| স্থায়ী ঠিকানা | সিংড়া, নাটোর |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | রাজশাহী |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | একদম ছোটবেলায় আব্বুর জবের সুবাদে ক্যান্টনমেন্ট কোয়ার্টার এ থাকা হয়েছে (মিরপুর এবং রাজেন্দ্রপুরে)। এরপর ক্লাস থ্রি থেকে ইন্টারমিডিয়েট অবধি নিজ উপজেলাতেই থেকেছি। আর এখন ভার্সিটির হলে থাকছি। |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রীর বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| বর্তমান ঠিকানা | রাজশাহী |
| বিভাগ | রাজশাহী বিভাগ |
| স্থায়ী ঠিকানা | নাটোর |
| বিভাগ | রাজশাহী বিভাগ |
| জন্মসন (আসল) | ২০০৩ |
| গাত্রবর্ণ | শ্যামলা |
| উচ্চতা | ৫'৪'' |
| ওজন | ৫৯ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | A+ |
| পেশা | ছাত্র/ছাত্রী |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | Golden A+ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৯ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | Golden A+ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০২১ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | আইওএম এ ২২৮ ব্যাচ থেকে আলিম প্রিপারেটরি শেষ করেছি, আলহামদুলিল্লাহ্। নিজে নিজে কিছুটা হিফজও করেছি, চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও আরো কিছু একাডেমি থেকে বিষয়ভিত্তিক কোর্স করা হয়েছে। আর সেলফ স্টাডি করে থাকি। |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | হ্যা |
|---|---|
| আপনার কোর্সের নাম ও ব্যাচ নম্বর: | আলিম প্রিপারেটরি কোর্স, ২২৮ ব্যাচ |
| পিতার পেশা | বেসরকারি কোম্পানিতে সিকিউরিটি ইনচার্জ |
|---|---|
| মাতার পেশা | প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা |
| বোন কয়জন? | বোন নেই |
| ভাই কয়জন? | ১জন |
| ভাইদের সম্পর্কে তথ্য | দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। |
| চাচা মামাদের পেশা | চাচা ২০১৬ সালে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গিয়েছেন। রহিমাহুল্লাহ মামা কোম্পানিতে জব করে। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | স্বচ্ছল, আলহামদুলিল্লাহ। সামাজিকভাবেও সম্মানিত। |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | পরিবারে আম্মু, আব্বু, ছোট ভাই আর দাদি। আম্মু আর দাদি সালাত, সিয়াম, কুরআন তিলাওয়াত যত্নের সাথেই আদায় করেন। বাইরে যাওয়ার সময় পর্দার সাথে গেলেও গায়রে মাহরাম পুরোপুরি মেনে চলেন না। আব্বু আর ভাইয়াও আগে বেশ সচেতন ছিল কিন্তু এখন মাঝে মাঝেই উদাসীনতা করে। আল্লাহ মাফ করুন। তবে মৌলিক ইবাদতের বাইরে অন্যান্য বিষয়গুলোতে তাদের ধারণা এবং চর্চা খুব বেশি না। আমি সহশিক্ষা ছেড়ে দিতে চাওয়ার সময়টাতেও অনেক প্রতিকূলতা ফেস করেছি। পুরো পরিবার যেন সকল ক্ষেত্রে পরিপূর্ণভাবে ইসলাম মেনে চলতে আগ্রহী হয় সেই লক্ষ্যে সাধ্যমত দাওয়াহ এবং দু'আ চলমান। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | জি আলহামদুলিল্লাহ্ |
|---|---|
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | সম্ভবত ৭ কিংবা ৮ বছর থেকে পড়ছি। তবে খুশু খুজুসহ এবং যত্নশীলতার সাথে পড়ছি ২০২০ সাল থেকে। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | জি আলহামদুলিল্লাহ চেষ্টা করি। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | জি আলহামদুলিল্লাহ |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | কালো বোরকা, হিজাব নিকাব, হাত-পা মোজা সহ। কালোর বাইরে অন্যান্য ডার্ক কালারের বোরকাও পরা হয়ে থাকে। অবশ্যই অনাকর্ষণীয় ধরনের! প্রায় সময়ই চোখটাও ঢেকে রাখতে চেষ্টা করি। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েম থাকবে এটাই মনেপ্রাণে চাই। তবে মানবরচিত কোনো সেক্যুলার পন্থায় এটা সম্ভব না। সীরাতে নববীর আলোকেই শরীয়াহ বাস্তবায়ন করতে হবে। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | না দেখারই চেষ্টা করি। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | নেই আলহামদুলিল্লাহ্। তবে কোল্ড আর ডাস্ট এলার্জি আছে একটু! |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | জি আলহামদুলিল্লাহ্। বিশেষ কিছু না তবে সাধ্যমত চেষ্টা করে যাচ্ছি অনলাইন এবং অফলাইন মিলিয়ে তিনটা কমিউনিটিতে নিজের এই অল্পস্বল্প দক্ষতাগুলো দিয়ে দাওয়াতী কাজ করার। এছাড়া ব্যক্তিগত উদ্যোগেও বোনদেরকে ইসলামের সাথে কানেক্টেড করানোর লক্ষ্যে তালিম, সহীহ কুরআন শিখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। আল্লাহই তাওফিকদাতা। উল্লেখ্য যে, কোনো একটা সংগঠন কিংবা প্লাটফর্ম কেন্দ্রিক গোঁড়ামি বা দলাদলি অপছন্দ করি। যারাই ইসলামের পক্ষে কোনো না কোনোভাবে কাজ করছে তাদের সবার প্রতিই আল ওয়ালা ওয়াল বারা অনুযায়ী সুধারণা রাখি এবং আমার সুযোগ থাকলে একটু হলেও তাদের কাজে শরিক থাকার চেষ্টা করি। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | মাজার শুধুই একটা সাধারণ কবর। মাজার কেন্দ্রিক প্রচলিত অধিকাংশ কর্মকাণ্ডই হয় শিরক নয়তো বিদআত। নবীজির এত কঠোর সতর্কবাণী সত্ত্বেও মানুষের এহেন বিভ্রান্তি দেখে মর্মাহত হই। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | পছন্দের বই তো অনেক আছে যেহেতু ৫০০+ বই পড়া হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্। এরপরেও সবচেয়ে পছন্দের তালিকায় থাকা কিছু বই হলো – তাফসীরে সুরা তাওবা, বিপদ যখন নিয়ামত দ্বিতীয় খন্ড, হৃদয়ের দিনলিপি, রেইনড্রপস এর সিরাহ, ইতিহাসের আয়নায় বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থা, চিন্তাপরাধ, নিফাক থেকে বাঁচুন, প্রোডাকটিভ মুসলিম, কিভাবে নামাজের মধুরতা লাভ করা যায়, সন্তান স্বপ্নের পরিচর্যা। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | শায়খ আবদুল্লাহ আজ্জাম রহিমাহুল্লাহ, আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ, ডা. জাকির নায়েক হাফিজাহুল্লাহ, শায়খ হারুন ইজহার হাফিজাহুল্লাহ, শায়খ আহমাদুল্লাহ। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | আসলে এই বিষয়গুলোকে যোগ্যতা না বলে আগ্রহ বা পারদর্শিতা বলাই হয়তো বেশি যুক্তিযুক্ত! যেমন - কোনো বিষয় নিজে বুঝলে সেটাকে আন্তরিকতার সাথে সহজবোধ্যভাবে অন্যদেরকেও বুঝাতে পারি। তালিম এবং কুরআন ক্লাসে যে বোনেরা আসেন তারাও আলহামদুলিল্লাহ্ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে থাকেন। প্রায় সময়েই এমন হয় যে, আমার বলা কথাগুলো তাদের অবস্থার সাথে মিলে যায়! সাংগঠনিকভাবে দাওয়াতী কাজ করতে গিয়ে লিডারশিপ এরও অভিজ্ঞতা হয়েছে কিছুটা। অল্পসল্প লেখালেখি করা হয়। সুন্দর হস্তলিপি করতে পারি! প্রুফরীডিং এবং শ্রুতিলিখনও বেশ ভালোভাবে করতে পারি আলহামদুলিল্লাহ্। আল্লাহুম্মা বারিক। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | আমি আসলে ছোট থেকেই বেশ ইন্ট্রোভার্ট ছিলাম। তবে মিশুকও ছিলাম। কোমল এবং নম্র ভদ্র হওয়ায় অনেকের ভালোবাসাও পেয়েছি। এখনো কিছুটা ইন্ট্রোভার্টই আছি। তবে দ্বীন সম্পর্কে সচেতন হতে শুরু করার পর থেকে দাওয়াতী কাজের স্বার্থেই মানুষের সাথে মিশতে চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ, অনেক বোনের আস্থার জায়গা হতে পেরেছি। যেহেতু মুসলিম মাত্রই ফুল টাইম দায়ি, তাই সবসময় এই সুযোগটাই খুজতে থাকা উচিত যে কিভাবে আরো একটা মানুষের হৃদয়ে আল্লাহর মুহব্বত জাগ্রত করতে পারা যায়। এছাড়াও আমাদের আখলাক স্বতন্ত্র একটা দাওয়াতের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, তাই আখলাক সুন্দর করতে মনোযোগ দেওয়া উচিত। আল্লাহ তাওফিক দিন, আমিন। তবে অন্যের সংশোধন করতে গিয়ে নিজের সংশোধনও ভুলে যাওয়া যাবে না! আর আমি নিরিবিলি থাকতে পছন্দ করি। প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটাতে ভালো লাগে। তথাকথিত আধুনিকতার যান্ত্রিকতার চেয়ে অকৃত্রিম বিষয়গুলো বেশি টানে। (যেমন - কোনো রংচংওয়ালা জনাকীর্ণ পার্কে ঘুরে বেড়ানোর চেয়ে একদম গ্রামীণ কোনো রাস্তা, নদীর কলতান কিংবা ছোট্ট কিছু বুনোফুলও আমাকে অপার্থিব প্রশান্তি অনুভব করায়)। কাউকে যেকোনোভাবে হেল্প করতে পারলে অনেক শান্তি লাগে। সমমনা কাউকে পেলে গল্প করতেও বেশ ভালো লাগে। আশপাশের মানুষজন বলে আমি বেশ ধৈর্যশীল, তবে আমার নিজের কাছে মনে হয় আরো বেশি ধৈর্যশীল হওয়া উচিত আমার। একটু ঠাণ্ডা মেজাজের হওয়ায় কারো সাথে কথা কাটাকাটি বা ঝগড়া খুব কম হয়। এই মুহূর্তে মনেই করতে পারছি না কোনো ঝগড়া! তবে আম্মুর অনেক বকাঝকা শুনেছি ছোট থেকেই। এখনো টুকটাক শুনি। সচরাচর কেউ আমাকে কষ্ট দিয়ে কথা বললে সেসময় পাল্টা জবাব দিতে পারি না। ছোটবেলায় আম্মুর গড়ে দেওয়া অভ্যাস– মুখে মুখে তর্ক করা যাবে না। এজন্য যেটা হয় কেউ রাগ দেখালে তখন চুপ থাকি। গুরুতর হলে পরে গিয়ে বুঝিয়ে বলি আমার অপিনিয়ন। তবে কখনো যদি অন্যায়ের প্রতিবাদস্বরূপ পাল্টা কিছু বলতে হয় তখনো অনেক কান্না পায়। এতকিছু বলা মূলত আমার পার্সোনালিটিটা স্পষ্ট করার জন্যই। প্রিয় জিনিসগুলো যত্নে রাখতে বদ্ধপরিকর। মায়া কাজ করে খুব বেশি! বই পড়া আমার লাইফের অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ বলা যায়। বই সংগ্রহ করে রাখতেও ভালো লাগে। সংগ্রহে প্রায় অর্ধ সহস্র বই জমেছে আলহামদুলিল্লাহ্। ভবিষ্যত প্রজন্ম যেন বইয়ের আলোতেই গড়ে ওঠে! অন্যদেরকেও পড়তে দিই বইগুলো। লেখালেখি করতেও ভালো লাগে। চেষ্টা করি সুন্দর হস্তলিপির গুনটাকে কাজে লাগিয়ে চিঠি বা চিরকুট এর মাধ্যমেও দাওয়াতী কাজ করতে। এছাড়া রোজনামচা লিখি প্রায়শই। আশপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী থেকে চিন্তার খোরাক পেতে সেগুলো গুছিয়ে লিখে রাখা বেশ কার্যকরী! মাথার ভেতরে ঘুরতে থাকা হরেক রকম চিন্তা ভাবনা লিখতে গেলে আরো স্পষ্ট হয়, নিজেকে বুঝা সহজ হয়। ওভার্থিংকিং কম করে আল্লাহর ওপরে তাওয়াক্কুলটা শক্তিশালী করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যেকোনো কাজ গুছিয়ে করতে এবং ডিসিপ্লিনড লাইফ লিড করতে পছন্দ করি। অনর্থক কথা কাজ পরিহার করতে চেষ্টা করি। আর অনলাইন ব্যবহার সীমিত করতে চাই খুব করে। ফেসবুক এ থাকি না বললেই চলে। শুধু টেলিগ্রাম আর হোয়াটসঅ্যাপটা রেখেছি। মানসিক স্থিরতা, সময়ের বারাকাহ পাওয়ার জন্য অনলাইন থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকাই উত্তম মনে করি। দিনের বেলায় কর্মব্যস্ত থেকে রাতে দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করি। আসলে চেষ্টা করতে হয় না এমনিই ঘুম চলে আসে! আলহামদুলিল্লাহ। আর সুস্থ থাকার জন্য টুকটাক কিছু নিয়ম মেনে চলা, কায়িক পরিশ্রমও করতে চেষ্টা করি যদিও ধারাবাহিকতা হারিয়ে যায় প্রায়শই! অল্পতে কষ্ট পাওয়া আবার অল্পতেই খুশি হয়ে যাওয়ার বিপরীতধর্মী দুইটা বৈশিষ্ট্যও আছে। তবে চেষ্টা করি অন্যের প্রতি সুধারণা রাখতে এবং কেউ বেইনসাফি করলেও নিজের দিক থেকে ইনসাফ এ কোনো ঘাটতি না রাখতে। আর জীবনসঙ্গীর বিষয়ে অনেক অনেক বেশি পজেসিভ! ইচ্ছে তো এমন আছে যে বান্ধবীদের কেউই আমার অর্ধেক দ্বীনের নামটাও জানবে না! এতটাই জেলাসি কাজ করে এই জায়গাতে। আর বদভ্যাস বলতে দীর্ঘসূত্রিতা (পরে করব পরে করব বলে ডেডলাইনে গিয়ে শেষ করা) হয়ে যায় প্রায়শই। এছাড়াও পারফেকশন এর বিষয়টাও কখনো কখনো এমন হয়ে যায় যে, হয় সব পারফেক্টলি হবে নয়তো একেবারেই হবে না! আর কিছু ক্ষেত্রে ইমোশন ম্যানেজ করতে একটু হিমশিম খাই! চেষ্টা করছি এগুলো দূর করার জন্য। এছাড়াও আরেকটি নেতিবাচক স্বভাব হচ্ছে অনেক সময়েই সহজে না বলতে পারি না। এ কারণে নিজের ওপরে জুলুমও হয়ে যায় কখনো কখনো। আসলে অপরপক্ষের বিষয়টা বেশি ভাবতে গিয়েই হয়তো এমন হয়। আর হিংসুক, অহংকারী, জটিল প্রকৃতির মানুষের থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করি। মিশুক এবং আন্তরিক মানুষদের সোহবত পেতে ইচ্ছে করে। ব্যক্তিত্ববান, গাইরতওয়ালা এবং উত্তম আখলাকবিশিষ্ট মানুষ আমার মুগ্ধতা এবং শ্রদ্ধার শীর্ষে অবস্থান করে, আলহামদুলিল্লাহ। নিজেও চাই এই গুণগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে। আমি স্বপ্নচারী মানুষ। স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখাই। বোনেরা যখন তাদের সমস্যাগুলোর কথা বিস্তারিত বলে পরামর্শ চায়, তখন সর্বোচ্চ চেষ্টা করি তাদেরকে উপকারী নাসিহাহ দেওয়ার। আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা না করে উম্মাহর কল্যাণে একটু হলেও অবদান রাখতে চাই। সৎকাজে আহ্বানকারী তার অনুসরণকারীর সমান সওয়াব পাবে – এই হাদিসটা আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করে। নিজে আল্লাহর প্রিয় হওয়া এবং অন্যদেরকেও আল্লাহর প্রিয় হতে সাহায্য করার এই জার্নিতে একজন উত্তম অভিভাবক এবং মেন্টর যেন মিলিয়ে দেন আল্লাহ, আমিন। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | হ্যা |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | আসলে মুমিনের পুরো জীবনটাই তো দ্বীনকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। তাই বর্তমান বা ভবিষ্যত যেকোনো পরিকল্পনাতেই দ্বীনকে অন্তর্ভুক্ত করাই উচিত। খুব সংক্ষেপে বলতে গেলে, নিজেকে, নিজের পরিবার পরিজন, আত্মীয় এবং পরিচিত জনদের মধ্যে যত বেশি সংখ্যক মানুষকে সম্ভব সাথে নিয়ে যেন জান্নাতে যেতে পারি, সেই লক্ষ্যে কাজ করে যেতে চাই আমৃত্যু। আরো সুনির্দিষ্ট কিছু স্বপ্ন এবং পরিকল্পনা আছে। শাহাদাতের সুতীব্র আকাঙ্ক্ষা লালন করি মনে! আল্লাহ যেন আফিয়াতের সাথে কবুল করে নেন, আমিন। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | ছকবাঁধা কাজগুলো শেষ করেই বই নিয়ে বসে পড়ি। ক্লাসের ফাঁকে বা কোথাও একটু ফুরসৎ মিললেই বই পড়া হয় সাধারণত। এছাড়াও আয়াত, হাদীস কিংবা প্রিয় উক্তিগুলো লিখে ফেলি সুন্দর হস্তলিপি করে। ফটোগ্রাফিও করা হয়। টুকটাক লেখালেখি করি। এছাড়াও ঘর গোছানো, হাতের কাজ শেখা, গাছের পরিচর্যা করা এসবও করা হয়। কখনো লেকচার শোনা বা জমে থাকা ক্লাসগুলোও শেষ করি। ডায়েরি লিখি। আত্মপর্যালোচনা করি বা নতুন কোনো পরিকল্পনা করার চেষ্টা করি! |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | ঘরকন্যার কাজগুলো মোটামুটি প্রায় সবই করতে পারি আলহামদুলিল্লাহ্। গুছিয়ে রাখতে পছন্দ করি, তবে ওসিডি নেই! ব্যস্ততার সময় অগোছালো দেখলেও অস্থির হই না। হলে থাকার কারণে সেখানে রান্নাবান্না থেকে প্রায় সবই করতে হয়। আর বাড়িতে আসলে আম্মুর কাজে সাহায্য করি। ছোট ভাইকে পড়ানো, অসুস্থ হলে যত্ন নিতেও চেষ্টা করি। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) | নারী পুরুষের মাঝে শারীরিক, মানসিক এবং দায়িত্ব কর্তব্যের দিক থেকে ইনসাফভিত্তিক পার্থক্য একটি সুস্পষ্ট বিষয়। সেই হিসেবে স্বামী স্ত্রী একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং সহযোগী এবং পরিপূরক! সমঅধিকারের এই চিন্তাগত ভ্রান্তি থেকে আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুন, আমিন। |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | জি রাজি! যদিও তাদের ইচ্ছে আমি আগে কোনো জব করি এরপর বিয়ে! আমি যথাসাধ্য বুঝিয়েছি। তাদের ধারণা যে, আমি যেমন ভাবছি তেমন মানসিকতার ছেলেরই নাকি অভাব! এজন্যই খুব করে চাইছি যেন এমন কাউকে আল্লাহ খুব দ্রুতই মিলিয়ে দেন। |
|---|---|
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | বিয়ে করা বক্তিভেদে ফরজ, সুন্নাহ, মুবাহ এমনকি হারামও হতে পারে! আমার কাছে মনে হয়েছে একজন হালাল সঙ্গীর প্রয়োজন, যে হবে একান্তই আপন। দুনিয়ার এই ফিতনাময় দুর্গম পথ পাড়ি দিতে সমমনা একজন সঙ্গী অনেক বড় নিয়ামত। আর যেহেতু আমার ইচ্ছে নেই জব করার, কিন্তু আম্মুর আব্বুর ইচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত, তাই একজন অভিভাবক খুবই প্রয়োজন যে এই বিষয়ে আমাকে সাপোর্ট করবে! এছাড়াও নেক সন্তান গড়ে তোলার মাধ্যমে নবীজীর গর্বের কারণ হতে চাই, ইনশাআল্লাহ্। |
| আপনি কি বিয়ের পর চাকরি করতে ইচ্ছুক? | তথাকথিত যে চাকরিগুলোতে পর্দা রক্ষা করা কঠিন সেগুলোতে কোনোভাবেই যেতে চাই না। তবে আমি চাই উপকারী জ্ঞানগুলো সাধ্যমতো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। অবশ্যই পরিবারের হক আদায় করে এবং শরীয়তের সীমায় থেকে যদি সম্ভব হয় তবেই। আর মেয়েদের প্রধান কর্মক্ষেত্রই হলো তার সংসার। তাই এখানেই নিজের বেস্টটা দিতে চাই ইনশাআল্লাহ। |
| বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান? (ছাত্রী হলে) | জি ইনশাআল্লাহ্। (আলোচনা সাপেক্ষে) |
| বিয়েতে কেমন মোহরানা নির্ধারন করতে চান? | ছেলের সাধ্যমত আলোচনা সাপেক্ষে |
| পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | গায়ের রং ও জেলা |
| আপনার স্বামীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | দায়িত্ব তো অনেক আছে! মোটাদাগে বলতে গেলে– শরীয়তসম্মত বিষয়ে তার পরিপূর্ণ আনুগত্য করা, তাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা উপহার দেওয়া, তার পছন্দ অপছন্দের খেয়াল রাখা, ঘরের পরিবেশটাকে তার জন্য প্রশান্তিদায়ক করে রাখা, স্বপ্ন পূরণের যাত্রায় তার সফরসঙ্গী হয়ে সাধ্যমতো সাপোর্ট দেওয়া। তার সম্মান এবং সম্পদের হিফাজত করা, দ্বীনের পথে চলতে উৎসাহ দেওয়া, পরিবারের হক আদায়ে তাকে সাহায্য করা। |
| বিয়ের পর কোথায় থাকতে চান? | স্বামীর বাড়ি |
| বয়স (Required) | ২৩-২৮ বছর |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | যেকোনো |
| নূন্যতম উচ্চতা | ৫'৭" |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | স্নাতক পাশ/অধ্যয়নরত |
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| জীবনসঙ্গীর দাড়ি বা ইনকাম সম্পর্কে যা চান- (Required) | সুন্নতি দাড়িওয়ালা এবং হালাল উপার্জনকারী। |
| পেশা (Required) | যেকোনো হালাল পেশা। (কর্মক্ষেত্রে গায়রে মাহরামদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে না, হালাল হারাম মেনে চলতে বাধাগ্রস্ত হবে না, পরিবারকে সময় দেওয়া যাবে এমন) |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | স্বচ্ছল |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | পরিবার পরিপূর্ণ দ্বীনের বুঝ সম্পন্ন হলে তো খুবই ভালো হয় আলহামদুলিল্লাহ্। তবে যদি কিছুটা ঘাটতিও থাকে তবে অন্তত আমার পর্দা এবং দ্বীন পালনে সাপোর্টিভ হবেন এমন। পাশাপাশি আমার পরিবারের প্রতি আন্তরিক হবেন এবং সম্মান দিবেন এমন আশা রাখি। আর আমাকে আপন করে নিবেন! |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | উদাসীনতা থেকে কিছুমাত্র সচেতন হতে শুরু করেছি যখন, তখন থেকেই দোয়া করছি, এমন একজনকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার, যে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ তার ওপরে সন্তুষ্ট। এবং যার কাছে আল্লাহর সন্তুষ্টিই সর্বাগ্রে প্রাধান্য পায়। শাহাদাহর তামান্না নিয়ে জান্নাতের সবুজ পাখি হওয়ার স্বপ্ন যিনি মনেপ্রাণে লালন করেন। আমার নিজের জন্যও দোয়া করি, আমিও যেন এমন হতে পারি, আল্লাহর অসন্তুষ্টির কোনো কিছুতে যেন আমি জড়িত না হই। এরপরেও ভুল হয়ে যায় অনেক অনেক। তবুও চেষ্টা চালিয়ে যাই। দ্বিতীয় যে বিষয়টা খুব করে চাই সেটা হলো, সেই ব্যক্তিটা আমাকে অনেক বেশিই ভালবাসবে, যত্ন করবে, আর শ্রদ্ধাও করবে! অপমান কিংবা অবহেলা করবে না! আমার কাছে ভালোবাসার সমার্থক হিসেবে যত্ন আর শ্রদ্ধা শব্দ দুটিই মাথায় আসে। সবগুলোই একটার সাথে আরেকটা কানেক্টেড! আমরা যাদেরকে ভালবাসি, তাদেরকে নিজের থেকেও বেশি অগ্রাধিকার দিই, মনে হয় নিজের একটু কষ্ট হলেও সেই মানুষটা খুশি থাকুক, ভালো থাকুক। এই আন্তরিকতাটাই আসলে অনেক কিছু। বড়সড় বিষয় ছিল এ দুটোই। এখন এগুলোর শাখা প্রশাখা হিসেবেই বাকিগুলো আসবে… » হালাল ইনকাম এর বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হবে। পরিশ্রম করে (শারীরিক/বুদ্ধিবৃত্তিক) হালালভাবে উপার্জন করতে বদ্ধপরিকর থাকবে। ব্যয় করার ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থী হবে। দানশীল হবে। অপচয় করবে না, আল্লাহর অবাধ্যতার কাজে অর্থ ব্যয় করবে না। » কঠোরভাবে নজরের হিফাজত করে চলবে। গায়রে মাহরাম থেকে দূরত্ব বজায় রাখবে সর্বদা। তাদের পোস্টে রিয়েক্ট কমেন্টও করবে না !!! » অনেক বেশি গায়রতসম্পন্ন এবং সাহসী হবে। অন্য সবার থেকে আমাকে সুরক্ষিত করে রাখবে! যত্নশীল হবে। পার্সোনাল কোনো বিষয় ফলাও করে প্রচার করতে অনাগ্রহী হবে। যেটুকু করা জরুরি সেটুকুই করবে। দায়িত্বশীল হিসেবে তার ওপরে যাদের জিম্মাদারি আছে তাদের হকের বিষয়ে খুব সচেতন থাকবে। রাগ এর সময় হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে না, গালাগালি করবে না কখনোই! গালি দেওয়া এবং ড্রাগ এডিকশন বিষয় দুটিকে আমি অনেক বেশি ঘৃণা করি! » সমস্ত হারাম থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করবে। দ্বীনের কোনো বিধানকে কাটছাঁট করে নিজের সুবিধামত মেনে চলার চিন্তা থাকবে না তার। » সুন্নতে নববীর পরিপূর্ণ অনুসরণে মনোযোগ থাকবে। ইলম অর্জন এবং তাকে আমলে পরিণত করতে সচেষ্ট থাকবে। আমাকেও শিখাবে উপকারী বিষয়গুলো! » আমার যেকোনো ভুল চিন্তা কিংবা কাজ কল্যাণকামী হয়ে শুধরে দিবে। ইনশাআল্লাহ্ আমিও নিজেকে সংশোধনে অগ্রগামী থাকব। আমরা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হবো খুবই সাদাসিধেভাবে। বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুসরণে কোনো ইভেন্ট থাকবে না বিয়েতে। আত্মীয় স্বজন, পরিচিতজন আর দরিদ্রতার নেয়ামতপ্রাপ্ত লোকেরা হবে আমাদের বিয়েতে মেহমান। লোক দেখানোর প্রতিযোগিতা থাকবে না, থাকবে না সাজগোজ বা ডেকোরেশনে খুব বেশি বাড়াবাড়ি। অল্প খরচেই ক্রিয়েটিভভাবে সবকিছু সম্পন্ন হবে। মিউজিক এবং ফ্রি মিক্সিং থাকবে না। আমার খুব খুব ইচ্ছা যে বিয়ের পরপরই আমরা দুজন মিলে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে যাব! কৃতজ্ঞচিত্তে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে অনেক কিছু চেয়ে নিব আল্লাহর কাছে। আমাদের সুদীর্ঘ পথচলার এক বরকতময় সূচনা হবে এভাবে! খুব প্রশান্তিদায়ক একটা সংসার হবে আমাদের। সিরিয়াস কোনো ঝগড়া হবে না বললেই চলে! মতের অমিল, পছন্দ অপছন্দে পার্থক্য এগুলোকে খুব দ্রুতই একটা সুন্দর সমাধান এ নিয়ে আসব আমরা। যেকোনো ক্ষেত্রেই আমাদের মানদণ্ড থাকবে কুরআন এবং সুন্নাহ। ইস্তিখারা করে, নিজেরা পরামর্শ করে বা অভিজ্ঞ কারো সাথে পরামর্শ করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে ফেলব আমরা। যেকোনো মনোমালিন্যকে ঘুমাতে যাওয়ার আগেই মিটিয়ে ফেলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকব। রেগে গিয়ে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে কোনো কথা বলব না বা সিদ্ধান্ত নিব না। আমাদের একটা মিউচুয়াল ডায়েরি থাকবে। সেখানে আমরা দুজনই সেই কথাগুলো লিখে রাখব যেগুলো হয়ত সরাসরি বলার সময়/সুযোগ/পরিস্থিতি হচ্ছে না। হয়তো এমন কোনো বিষয়ে কষ্ট পেয়েছি যেটা মুখে বলতে পারছি না কিন্তু লিখতে পারছি ঠিকই! এমন বিষয়ের জন্য আর কী! সন্তানদেরকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে দুজনেরই আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে। খুব সচেতনভাবে কচিকাঁচাদের মনের ক্যানভাসে ঈমানের ছবি একে দিব আমরা। তাকওয়ার বীজ বুনে দিব উর্বর মস্তিষ্কে। এমনভাবে বেড়ে উঠবে তারা যেন প্রত্যেকেই হয় দ্বীনের সহযোগী এবং আমাদের জন্য সদকায়ে জারিয়া! যেহেতু বিয়ের আগে মাহরাম এর অভাবে তেমন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি আমার, সেহেতু আমার ইচ্ছা থাকবে তার সাথেই ঘুরেফিরে দুনিয়াটাকে দেখার। আল্লাহ তাওফিক দিলে আমরা মাঝে মাঝে এই ইচ্ছাটা পূরণে কাজ করতে পারি! তবে সবসময় যে ঘটা করে বিখ্যাত জায়গাগুলোতে ঘুরতে যেতে হবে এমন না। তার উপস্থিতিটাই আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ হবে। আমরা একসাথে বাড়ির পাশের কোনো গাছের নিচে বসে সবুজের সৌন্দর্য, ফুলেদের স্নিগ্ধতা দেখে বিমোহিত হবো। কখনো আবার রাতের বেলায় জোছনা দেখার মাঝেও অপার্থিব সুখ খুঁজে পাব! শেষ রাত্তিরে মুত্তাকীদের দলভুক্ত হওয়ার আশায় একসাথে যখন রবের তরে সিজদায় লুটিয়ে পড়ব, সেসময়েও অনুভব করব রবের নিয়ামতের গভীরতা। কুয়াশাঘেরা শীতের সকালে শিশিরভেজা সবুজ ঘাসের উপর হাঁটতে গিয়েও পরম নির্ভরতায় যে হাতটা আমাকে আগলে রাখবে, সেই হাতের বাঁধন ছেড়ে অন্য কিছুতে মনোযোগ দেওয়ার ইচ্ছাও হবে না তখন। হয়তো জীবন সবসময় সরলরৈখিক গতিতে চলবে না। বন্ধুর পথও পাড়ি দিতে হবে কখনো কখনো। তবে পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, সব অবস্থায় আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকার গুণটা আয়ত্ত করার চেষ্টা থাকবে আমাদের। যেকোনো অবস্থাতেই সুখ খুঁজে নিতে পারব আমরা। শত ক্লান্তি শেষেও একে অপরের সান্নিধ্যে এসে যেন মুগ্ধতার আবেশে প্রশান্তি অনুভব করব! আমরা চেষ্টা করব একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠতে। একজনের কমতিগুলো আরেকজন পূরণ করে দিতে। দুজন মিলে পরিপূর্ণ হয়ে উঠতে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জান্নাত কিনে নিতে! অনেক বেশি অবাস্তব মনে হচ্ছে ইচ্ছেগুলো? উহু। আমার রবের কাছে কিছুই অসম্ভব না। দুনিয়ার বুকেও এক টুকরো জান্নাতের ছোঁয়া পেতে চাই বলেই তো এত করে চাইছি তার কাছে। তিনি নিশ্চয়ই আমার আকুতি শুনছেন! উল্লেখ্য যে, আমার নিজেরও অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি আছে। চেষ্টা করে যাই সেগুলো সংশোধনের। আসলে আমরা কেউই তো পারফেক্ট নই। আর আল্লাহ আমাদের নিয়ত এবং প্রচেষ্টা দেখেন! এই চেষ্টায় সর্বোত্তম একজন সহযোগী দরকার। দুনিয়া যাকে মৌলবাদি, অসামাজিক কিংবা কট্টর আখ্যায়িত করলেও কুরআনের ভাষ্যমতে তিনি হলেন মুহসিন ও মুত্তাকি!! |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত কোনো জেলা হলে ভালো হয়। আব্বু আম্মুর ইচ্ছে আমি তাদের থেকে বেশি দূরে না থাকি! তবে এক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য পাবে, ইনশাআল্লাহ। |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | এখন তো সেভাবে কোনো পেশায় নেই। তবে স্টুডেন্ট পড়ানোর অভিজ্ঞতা আছে। বেশ কজন মেয়েকে পড়িয়েছি আলহামদুলিল্লাহ্। টিচিং এবং সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং এই দুটো প্রফেশন বেশ ভালোই লাগে। মেয়ে এবং শিশুদের নিয়ে কাজ করা যেতে পারে আল্লাহ তাওফিক দিলে। |
|---|---|
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | আসলে এমনিই বায়োডাটাতে অনেককিছু লিখে ফেলেছি। তবে আমি চেয়েছি যেন এটা পড়েই মোটামুটি বিস্তারিত আইডিয়া পাওয়া সম্ভব হয়, সেজন্যই হয়তো একটু বড় হয়েছে। আর যোগাযোগ করার পূর্বে অবশ্যই ইস্তিখারা করে দেখার অনুরোধ। হাসবুনাল্লাহ |
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 44 ভিউস