"وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ"বস্তুত আমি কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি; অতএব, কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?" তাই রব যা সহজ করেন,তাতে কোন কাঠিন্যতা নেই।এতে আমার নিজের কোন কতৃত্ব নেই।সবটাই রবের অনুগ্রহ।আমি কোন কিছুর যোগ্য নই,অধম এক নিকৃষ্ট গুনাহগার,রবের দয়ার,ক্ষমার প্রত্যাশি।এখন অনলাইনে আলিম প্রিপারেটরি কোর্সে যুক্ত আছি।অফলাইনে পড়ার সুযোগ ছিল,আবাসিকে সমকামিতা,উগ্র মেজাজ,টিকটকার উস্তাযা আরও অনেক ফিত্নার কারনে মাদ্রাসা ছেড়েছি।বাবা মায়ের সাথে থাকা,তাদের খিদমত,সাংসারিক কাজ,রান্না শেখার সুযোগ হাত ছাড়া করতে চাই নি।যেহেতু গ্রামে সেরকম দ্বীনি ইলম শেখার সুযোগ নেই তাই অনলাইন টা বেছে নেওয়া।কিন্তু ভবিষ্যতে যদি ভবিষ্যতে হাসবেন্ড থেকে দ্বীন শেখার সুযোগ থাকে অথবা দ্বীনি সোহবত পাই তাহলে অনলাইনে পড়াশোনা কেন,ফোন এক্টিভিটিস পুরোপুরি ছেড়ে দিতে রাজি আছি ইনশাআল্লাহ।যেখানে SSC শেষ করে সবাই ইন্ডিপেন্ডেন্ট লাইফ পায়,ফোন,ফ্রেন্ড সার্কেল নিয়ে ঘুরাফেরার শুরু।সেই সময়ে আমি স্বেচ্ছায় কওমি মাদ্রাসায় আবাসিকের জীবন বেছে নিয়েছিলাম। অনলাইনে পড়াশোনা করলেও আমি অনলাইন এডিক্টেড নই,সো কল্ড সেলিব্রিটি ও নই।আসলে আমি গুরাবা হয়েই থাকতে চাই,মানুষ আমাকে না চিনুক,না জানুক,গুটিকয়েক মানুষ যারা আমার আশেপাশের তারা চিনবে,আর আসমানবাসী চিনুক,দুনিয়ায় শো অফ,সেলিব্রিটি হওয়ার ইচ্ছে নেই।ফরজে আইন টুক শিখে নিজের পরিবার কে আগুন থেকে বাঁচাতে পারলেই হলো ইনশাআল্লাহ।কারন আমি শুধুমাত্র আমার পরিবার সম্পর্কে দায়িত্বশীল।পুরো দুনিয়ার মানুষের হিদায়াতের দায়িত্ব রব আমাকে দেন নি।যে দায়িত্ব আমার উপর ন্যস্ত না,তা কাধে নিয়ে নিজের আসল দায়িত্বে( রবের সন্তুষ্টি অর্জন,স্বামীর খিদমত, সন্তানের যথাযথ তারবিয়াত) গাফিলতি করতে চাই না।একজন নারী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, রমজানের রোজা রাখে, নিজের সতীত্ব রক্ষা করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে, তাহলে তাকে জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হবে।যেখানে নারীর জন্য রব এতো সহজ করে দিয়েছেন, সেখানে আমি কেন জীবন কে কঠিন করে তুলবো?প্রশ্নই আসে না।যদিও আমার ইবাদত,আমল,আখলাক দিয়ে আমি কখনোই জান্নাতে যেতে পারবো না,রবের ক্ষমা,দয়া,রহমত ছাড়া।তবে জান্নাতের আশা তো করতেই পারি।রব তো রহমানুর রহীম।
আমি কখনোই নিজেকে মুমিনা নারী হিসেবে দাবি করি না।এখনো গুনাহ হয়,ফিরে আসি রবের কাছে,গাফেল অন্তর থেকে পানাহ চাই।নিজেকে নিয়ে অহংকার, আত্মমুগ্ধতা কখনোই কাজ করে না আলহামদুলিল্লাহ।সম্মুখে প্রশংসা পছন্দ করি না।
সবার সাথেই মন খুলে মিশতে পারি,একটু সময় লাগে ফ্রি হতে,তবে কারও মন মানসিকতা,ব্যক্তিত্ব ভালো লাগলে,তার সাথে কথা বলতে ভীষণ ভাল্লাগে।ছোট বাচ্চাদের সাথে খুব সহজে মিশতে পারি।কোলাহল পছন্দ না।একাকী,নির্জনতা পছন্দ।অনর্থক কথা কাজ অপছন্দ।যেসব মহিলারা গীবত,অন্যের নিন্দা করে বেড়ায় তাদের থেকে দূরে থাকি।সময় পেলেই রান্না করি,ঘুমকাতুরে,একটু আধটু ক্যালিগ্রাফি,আঁকিবুঁকি করি সময় পেলে।আগে প্রচুর চঞ্চল থাকলেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি,কিন্তু কাছের মানুষের সাথে হাসিখুশি থাকি।অন্যের হকের ব্যপারে সতর্ক থাকার চেষ্টা করি।আমার জাওজ উনার বাবা মায়ের খিদমত, রক্তের সম্পর্কের ভাই বোনের সাথে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখা,তাদের খোঁজ নেওয়া,আর্থিক সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে আমার পক্ষ থেকে কখনোই বাধাপ্রাপ্ত হবেন না ইনশা আল্লাহ।ঝগড়াঝাটি,বিনা কারনে দোষ দেওয়া,নিন্দা,সমালোচনা,অহেতুক রাগারাগি,তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা,অপমান করা,খোটা দেওয়া এগুলো একদম অপছন্দ।অপচয় এবং কার্পণ্য উভয়ই অপছন্দ।ফুল,আকাশ,বৃষ্টি,প্রকৃতি ভীষণ পছন্দের।বাহিরের খাবারের প্রতি ছোট থেকেই ঝোক আছে।ঘুমাতে ভালোবাসি। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
হ্যা |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
যাকে দেখলে চোখ জুড়াবে,অন্তর প্রশান্ত হবে এমন আহলিয়া হতে চাই, রব কবুল করুন। আমার সন্তানদের কে এক একজন বীর মুজাহিদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।যারা হবে ইলমের ময়দানে আলিমগণের রাহবার আর জি-হা-দের ময়দানে মু-জা-হিদদের সিপাহসালার!গাযওয়াতুল হিন্দের অংশ,ওমর বিন খাত্তাব,খালিদ বিন ওয়ালিদ,সালাউদ্দিন আইয়ুবীর উত্তরসূরী।যারা হবে আমাদের সাদকায়ে জারিয়াহ,আমাদের মৃত্যুর পর যারা হবে আমাদের জন্য দুয়াকারী।আমি আদর্শ স্ত্রী আদর্শ মা হতে চাই,যে দায়িত্ব রব আমাকে দিয়েছেন সেটাই যথাযথ ভাবে পালন করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
অনলি ভোকাল নাশিদ,লেকচার শুনা হয়।যেহেতু আমি একাডেমিক পড়াশোনা পুরোপুরি অফ রেখেছি,তাই বলতে গেলে আমার পুরো সময় টাই অবসর।হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন যে, ফরজ ইবাদত দিয়ে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে, আর নফল ইবাদতগুলো আদায় করতে থাকলে আল্লাহ তাকে ভালোবাসতে শুরু করেন এবং তাকে তার প্রিয়দের অন্তর্ভুক্ত করে নেন।আমার উস্তাযা বলতেন,অবিবাহিত থাকা অবস্থায় যত পারো নফল ইবাদত করে নাও,বিবাহিত জীবনে অনেক দায়িত্ব চলে আসবে,চাইলেও তখন এই সময় গুলো ফিরে পাবে না।স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল ইবাদত ও করতে পারবে না।সংসারে দায়িত্ব পালন করাও সওয়াবের কাজ,তবে মনে রেখো এই সময় গুলোর জন্য যেনো আফসোস না করতে হয়।উনার নাসিহত গুলো মেনে চলার চেষ্টা করি।সব সময় খুশুখুজু থাকে না,তবে চেষ্টা করি মনোযোগ ধরে রাখার।কবুল করার মালিক আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা।এর বাহিরে প্রচুর রান্না করতে ভালোবাসি।যদিও মাছ,মাংস কাটতে পারি না।মোটামুটি সব ধরনের রান্না পারি আলহামদুলিল্লাহ।নতুন নতুন রান্না শিখতেছি। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
নিত্যনতুন খাবার রেসিপি ট্রাই করতে ভালো লাগে,রান্না করি মাঝে মাঝে,রান্না,ঘর গুছানো,জিনিসপত্র পরিপাটি রাখা এসব পারি আলহামদুলিল্লাহ।এগুলো ছাড়া বাড়িতে তেমন কাজ নেই আলহামদুলিল্লাহ। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
নারী হিসেবে রব আমাকে যে সম্মান,অধিকার দিয়েছেন এর বাহিরে অন্য কোন অধিকার কামনা করি না।সূরা নিসা, আয়াত ৩৪: "পুরুষগণ নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল এ কারণে যে, আল্লাহ তাদের এককে অন্যের উপর মর্যাদা প্রদান করেছেন, আর এজন্য যে, পুরুষেরা স্বীয় ধন-সম্পদ হতে ব্যয় করে। ফলে পুণ্যবান স্ত্রীরা (আল্লাহ ও স্বামীর প্রতি) অনুগতা থাকে এবং পুরুষের অনুপস্থিতিতে তারা তা (অর্থাৎ তাদের সতীত্ব ও স্বামীর সম্পদ) সংরক্ষণ করে যা আল্লাহ সংরক্ষণ করতে আদেশ দিয়েছেন..."।اَلرِّجَالُ قَوّٰمُوْنَ عَلَی النِّسَآءِ بِمَا فَضَّلَ اللّٰهُ بَعْضَهُمْ عَلٰى بَعْضٍ وَّبِمَآ اَنْفَقُوْا مِنْ اَمْوَالِهِمْ ۚ فَالصّٰلِحٰتُ قٰنِتٰتٌ حٰفِظٰتٌ لِّلْغَیْبِ بِمَا حَفِظَ اللّٰهُ
পুরুষরা নারীদের ওপর কর্তৃত্বশীল। কারণ, আল্লাহ তাদের একের ওপর অন্যকে (শারীরিক ও মানসিক গঠন ও দায়িত্বের দিক থেকে) শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং পুরুষেরা তাদের ধন-সম্পদ থেকে ব্যয় করে। তাই নেককার স্ত্রীরা হয় অনুগত এবং আল্লাহ যা হেফাজতযোগ্য করেছেন, পুরুষদের অনুপস্থিতিতেও তা হেফাজত করে। |