| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
আলহামদুলিল্লাহ, পড়া হয় |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
ছোট্ট থেকেই পড়তাম তবে ২০২২ সাল থেকে নিয়মিত |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
চেষ্টা করি |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
হুম পারি |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
বোরকা,, নিকাব,, হাতমোজা, পা মোজাপড়া হয় |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
নাই |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
না |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
আলহামদুলিল্লাহ নেই |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
না,,তবে নিজে থেকেই মানুষ কে দ্বীনের দাওয়াত দেই,নামাজ পড়তে বলি ভালো করে চলতে বলি,, |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
শিরক |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
উদ্দেশ্য হীন আর কতদিন,,আধার রাতের মানবী,পূরন্যময়ী আরো অনেক |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
ড,শহিদুল্লা মাদানি,,মিজানুর রহমান আজহারী,,আহমোদুল্লাহ |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
নাই |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
আমি একজন সাধারণ মানুষ, তবে নিজের সামর্থ্যের ভেতরে থেকে আল্লাহর দ্বীন অনুযায়ী জীবন গড়ার আন্তরিক চেষ্টা করি। নিজের সম্পর্কে বলা আমার স্বভাবে নেই, কিন্তু বিয়ের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলা প্রয়োজন বলে মনে করি। আলহামদুলিলিল্লাহ, আমি পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল ও নমনীয় স্বভাবের একজন মানুষ। আচরণে কোমল থাকা, কাউকে কষ্ট না দেওয়া, নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা এবং অতিরিক্ততা থেকে দূরে থাকা—এগুলোকে আমি নিজের জীবনের নীতি হিসেবে মানি। দুনিয়ার কোনো জাকজমক, বিলাসিতা বা অহংকার আমি কখনোই পছন্দ করি না; বরং সরলতা, পরিমিতি, হালাল উপার্জন, সুমহান চরিত্র ও আল্লাহভীরু জীবনধারাকেই আমি প্রকৃত শান্তির উৎস মনে করি। জীবনে যতটুকু দরকার, ততটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করি, কারণ আমি বিশ্বাস করি—কানায়া হলেও হালাল রিজিকই বরকতময়।আমি অসুস্থ, দুর্বল বা বিপদে থাকা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোকে আল্লাহর রহমত পাওয়ার একটি আমল হিসেবে দেখি। মানুষের সাথে সুন্দর ব্যবহার করা, তাদের সম্মান করা, ক্ষমা করে দেওয়া, তাদের কষ্ট বুঝতে চেষ্টা করা—এসবকে আমি ইমানের দাবিই মনে করি। আল্লাহর বান্দাদের প্রতি দয়া দেখানো, গোপনে সৎকর্ম করা এবং কষ্টের সময়ে ধৈর্যধারণ করা—এগুলো আমার জীবনের অংশ। আমি বিশ্বাস করি, মুমিনের জীবনে ধৈর্য হলো সর্বোচ্চ শক্তি; তাই কঠিন সময়েও আমি হতাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর নির্ভর করি। আমার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে চেষ্টা করি যেন সুন্নাহকে অনুসরণ করি এবং গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখি।আমার একটি বিশেষ স্বপ্ন আছে—আমার বিয়েটা যেন হয় পুরোপুরি সুন্নতের আলোকে, আড়ম্বরহীন সরল ও বরকতময়। এমন একটি বিবাহ, যেখানে বাজনা, অপচয়, জাকজমক, অতিরিক্ত খরচ বা লোক দেখানো কিছুই থাকবে না। আমি চাই বিয়েটা হোক একটি ইবাদত, যেখানে উভয় পরিবারই পর্দা, তাকওয়া ও ইসলামি আদব-আখলাক বজায় রেখে উপস্থিত থাকবে। আমার আশা—আমার জীবনসঙ্গী হবেন এমন একজন, যিনি আল্লাহকে ভয় করেন, সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন গড়তে আগ্রহী, এবং সংসারকে ইমান, আমানতদারিতা, শ্রদ্ধা, সহানুভূতি ও পরস্পরের হক আদায়ের মাধ্যমে পরিচালনা করার মানসিকতা রাখেন। আমি চাই সংসার হোক সেই সুন্দর স্থান, যেখানে ভালোবাসা থাকবে কিন্তু তা ইমানের আলোকে; যেখানে সহযোগিতা থাকবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য; যেখানে আমরা দু’জনই একে অপরকে গুনাহ থেকে বাঁচতে, ভালো কাজ করতে এবং জান্নাতের পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবো। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
প্রবাসী/ প্রবাসী বিয়ে করতে আগ্রহী |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
সালাফি[আহলে হাদিস] |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
হ্যা |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমি একজন সাধারণ মুসলিম নারী, আলহামদুলিল্লাহ নিজের সামর্থ্যের ভেতরে থেকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ার আন্তরিক চেষ্টা করি। আমার জীবনের মূল লক্ষ্য হলো গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করে চলা, ফরজ ও ওয়াজিব আমলে যত্নবান থাকা এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি—বিয়ে কেবল দুনিয়াবি সম্পর্ক নয়; বরং এটি ঈমান হেফাজত, নফসের পবিত্রতা ও জান্নাতের পথে একসাথে চলার একটি মহান ইবাদত। তাই আমি এমন একজন জীবনসঙ্গীর প্রত্যাশী, যিনি প্রকৃত তাকওয়াবান ও দ্বীনদার, সুন্নাহ-অনুসারী এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে জীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করবেন; যিনি আমাকে পর্দা, ইবাদত ও দ্বীনের উপর দৃঢ় থাকতে সহযোগিতা করবেন এবং নিজেও নসিহত গ্রহণে আন্তরিক হবেন। স্বভাবে আমি সহজ-সরল, ধৈর্যশীল, নম্র ও পরিশ্রমী; দুনিয়ার জাকজমক, অপচয়, অহংকার ও লোক দেখানো আয়োজন পছন্দ করি না। অল্পে সন্তুষ্ট থাকা, হালাল রিজিকের প্রতি যত্নবান হওয়া, মানুষের সাথে কোমল আচরণ করা, কাউকে কষ্ট না দেওয়া এবং অসহায় ও দুর্বলদের পাশে দাঁড়ানোকে আমি ঈমানের সৌন্দর্য মনে করি। আমি চেষ্টা করি সালাত, পর্দা ও ইসলামি শালীনতা বজায় রেখে চলতে এবং জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে কুরআন ও সুন্নাহকে মানদণ্ড বানাতে। আমার অন্তরের বিশেষ কামনা—আমার বিয়েটা যেন হয় সম্পূর্ণ সুন্নাহ অনুযায়ী, সহজ, সাদাসিধে ও বরকতময়; যেখানে থাকবে না গান-বাজনা, অপচয় কিংবা লোক দেখানো কিছুই, বরং থাকবে তাকওয়া, পর্দা, দোয়া ও আল্লাহর রহমতের আশা। আমি এমন একটি সংসার চাই, যেখানে ভালোবাসা থাকবে ঈমানের আলোকে, দায়িত্ব পালন হবে আমানত হিসেবে এবং স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে গুনাহ থেকে বাঁচতে, ইবাদতে দৃঢ় থাকতে ও জান্নাতের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। আল্লাহ তাআলা যেন আমাকে ও আমার ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীকে তাকওয়া, ইখলাস ও সুন্নাহর উপর অটল রাখেন এবং আমাদের দাম্পত্য জীবনকে সাকিনা, মাওয়াদ্দাহ ও রহমতে পরিপূর্ণ করে দেন—আমিন। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
বই পড়ি,,সংসারের কাজ করি,, |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
মা বাড়ি না থাকলে সব কাজ আমিই করি,,যেমন রান্না, ঘর গুছানো,,গরু দেখা সব,,আর বাড়ি থাকলেও তার অর্ধেক কাজ আমি করি |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
-
ইসলামে নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরিপূরক। সমাজে দু’জনের দায়িত্ব ভিন্ন হলেও সময়ের মর্যাদা ও অধিকার সমান। ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়ের সময়কে আল্লাহর আমানত হিসেবে দেখে—যেখানে ইবাদত, পরিবার ও সমাজের হক একসাথে আদায় করতে হয়। পুরুষ বাহিরের দায়িত্বের অজুহাতে স্ত্রীর সময়ের হক নষ্ট করতে পারে না, আবার নারীও শালীনতা ও দায়িত্ব বজায় রেখে নিজের সময় ব্যবহার করবে—এটাই সামাজিক ইসলামের শিক্ষা। কেউই নিজের কাজ বা ইবাদতের অজুহাতে পরিবারকে অবহেলা করতে পারে না, আবার পরিবার বা সমাজের অজুহাতে ফরজ ইবাদত ত্যাগ করাও বৈধ নয়। স্বামী-স্ত্রী যখন পরস্পরের সময়, ক্লান্তি ও দায়িত্বকে সম্মান করে, তখন পরিবারে সাকিনা আসে এবং সমাজে ন্যায় ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়। সময়ের এই ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহারই ইসলামের সামাজিক সৌন্দর্য। |