| স্থায়ী ঠিকানা | গাংগইট, কিচক, শিবগঞ্জ, বগুড়া |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | Umeå, Sweden |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | গাংগইট, কিচক, শিবগঞ্জ, বগুড়া |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রের বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| বর্তমান ঠিকানা | বগুড়া |
| বিভাগ | রাজশাহী বিভাগ |
| স্থায়ী ঠিকানা | বগুড়া |
| বিভাগ | রাজশাহী বিভাগ |
| জন্মসন (আসল) | ১৯৯৭ |
| গাত্রবর্ণ | উজ্জ্বল শ্যামলা |
| উচ্চতা | ৫'৭'' |
| ওজন | ৬৯ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | AB+ |
| পেশা | ছাত্র/ছাত্রী |
| মাসিক আয় | ৭০ হাজার |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | A |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৪ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | ব্যবসা বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | A |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০১৬ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | Bachelor of Business Administration (BBA) major in Accounting |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় |
| পাসের সন | ২০২০ |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | মাস্টার্সে অধ্যয়নরত |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | ২০২০ সালের COVID-19 মহামারীর কঠিন সময়ে, যখন সবাই ঘরবন্দী ছিল, আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে সময়টিকে আত্মোন্নয়নের জন্য ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিই। সেই সময় LEDP-এর আওতায় বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের একটি ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট কোর্স সম্পন্ন করি। শৈশব থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আমার আগ্রহ ছিল, আর এই প্রশিক্ষণ সেই আগ্রহকে পেশাদার দক্ষতায় রূপান্তর করার সুযোগ দেয়। আল্লাহর রহমতে, মহামারীর সময়টিকে আমি উপকারী কাজে লাগাতে পেরেছি, যা আমার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | না |
|---|---|
| পিতার পেশা | কৃষক |
|---|---|
| মাতার পেশা | রাব্বাতুল বাইত |
| বোন কয়জন? | ১জন |
| ভাই কয়জন? | ১জন |
| বোনদের সম্পর্কে তথ্য | আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহে আমার ছোট বোন ২০১৫ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে পবিত্র কুরআন মাজীদ হিফজ সম্পন্ন করেছে। সে পূর্ণ হিজাব ও শরীয়তের পর্দা বিধান মেনে চলতে সচেষ্ট এবং মাহরাম ও গাইর মাহরামের বিধান সম্পর্কে সচেতন। তার কুরআন তিলাওয়াতের বিশুদ্ধতা ও আরবি ভাষায় দক্ষতা বিশেষভাবে প্রশংসনীয়, যা সে মাদ্রাসার সম্মানিত উস্তাদদের তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় অর্জন করেছে। ইসলামী আদর্শে গড়ে ওঠা আমার ছোট বোন নিয়মিত দীনী ইলম চর্চা করে এবং কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক জ্ঞানার্জনে আন্তরিকভাবে আত্মনিয়োগ করে যাচ্ছে। তার জীবনের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং দ্বীনের উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকা। আলহামদুলিল্লাহ, তার পড়াশোনা এখন সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে সে যে প্রতিষ্ঠান থেকে দীনী শিক্ষা গ্রহণ করেছে, সেখানেই শিক্ষকতা করছে। অর্জিত ইলম অন্যদের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার নিয়তেই সে এই দায়িত্ব পালন করছে। ইনশাআল্লাহ, শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতে উপযুক্ত পাত্র পাওয়া গেলে তার বিবাহের বিষয়ে পরিবার থেকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে। |
| চাচা মামাদের পেশা | আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পরিবারে আমার একমাত্র চাচা বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং সেখানে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছেন। আল্লাহর রহমতে তিনি হালাল উপার্জনের মাধ্যমে পরিবার পরিচালনা করছেন। আমার দুই মামার মধ্যে ছোট মামা সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন। বড় মামা সম্প্রতি মালদ্বীপে গেছেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় সৌদি আরব ও ইরাকে কাজ করেছেন। আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহে সবারই বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিজ নিজ সংসারে শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করছেন। সামগ্রিকভাবে তাদের পারিবারিক অবস্থা আমাদের মতোই মধ্যম আয়ের। খুব বেশি বিলাসিতা নেই, আবার আলহামদুলিল্লাহ কোনো অভাব-অনটনও নেই। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল রিজিকের উপর সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দান করুন এবং আমাদের পরিবারগুলোকে শান্তি ও বরকতে ভরিয়ে দিন, আমিন। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | মধ্যবিত্ত। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পরিবারের আয়ের প্রধান দায়িত্ব আমার বাবার উপরই বর্তায়। আমাদের প্রায় দুই থেকে তিন বিঘা কৃষিজমি রয়েছে, যেখানে কৃষিকাজ করা হয়। পাশাপাশি আল্লাহর দানে আমাদের নিজস্ব জমির উপর নির্মিত একটি বাড়ি আছে। বাড়ির পাশে একটি পুকুর রয়েছে, যেখানে মাছ চাষ করা হয় বটে, তবে তা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়; বরং শুধুমাত্র পরিবারের খাদ্য প্রয়োজন মেটানোর জন্য। কৃষিকাজের পাশাপাশি আমার বাবা আগে একটি ছোট কাপড়ের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তবে ২০২০ সালের কোভিড-১৯ মহামারির সময় সৃষ্ট আর্থিক সংকটের কারণে তাকে সেই ব্যবসা বন্ধ করতে হয়। এরপর থেকে তিনি হালাল রিজিকের সন্ধানে অন্য একটি দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলা যেন তার পরিশ্রমে বরকত দান করেন। আমার মা-ও আমাদের পরিবারের আয়ে অবদান রাখেন। তিনি একজন দর্জি হিসেবে নারীদের পোশাক সেলাই করেন। তার নিয়মিত পরিশ্রম, ধৈর্য ও ত্যাগ আমাদের পরিবারের জন্য বড় একটি শক্তি ও ভরসার উৎস। আমরা তার এই অবদানের জন্য আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞ। ২০২২ সাল থেকে আমিও আল্লাহর তাওফিকে পরিবারের আয়ে সহায়তা করতে শুরু করেছি। যদিও আমার অবদান খুব বেশি নয়, তবুও এতে আমার মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হয়েছে এবং জীবনের প্রতি একটি স্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যবোধ গড়ে উঠেছে। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সবাইকে হালাল রিজিকের উপর সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দান করেন এবং আমাদের পরিবারে বরকত দান করেন, আমিন। |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পরিবারে আমি, আমার মা ও আমার বোন যথাসাধ্য ইসলামী জীবনাচার মেনে চলার চেষ্টা করি। আমরা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি এবং দ্বীনের ফরজ বিধানসমূহ পালনে সচেষ্ট থাকি। আমার বাবা সালাত আদায় করেন, যদিও কখনো কখনো কিছু ওয়াক্ত ছুটে যায়। আমি বিশ্বাস করি, হিদায়াত একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে এবং তিনি যাকে ইচ্ছা ধীরে ধীরে সঠিক পথে পরিচালিত করেন। আমি এমন একটি গ্রামে বড় হয়েছি, যেখানে সাধারণভাবে মানুষের মাঝে দ্বীনের গভীর জ্ঞান ও চর্চা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ছোটবেলায় আমার আশেপাশে এমন কেউ ছিলেন না, যিনি দ্বীনের দিকে উদ্বুদ্ধ করতেন বা ইসলামী জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতন করতেন। সে কারণে তখন আমার শিক্ষা ও জীবনধারা মূলত সাধারণ ধারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। একসময় আমাদের পরিবারেও ইসলামের চর্চা খুব গভীর ছিল না। তবে আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহে যখন আমি ধীরে ধীরে ইসলামের সৌন্দর্য, সহিহ আকিদা এবং কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে শুরু করি, তখন থেকেই আমাদের পারিবারিক পরিবেশেও পরিবর্তন আসতে থাকে। এখন আমরা পরিবার হিসেবে একসাথে বসে কুরআনের আয়াত নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করি এবং সালাতের গুরুত্ব ও আত্মশুদ্ধির বিষয়গুলো বুঝতে চেষ্টা করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শুধু সালাত আদায় করা বা রোজা রাখা দিয়েই ইসলাম সীমাবদ্ধ নয়। একটি ইসলামী পরিবার কেমন হবে, তা নির্ভর করে অনেক বিষয়ের উপর। যেমন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও দয়া থাকা, হালাল রিজিকের প্রতি যত্নবান হওয়া, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে দূরে থাকা, কথা বলার সময় শালীনতা বজায় রাখা, একে অপরকে সালাত ও ভালো আমলের জন্য স্মরণ করিয়ে দেওয়া, সন্তানদের ইসলামী আদব ও চরিত্র শেখানো এবং দৈনন্দিন কাজে আল্লাহকে স্মরণ করা। এসব ছোট ছোট বিষয়ই |
| সুন্নতি দাঁড়ি রয়েছে কি? (Required) | জি আলহামদুলিল্লাহ। যেদিন থেকে আল্লাহ সঠিক দ্বীনি বুঝ দিয়েছেন সেদিন থেকে সুন্নতি দাড়ি রাখছি। ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে। |
|---|---|
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন?(Required) | দেশে থাকাকালে আমি সুন্নাহ অনুসারে টাখনুর উপরে কাপড় পরিধান করতাম। তবে সুইডেনে চরম শীতের কারণে শারীরিক সুরক্ষার প্রয়োজনে মোজা পরতে হয় এবং কাপড় টাখনুর নিচে পরতে হয়, যা এখানে বসবাসরত মুসলিমদের মধ্যেও প্রচলিত। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি ও তাঁর নৈকট্য অর্জনের লক্ষ্যে আমি আমার ফরজ ইবাদতসমূহ আদায়ের প্রতি যত্নবান থাকার চেষ্টা করি এবং সাধ্য অনুযায়ী জামাতের সঙ্গে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত থাকার চেষ্টা করি। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | আলহামদুলিল্লাহ, শৈশবকাল থেকেই আমার সালাত আদায়ের অভ্যাস ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে কিছুদিন অবহেলার কারণে সালাত আদায়ে ঘাটতি হয়েছিল। অতঃপর আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ ও হিদায়াতের মাধ্যমে ২০১৮ সালের পর থেকে আমি পুনরায় নিয়মিত ও সময়মতো সালাত আদায় শুরু করি এবং বর্তমানে যথাসাধ্য সুন্নাহ অনুযায়ী তা পালন করার চেষ্টা করছি। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | হ্যাঁ, মানি। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | জি, আলহামদুলিল্লাহ। ছোট বোন হাফেজ হওয়ায় তার কাছ থেকে শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত টা শেখা হয়েছে। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | বর্তমানে আমি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ সুইডেনে অবস্থান করছি। এখানে বছরের অধিকাংশ সময় শীতকাল বিরাজ করে। সে কারণে সাধারণত বাইরে বের হলে আমি জিন্স ও মোটা জ্যাকেট পরিধান করি। তবে দেশে অবস্থানকালে আমি বেশিরভাগ সময় পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরতাম। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক খিলাফাহ ও শরিয়াহভিত্তিক শাসনব্যবস্থার আদর্শে বিশ্বাস রাখি। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | আমি নাটক/সিনেমা দেখি না এবং গানও শুনি না। তবে কুরআন তিলাওয়াত, ইসলামিক আলোচনা, বয়ান বা দ্বীনি শিক্ষা–সংক্রান্ত কোনো কিছু হলে তা বুঝে শুনে দেখি ও শুনি। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | কোনো মানসিক বা শারীরিক রোগ নেই। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | আমার দাদা-নানার পরিবারে কেউই পরিপূর্ণভাবে দ্বীন পালনকারী নন। তাই সুযোগ পেলেই আমি তাদের মাঝে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি এবং ইসলামের সুন্দর শিক্ষা নরম ও হিকমতের সাথে শেয়ার করি। আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করি, তিনি যেন আমাদের সবাইকে হিদায়াতের পথে পরিচালিত করেন এবং দ্বীনের উপর দৃঢ় থাকার তাওফিক দান করেন। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না, আমি কোনো নির্দিষ্ট পীরের মুরিদ নই। |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | লালসালু গল্পে মজীদের চরিত্রটি আমাকে একটি শিক্ষণীয় সতর্কবার্তা মনে করিয়ে দেয়, কিভাবে দ্বীনের নামে ভ্রান্ত বিশ্বাস ও মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়। আমি কবর ও মাজারকে ইবাদতের স্থান হিসেবে মানি না এবং এ বিষয়ে বর্তমানে যে বাড়াবাড়ি ও শরিয়তবিরোধী কার্যকলাপ দেখা যায়, তা আমি সমর্থন করি না। আমি কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে বিশুদ্ধ আকিদার উপর থাকার চেষ্টা করি। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | আল রাহিকুল মাখতুম, লস্ট ইসলামিক হিস্ট্রি, সানজাক-ই উসমান, ছোটদের সিরাত, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, চিন্তাপরাধ, আহকামে যিন্দেগী |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | ডাঃ জাকির নায়েক, ইমরান রাইহান, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক, আলি হাসান ওসামা, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | আলহামদুলিল্লাহ, বিশেষ কোনো দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা নেই। নিজের দায়িত্ব ও পেশাগত কাজে আন্তরিক থাকার চেষ্টা করি এবং হালাল উপার্জনের প্রতি সচেতন। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | ইতিহাস ও দ্বীনি জ্ঞানের প্রতি আমার গভীর আগ্রহ রয়েছে। বর্তমান মুসলিম উম্মাহর অবস্থা আমাকে আত্মজিজ্ঞাসায় উদ্বুদ্ধ করেছে এবং নিজের শিকড়, ইসলামের ইতিহাস ও শরিয়াহভিত্তিক জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি করেছে। আমি বিশ্বাস করি, ব্যক্তি ও সমাজের প্রকৃত পরিবর্তন ইলম অর্জন, আত্মশুদ্ধি, হিকমাহ ও ধৈর্যের মাধ্যমেই সম্ভব। সহজ ও পরিমিত জীবনযাপন আমার পছন্দ। আল্লাহর নৈকট্যে শান্তি খুঁজি এবং কুরআন–সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনার চেষ্টা করি। ভবিষ্যতে নিজ বাড়িতে একটি গবেষণাধর্মী ইসলামিক লাইব্রেরি গড়ে তোলার স্বপ্ন রয়েছে, যাতে ইসলামের ইতিহাস ও বিশ্বব্যাপী তার প্রভাব সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য জ্ঞান সংরক্ষণ ও ছড়িয়ে দেওয়া যায়। ইনশাআল্লাহ, সুযোগ হলে শিশুদের মাঝে ইতিহাস ও পরিচয়বোধ জাগ্রত করার ছোট উদ্যোগও নিতে চাই। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনই জীবনের মূল লক্ষ্য। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | হ্যা |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | ভবিষ্যতে দ্বীনি ইলম অর্জনে আরও মনোযোগী হওয়া, নিজের আমল ও আখলাকের উন্নতি করা এবং কুরআন–সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনা করাই আমার |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | অবসর সময়ে বই পড়ি, বিশেষ করে ইতিহাস ও দ্বীনি বিষয়ের বই এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালো লাগে। |
| কত ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করেন? (Required) | যথাসম্ভব জামাতের সাথে আদায় করার চেষ্টা করি। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | ঘরের দৈনন্দিন কাজে সহযোগিতা করি, প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা ও অন্যান্য পারিবারিক দায়িত্ব পালন করি। |
| আপনি কি ধুমপান করেন? (Required) | না, আমি ধূমপান করি না। |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | জি আলহামদুলিল্লাহ। বাবা-মা দুজনেই রাজি আছেন। |
|---|---|
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | আমি বিয়ে করতে চাই মূলত নিজের ঈমান রক্ষা করার জন্য এবং ফিতনা থেকে বাঁচার নিয়তে। আমি বিশ্বাস করি, বিয়ে আল্লাহ তাআলার দেওয়া একটি সুন্দর ও স্বাভাবিক ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে সংযত রাখতে পারে এবং জীবনে স্থিরতা ও শান্তি খুঁজে পায়। এটি শুধু একটি সামাজিক সম্পর্ক নয়, বরং এমন একটি সম্পর্ক যেখানে মানুষ মানসিক সঙ্গী পায় এবং একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়। আমার কাছে বিয়ে মানে শুধু একসাথে থাকা নয়। এটি একটি পরিবার গড়ার পথ, যেখানে স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরের মানসিক সাথী হয়, দুঃখ-কষ্ট ভাগ করে নেয়, একে অপরকে ভালো আমলের দিকে উৎসাহ দেয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে জীবনের মূল লক্ষ্য বানায়। একটি সুন্দর ইসলামী পরিবার মানুষের মনে শান্তি আনে, দায়িত্ববোধ তৈরি করে এবং জীবনকে আরও অর্থবহ করে তোলে। আমি আশা করি, এই সম্পর্কের মাধ্যমে আমার ঈমান আরও মজবুত হবে, আমার চরিত্র আরও পরিশুদ্ধ হবে এবং আমি একজন দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারব। আল্লাহ চাইলে, এই দাম্পত্য জীবন আমাদের দুজনের জন্যই রহমত ও বরকতের কারণ হবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি বিবাহ করল, সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করল। অতএব সে যেন বাকি অর্ধেকের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে।” (সহীহ মুসলিম) আমি আন্তরিকভাবে দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা যেন আমার এই নিয়ত কবুল করেন এবং আমাকে ও আমার ভবিষ্যৎ পরিবারকে ঈমান, ভালোবাসা ও মানসিক শান্তির উপর স্থির রাখেন। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলার হিদায়াত ও তাওফিকের উপর ভরসা রেখে আমি আমার স্ত্রীকে পর্দা ও শরীয়তের বিধান মেনে জীবন যাপনে উৎসাহিত ও সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, পর্দা একজন মুসলিম নারীর জন্য ইফফত, সুরক্ষা ও সম্মানের প্রতীক। স্বামী হিসেবে আমার দায়িত্ব হবে ভালোবাসা, ধৈর্য ও হিকমাহর সাথে তাকে দ্বীনের পথে সহায়তা করা। আমি চেষ্টা করব যেন আমরা দুজনেই কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একসাথে চলতে পারি, পরস্পরকে ভালো আমলের জন্য স্মরণ করিয়ে দিই এবং আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টিকে আমাদের দাম্পত্য জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করি। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সংসারকে শান্তি, বরকত ও তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত করেন এবং আমাদের একে অপরের জন্য রহমত বানান। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? | ইনশাআল্লাহ, সে যদি পর্দা ও শরীয়তের বিধান যথাযথভাবে মেনে চলে, তাহলে তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াকে আমি সমর্থন করব। আমি বিশ্বাস করি, দ্বীনের সীমার মধ্যে থেকে ইলম অর্জন করা বরকতময় এবং তা ব্যক্তি ও পরিবার উভয়ের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? | পরিবারের সামগ্রিক অবস্থা এবং শারীরিক ও নৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম নারীকে সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা প্রদান করেছে এবং তার ইফফত ও পর্দার হেফাজতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। যদি স্ত্রীর কাজ করা পারিবারিক প্রয়োজনে জরুরি হয় এবং সেই কাজের মাধ্যমে সে নিজের ও পরিবারের উপকার করতে পারে, একই সঙ্গে পর্দা, শালীনতা ও ইসলামী সীমারেখা বজায় থাকে, তাহলে তা শরীয়তসম্মতভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে পারিবারিক জীবনের সুষ্ঠু পরিচালনা, স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক দায়িত্ব পালন এবং ঘরের শান্তি ও প্রশান্তি রক্ষা করা একটি বড় আমানত। তাই যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের উচিত পরস্পরের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা, আল্লাহ তাআলার হিদায়াত কামনা করা এবং কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনার আলোকে মিলেমিশে সিদ্ধান্ত নেওয়া। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলার বিধান ও তাঁর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করাই সর্বোত্তম ও কল্যাণকর। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? | ইনশাআল্লাহ, আমি যেখানে অবস্থান করব, সেখানেই আমার সহধর্মিণীকে সঙ্গে রাখার চেষ্টা করব। বর্তমানে আমি সুইডেনে বসবাস করছি, তাই আল্লাহ চাইলে আমার সহধর্মিণীকেও সুইডেনে নিয়ে আসব। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সব কিছুই আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা ও হুকুমের উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ যদি চান, আমরা এখানেই বসবাস করব এবং দ্বীনের সীমার মধ্যে থেকে জীবন পরিচালনা করব। আর যদি আল্লাহ তাআলার হুকুম ও কল্যাণ এতে থাকে, তাহলে পরিবারসহ আবার আমাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাব। আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং যে জায়গাতেই থাকি না কেন, কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে পারিবারিক জীবন গড়ে তোলা। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? | না, পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করি না। বরং ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী বর ও বরপক্ষের পক্ষ থেকেই উপহার দেওয়া ও সদাচরণ করা উত্তম মনে করি। আমি বিশ্বাস করি, বিবাহ একটি ইবাদত এবং তা সরলতা, আন্তরিকতা ও আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়তে সম্পন্ন হওয়া উচিত। ইনশাআল্লাহ, আমার পক্ষ থেকে সাধ্য অনুযায়ী উপহার দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। |
| পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | আর্থিক অবস্থা ও জেলা |
| বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | স্ত্রীর হক আদায়ে সচেতন থাকা, তার সাথে সদাচরণ করা, ভরণপোষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুঃখ-সুখে পাশে থাকা আমার দায়িত্ব। |
| আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | হ্যা |
| আপনি বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় থাকবেন? | একক পরিবারে |
| বয়স (Required) | ১৮ থেকে ২৮ |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | উজ্জ্বল শ্যামলা, ফর্সা |
| নূন্যতম উচ্চতা | ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | আমার কাছে দীনী শিক্ষা অর্জন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, আমার ভবিষ্যৎ সহধর্মিণী পবিত্র কুরআন পড়তে পারবেন এবং কুরআন ও দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান থাকবে, যেন প্রয়োজনে দাওয়াহমূলক কাজে নিজেকে যুক্ত করতে পারেন। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়াকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখি, তবে তার সঙ্গে অবশ্যই দীনী শিক্ষার ভিত্তি থাকা জরুরি বলে মনে করি। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে স্কুল, কলেজ, গ্র্যাজুয়েট বা পোস্টগ্র্যাজুয়েট যেকোনো স্তর গ্রহণযোগ্য। তবে সব কিছুর উপরে আমি দীনী সচেতনতা, ইসলামী মূল্যবোধ এবং আল্লাহর পথে চলার আন্তরিকতাকেই অগ্রাধিকার দিই। তবে যেহেতু তাকে আমার সঙ্গে ভিন্ন একটি দেশে বসবাস করতে হবে, তাই দৈনন্দিন যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় কাজ পরিচালনার জন্য ন্যূনতম ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারার সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করি। |
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| জীবনসঙ্গীর পর্দা সম্পর্কে যেমনটা চান- (Required) | শরিয়াহভিত্তিক পূর্ণ পর্দা নিয়মিত পালন করা আবশ্যক বলে মনে করি। |
| পেশা (Required) | ছাত্রী |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | মধ্যেবিত্ত বা উচ্চ মধ্যেবিত্ত |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | যে পরিবারে সবাই দ্বীনের চর্চা করে এবং দ্বীনি পরিবেশ বজায় রাখে এমন পরিবার প্রত্যাশিত। |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি, যিনি আল্লাহভীরু ও দ্বীনদার হবেন, নম্র স্বভাবের হবেন এবং পর্দা ও শালীনতার বিষয়ে সচেতন থাকবেন। যিনি আল্লাহ তাআলাকে ভয় করবেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করার আন্তরিক চেষ্টা করবেন। আমি কামনা করি, তিনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কারী হবেন, ইসলামী আদব ও শালীনতা রক্ষা করবেন এবং পারিবারিক জীবনে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন। আমি চাই তিনি সহজ ও সংযত জীবনযাপন পছন্দ করুন, দুনিয়ার চাকচিক্য বা অহংকারে আসক্ত না হন, বরং ক্বানাআত ও তাকওয়ার উপর জীবন পরিচালনা করেন। একজন ধৈর্যশীল শ্রোতা ও সহানুভূতিশীল মানুষ হওয়া আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, যাতে স্বামী–স্ত্রীর মাঝে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান ও রহমত বজায় থাকে। শিক্ষিত ও সচেতন হলে ভালো, তবে আমার কাছে একাডেমিক ডিগ্রির চেয়ে সহিহ দ্বীনি উপলব্ধি, উত্তম আখলাক ও নৈতিক চরিত্র অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উত্তম চরিত্রই একটি ইসলামী পরিবারের ভিত্তি। সবশেষে, আমি এমন একজন সঙ্গী কামনা করি, যিনি আমার দ্বীনি পথচলায় সহযাত্রী হবেন, আমাকে ভালো আমলের দিকে উৎসাহ দেবেন এবং যাঁর সাথে আমরা দুজনেই আল্লাহর সন্তুষ্টিকে আমাদের দাম্পত্য জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করব। আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় আমাদের পরিবার যেন একটি শান্তিপূর্ণ, তাকওয়াভিত্তিক ও ইসলামী আদর্শে গড়ে ওঠা পরিবারে পরিণত হয়। আমিন। |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | বগুড়া জেলা অথবা বগুড়া সংলগ্ন কোনো জেলা (যেমন রাজশাহী, জয়পুরহাট, নওগাঁ বা সিরাজগঞ্জ) হলে ভালো হয়। এতে করে পারিবারিক যোগাযোগ, আত্মীয়তা এবং সংস্কৃতিগত মিল সহজে রক্ষা করা যায়। |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | বর্তমানে আমি সুইডেনে বসবাস করছি। উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর আমি সুইডেনে আসি। বর্তমানে আমি Umeå University–তে Business Development and Internationalization বিষয়ে মাস্টার্স অধ্যয়ন করছি। আমি বিশ্বাস করি, জ্ঞান অর্জন করা যেমন জরুরি, তেমনি হালাল উপায়ে উপার্জন করাও দায়িত্বের অংশ। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি আমি কাজ করছি। মূলত আমি একটি Sushi রেস্টুরেন্টে পার্ট-টাইম কাজ করি। এছাড়া সময় ও সুযোগ পেলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজও করি। পড়াশোনা ও কাজ একসাথে চালানো সহজ নয়। তবুও আল্লাহর উপর ভরসা রেখে নিজের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি। আল্লাহ তাআলা যেন আমার ইলম ও রিজিকে বরকত দান করেন এবং আমাকে সঠিক পথে অবিচল রাখেন। |
|---|---|
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 266 ভিউস