female
বায়োডাটা নাম্বার
AH-119719
পাত্রী
জন্ম তারিখ 2003-03-01
জাতীয়তা বাংলাদেশী
656 মোট ভিউ
প্রাথমিক তথ্য
আমি খুঁজছি পাত্রের বায়োডাটা
জন্ম তারিখ 2003-03-01
জাতীয়তা বাংলাদেশী
IOM তথ্য
আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? হ্যা
আপনার কোর্সের নাম ও ব্যাচ নম্বর: Bachelor in Dawah & Islamic Studies (Alim Preparatory Course), Batch 2310
সাধারণ তথ্য
বায়োডাটার ধরন পাত্রীর বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
বর্তমান জেলা রাজশাহী
বর্তমান বিভাগ রাজশাহী বিভাগ
স্থায়ী জেলা রাজশাহী
স্থায়ী বিভাগ রাজশাহী বিভাগ
জন্মসন (আসল) ২০০৩
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামলা
উচ্চতা ৫'০''
ওজন ৪৭ কেজি
রক্তের গ্রুপ B+
পেশা ছাত্র/ছাত্রী
মাসিক আয় 00
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা থানা: মোহনপুর, জেলা: রাজশাহী
বর্তমান ঠিকানা থানা: মোহনপুর, জেলা: রাজশাহী
কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) গ্রামে
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) জেনারেল
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল A+
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন ২০১৯
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল A+
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন ২০২১
স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স তৃতীয় বর্ষ (ফিজিক্স ডিপার্টমেন্ট)
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম Rajshahi new government degree college
পাসের সন চলমান
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা IOM থেকে আলিম ফারেগ।
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা আইওএমে আলিম পড়ার পাশাপাশি, কিছু শর্ট কোর্স করা হয়েছে যেমন-সিরাহ,নাজেরা,কুরআন অনুধাবন,রুকইয়াহ ইত্যাদি।বর্তমানে নাজেরা করছি।এবং আরবি ও উর্দু ভাষা শিক্ষায় কিছুটা সময় দিচ্ছি।
পারিবারিক তথ্য
পিতার পেশা কৃষক।নিজেদের জমির ক্ষেত দেখাশোনা করেন এবং ছোট্ট ব্যবসা আছে গ্রামে।
মাতার পেশা গৃহিণী
বোন কয়জন? বোন নেই
ভাই কয়জন? ১জন
ভাইদের সম্পর্কে তথ্য ভাইয়া রাজশাহী সিটি কলেজ থেকে অনার্স এবং রাজশাহী কলেজ থেকে মাস্টার্স কমপ্লিট করেছেন।এবং বর্তমানে বগুড়াতে একটা কোম্পানিতে সহকারী এডমিন অফিসার হিসেবে কর্মরত আছে। অবিবাহিত।
চাচা মামাদের পেশা বড় চাচা নিজেদের জমিতে কৃষিকাজ করেন,মেজ চাচা সরকারি স্কুলের শিক্ষক(এখন অবসরপ্রাপ্ত), সেজ চাচা মৃত,তার পরের দুই চাচাও নিজেদের জমি দেখাশোনা করেন।ছোট চাচা ব্যবসা করেন।
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা মধ্যবিত্ত, সামাজিকভাবে সম্মানিত।
আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) পরিবারের দ্বীনি অবস্থা খুবই শোচনীয়!তবে মাকে ছোট বেলা থেকেই দেখি নামাযী,সুন্নাহ, নফল আমলেও সচেতন আলহামদুলিল্লাহ। যতোটুকু জানে মেনে চলার চেষ্টা করে।মাহরাম-গাইরে মাহরাম মেনে চলেননা।পর্দার জ্ঞান কম। কিন্তু বাসায় শালীনভাবে চলাচল করেন বাইরে গেলে বোরকা, নিকাব পরে। বাবার মধ্যে দ্বীনি বুঝ তেমন নেই!নামায পড়েননা।আল্লাহুম্মাগফিরলী! বর্তমানে ইসলামের প্রতি মন নরম হচ্ছে।আল্লাহ তাকে হিদায়েত দিন। আর আমার ভাইয়া পরিপূর্ণ দ্বীন না মানলেও দ্বীনের প্রতি সফট কর্নার আছে।অনেক কিছু মেনে চলার চেষ্টা করে। আমার দ্বীনে ফেরাতে,মাদ্রাসায় পড়াশোনা করাতে ওর অনেক অবদান।আমার পর্দার বিষয়ে সে সবসময় ঢাল হয়ে থাকে। পরিবারে দ্বীনি অবস্থা তেমন না থাকলেও আমাকে দ্বীন পালনে সবাই সহায়তা করে,কেউ বাধা দেয়না আলহামদুলিল্লাহ।
পিতা কি জীবিত? হ্যাঁ
মাতা কি জীবিত? হ্যাঁ
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? জি আলহামদুলিল্লাহ।
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) ২২ সাল থেকে নিয়মিত পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ। তবে আমি ছোট থেকেই নামায পড়তাম কিন্তু মাঝে মাঝে গাফিলতির জন্য কাযা হয়ে যেত।আল্লাহুম্মাগফিরলী।
মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? জি আলহামদুলিল্লাহ
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জি আলহামদুলিল্লাহ। আরো সহিহ শুদ্ধ করার চেষ্টায় আছি।
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? কালো বোরকা,হিজাব, নিকাব,হাত মোজা, পা মোজা।
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) না নেই। আমি শরিয়াহ শাসনে বিশ্বাসী।
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? না।মাঝেমধ্যে সামনে চলে আসলে সর্বোচ্চ ইগনোর করি।
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) না আলহামদুলিল্লাহ।
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) না।উল্লেখ করার মতো কিছু নেই। তবে মেয়ে সহপাঠীদের সাথে বসে মাঝেমধ্যে দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া হয়।মাকে বাসায় সহিহ শুদ্ধভাবে কুরআন শিখানো হয় আলহামদুলিল্লাহ।মাঝেমধ্যে দাওয়াহর নিয়তে পোস্টার ডিজাইন সহ ইসলামিক ভিডিও এডিটিং করা হয়।
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) না।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) শিরকের আখড়া।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন।সিরাহ রিলেটেভ সব বই ই পছন্দ। আর রাহিকুল মাকতুম,যেমন ছিলেন তিনি,সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন। বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসি।এই জন্য অনেক বই পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) মুফতি জুবায়ের আহমেদ,শায়েখ আহমাদুল্লাহ,মুফতি হারুন ইজহার।
বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) দুনিয়াবি যোগ্যতা অর্জনের খুব একটা ইচ্ছা নেই। দ্বীনি যোগ্যতা অর্জনের প্রয়াসে আছি।IOM এ আলিম পড়াশোনা শেষ করেছি।আল্লাহ চাইলে সামনে দাওরায়ে হাদিস পড়ার নিয়ত আছে। এছাড়াও আমি এরাবিক ক্যালিগ্রাফিতে কিছুটা পারদর্শী, টুকটাক গ্রাফিক্স ডিজাইন জানা আছে।
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন অসংখ্য শুকরিয়া সেই মহান রবের, যিনি তাঁর অশেষ রহমতে আমাকে হিদায়াতের নেয়ামত দান করেছেন। আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে ছোটবেলা থেকেই অন্তরে দ্বীনের প্রতি এক ধরনের টান অনুভব করতাম।পরবর্তীতে যখন আল্লাহ তাআলা দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করলেন, তখন উপলব্ধি করলাম মানুষের প্রকৃত সফলতা দুনিয়ায় নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে। সেই দিন থেকেই জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সাজানোর চেষ্টা আমার পথচলার অংশ।নিজেকে কখনো পরিপূর্ণ দাবি করি না,কারণ পরিপূর্ণতা শুধুমাত্র নবীগণের জন্য। ভুল-ত্রুটি, সীমাবদ্ধতা ও দুর্বলতা আমারও আছে। তবে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের নফসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে চলা এবং প্রতিদিন গতকালের চেয়ে উত্তম মানুষ হওয়ার চেষ্টা করাই আমার লক্ষ্য। বই পড়তে ভালোবাসি।আমার নিজস্ব একটা লাইব্রেরি করার ইচ্ছা আছে।আমি স্বভাবগতভাবে মিশুক,হাসিখুশি,শান্ত,অল্পেতুষ্ট,শান্তিপ্রিয় মানুষ। কোলাহলমুক্ত, পর্দাসম্মত ও প্রশান্ত নিরিবিলি পরিবেশ প্রিয়। কোলাহল, অহেতুক তর্ক, ঝগড়া,গীবত, চোগলখোরি, হিংসা, অহংকার, রিয়া (লোক দেখানো) ও মানুষের হক নষ্ট করার মতো বিষয়গুলো থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করি। মানুষের সঙ্গে নম্রতা, ক্ষমাশীলতা,বিনয়ী ও উত্তম আচরণে বিশ্বাসী। কাউকে কষ্ট দেওয়া, ছোট করা পছন্দ করিনা।কেউ আমার কথা বা আচরণে কষ্ট পেয়ে থাকলে,নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাইতে সংকোচ বোধ করি না।আর কেউ আমার প্রতি অন্যায় করলে আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় ক্ষমা করার চেষ্টা করি।তবে নিজের হকের বিষয়েও র্সবদা সচেতন। আল্লাহ তাআলা যদি তাওফীক দান করেন, তবে জীবনের অন্যতম স্বপ্ন একজন হাফেজাতুল কুরআন হওয়া এবং আমৃত্যু কুরআনের ছাত্রী ও খাদিমা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা। কুরআনকে শুধু মুখস্থ নয়, বরং বুঝে, আমল করে এবং অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে চাই। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ইলম অর্জন, তা অনুযায়ী আমল করা, নফসের তাযকিয়া (আত্মশুদ্ধি), উত্তম আখলাক অর্জন এবং ইখলাসের সঙ্গে আল্লাহর ইবাদত করে জীবন অতিবাহিত করার চেষ্টা করে যেতে চাই। আমার স্বপ্নের একটি অংশ- এমন একটি ঘর গড়ে তোলা, যেখানে কুরআনের তিলাওয়াত, যিকির, ইলমের মজলিস, সুন্নাহর চর্চা এবং আল্লাহর স্মরণ হবে প্রতিদিনের জীবনের অংশ। এমন পরিবার গড়ে তুলতে চাই, যেখান থেকে উম্মাহর জন্য নেক সন্তান, দ্বীনের খাদিম ও কল্যাণকর মানুষ তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ। আমার হৃদয়ের সবচেয়ে প্রিয় স্বপ্নগুলোর একটি বারবার বায়তুল্লাহ ও মসজিদে নববীর মুসাফির হওয়া। আল্লাহ তাআলা যদি কবুল করেন, তবে জীবনের শেষ নিঃশ্বাসটিও যেন তাঁর পবিত্র ভূমিতে অথবা এমন অবস্থায় হয়, যখন তিনি আমার প্রতি সন্তুষ্ট থাকবেন। আমার প্রত্যাশা আমার জীবনসঙ্গীও এই স্বপ্ন, এই লক্ষ্য এবং আখিরাতমুখী পথচলার একজন আন্তরিক সহযাত্রী হবেন ইনশাআল্লাহ।
আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন
কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? হানাফি
নজরের হেফাজত করেন? (Required) চেষ্টা করি
দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।” (সহীহ বুখারি) এই হাদীসকে জীবনের পাথেয় করে আমৃত্যু কুরআনের একজন নিবেদিত ছাত্রী ও খাদিমা হয়ে থাকতে চাই, ইন শা আল্লাহ। কুরআনকে জানা, বোঝা, আমল করা এবং যথাসাধ্য অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমার অন্যতম স্বপ্ন। একই সঙ্গে সংসার জীবনে আল্লাহ তাআলা যাদের হক আমার ওপর অর্পণ করেছেন, তাদের প্রত্যেকের হক সুন্দরভাবে আদায় করার তাওফীক কামনা করি। অন্তরে মুসলিম উম্মাহর জন্য কিছু করার গভীর আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। সামর্থ্য অনুযায়ী দাওয়াহ, নসীহাহ এবং মানুষের মাঝে কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ইচ্ছা রাখি। বিশেষ করে অমুসলিমদের কাছে ইসলামের সৌন্দর্য ও তাওহীদের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার গভীর আকাঙ্ক্ষা হৃদয়ে লালন করি। এমন কিছু সদকায়ে জারিয়ার আমল রেখে যেতে চাই, যার সওয়াব মৃত্যুর পরও অব্যাহত থাকবে।এই দুনিয়াকে আখিরাতের শস্যক্ষেত্র মনে করি।তাই দুনিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী সফরে এমন একটি জীবন গড়ে তুলতে চাই, যার প্রতিটি পদক্ষেপ আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত হয়।কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি নেক, দ্বীনদার ও বরকতময় পরিবার গঠন করতে চাই।এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ঈমান, তাক্বওয়া ও রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহর ওপর তারবিয়াত দেওয়া-এটিও আমার জীবনের লক্ষ্য। আল্লাহ তাআলা যেন আমার সকল নিয়তকে ইখলাসপূর্ণ করেন এবং তা কবুল করে নেন।
অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) বেশিরভাগ সময় ইসলামিক বই পড়ে কাটে।এবং এরাবিক ক্যালিগ্রাফি করা হয়।সময় পেলেই আল্লাহর নিদর্শনগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে ভালো লাগে।কুরআনকে সময় দিয়ে।পরিবারের সাথে গল্প করে।
বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) ঘরের যাবতীয় কাজে মাকে সাহায্য করি।শরিয়তসম্মত সব কাজে বাবা মায়ের আনুগত্য করি।
নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) এটি মূলত পশ্চিমা দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব। অথচ ইসলাম নারী ও পুরুষকে একই রকম হিসেবে নয়, বরং তাদের স্বতন্ত্র ফিতরাহ, দায়িত্ব ও মর্যাদার আলোকে মূল্যায়ন করেছে। তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়,বরং পরস্পরের পরিপূরক, সহযোগী ও একে অপরের জন্য রহমত। আল্লাহ তাআলা নারী ও পুরুষ উভয়কেই ন্যায়সঙ্গত অধিকার দান করেছেন এবং প্রত্যেকের ওপর তাদের সামর্থ্য ও প্রকৃতির উপযোগী দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। ইসলাম নারীকে এমন বহু সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছে, যা অন্য কোনো জীবনব্যবস্থায় বিরল। অন্যদিকে পুরুষকে পরিবারের কাওয়াম (দায়িত্বশীল অভিভাবক) হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা নারী ও পুরুষকে শারীরিক, মানসিক ও আবেগগত গঠন, শক্তি, প্রবণতা এবং স্বভাবের দিক থেকে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তাই তাদের সব দায়িত্ব ও ভূমিকা এক হওয়াও স্বাভাবিক নয়। ইসলামে এই পার্থক্য বৈষম্য নয়, বরং আল্লাহর হিকমতপূর্ণ বিধান, যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ভারসাম্য, ইনসাফ ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ধারিত।
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি আলহামদুলিল্লাহ
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়ে হচ্ছে অর্ধেকদ্বীন পূরণের মাধ্যম। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি বিয়ে করল, সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করল। অতএব, বাকি অর্ধেকের জন্য তাকে আল্লাহর প্রতি তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে।"(সুনানে বায়হাকী) রাসূলুল্লাহ ﷺ আরও বলেছেন- “বিবাহ আমার সুন্নাহ। যে আমার সুন্নাহ থেকে বিমুখ হবে, সে আমার অন্তর্ভুক্ত নয়।” (সহীহ বুখারী) তাই আমি বিয়ে করতে চাই,আল্লাহ তাআলার নির্দেশ পালন, রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহ অনুসরণ এবং একটি পবিত্র পরিবার গঠনের উদ্দেশ্যে। বিয়ের মাধ্যমে দুনিয়াবী ফিতনা থেকে নিজেকে হিফাজত করতে, দ্বীনের ওপর অটল থাকতে এবং এমন একজন জীবনসঙ্গী পেতে চাই, যিনি দুনিয়ায় আমার শান্তির কারণ ও আখিরাতে জান্নাতের পথে সহযাত্রী হবেন।যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলেন এবং আমাকেও সেই পথে সর্বদা উৎসাহিত করবেন।নেক ও দ্বীনদার সন্তান রেখে যাওয়ার মাধ্যমে উম্মাহর কল্যাণে অবদান রাখাও আমার বিয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আপনি কি বিয়ের পর চাকরি করতে ইচ্ছুক? একদমই না।
বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান? (ছাত্রী হলে) যেহেতু আমি এখন তৃতীয় বর্ষে পড়ছি, তাই অনার্সটা শেষ করতে চাই।এমনিতেও কো-এডুকেশনের জন্য ক্লাস করিনা।শুধু পরীক্ষা দেই।তবে বিয়ের পর জাওযের মতামতকে প্রাধান্য দিব ইনশাআল্লাহ।আর দ্বীনি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই আজীবন। মৃত্যুর আগ মুহূর্তেও আমি একজন ত্বলিবুল ইলম হয়ে মৃত্যুবরণ করতে চাই। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:"যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের পথে বের হয় এবং সে অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, সে শহীদের মর্যাদা লাভ করল।(সহিহ মুসলিম)।আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি, দ্বীনের খেদমত, আখিরাতের সফলতা এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ যে কাজে নিহিত, সে কাজেই নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই ইন শা আল্লাহ।
বিয়ের পর চাকরি চালিয়ে যেতে চান? (চাকরিজীবী হলে) চাকরিজীবী নই।চাকরির ইচ্ছাও নেই।
বিয়েতে কেমন মোহরানা নির্ধারন করতে চান? ছেলের সাধ্যমত আলোচনা সাপেক্ষে
পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? গায়ের রং
আপনার স্বামীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? উম্মু সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূল ﷺ বলেছেন-“যে নারী এমন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে, তার স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” ( জামে‘ আত-তিরমিযী)।আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টিই আমার জীবনের সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য। সেই সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে শরীয়তসম্মত সকল বিষয়ে স্বামীর আনুগত্যকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে চাই ইনশাআল্লাহ। তাঁর হক যথাযথভাবে আদায় করা, সুখে-দুঃখে বিশ্বস্ত সহচরী হয়ে পাশে থাকা, তাঁর সম্মান, সম্পদ ও আমানতের হিফাজত করা। এবং তাঁর অনুপস্থিতিতেও তাঁর মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। আল্লাহ তাআলা যেন আমাকে তাঁর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন এবং একজন নেক, আমানতদার ও উত্তম স্ত্রী হওয়ার তাওফীক দান করেন।
বিয়ের পর কোথায় থাকতে চান? স্বামীর বাড়ি
অন্যান্য তথ্য
পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) ছাত্রী
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান পরিবার রাজশাহীর বাইরে বিয়ে দিতে আগ্রহী নয়।তাই অন্য জেলার কেউ যোগাযোগ না করার অনুরোধ।পাত্রীপক্ষের কাছ থেকে যৌতুকের নামে কোন ধরনের উপহারের আশা করা যাবে না। সুন্নতের খেলাপ হয় এমন কোন চাহিদা থাকা যাবে না। বায়োডাটা ভালো লাগলে প্রথমে ই-মেইল এ পাত্রের বায়োডাটা পাঠালে মুনাসিব হয়। [বিঃদ্রঃ আমার গায়ের রং নিয়ে আমি নিজেই কনফিউজড। আমাকে যারা চিনে বেশিরভাগ বলে ফর্সা আবার কেউ কেউ বলেন এই স্কিনটোনকে উজ্জ্বল শ্যামলা বলে।স্বচ্ছতার জন্য কমটাই লিখেছি।] বায়োডাটা ক্রয়ের আগে দয়া করে নিজের অভিভাবকের সাথে কথা বলে ইস্তিখারা করে সিদ্ধান্ত নিবেন।
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
বয়স (Required) ২৫-৩১
গাত্রবর্ণ শ্যামলা,উজ্জ্বল শ্যামলা,ফর্সা (মন মানসিকতা সুন্দর হওয়াটাই আসল)
নূন্যতম উচ্চতা ৫'৪-৬'/মানানসই
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স,মাস্টার্স/সমমান কমপ্লিট অথবা হাফেজ/দাওরায়ে হাদিস কমপ্লিট।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জীবনসঙ্গীর দাড়ি বা ইনকাম সম্পর্কে যা চান- (Required) সুন্নতি তরিকায় দাড়ি থাকতে হবে।ইনকাম অবশ্যই হালাল হতে হবে।
পেশা (Required) ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি/বেসরকারি চাকুরিজীবী,ব্যবসা (হালাল যেকোনো সম্মানিত পেশা),(যে পেশাই থাকেন না কেনো উম্মতের খেদমত করার আকাঙ্খা থাকা)
অর্থনৈতিক অবস্থা স্বচ্ছল,মধ্যবিত্ত,উচ্চ-মধ্যবিত্ত।
পারিবারিক অবস্থা (Required) সামাজিকভাবে সম্মানিত।দ্বীনদ্বার হলে ভালো।পরিবারের সকল সদস্য সমানভাবে দ্বীন পালনকারী না হলেও, আমার জন্য শরীয়তসম্মত দ্বীন পালনের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারবেন এমন। বিশেষ করে পর্দার বিধান পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা কাম্য নয়। দেবর, ভাসুর, বোনের স্বামীসহ সকল গায়রে মাহরামের ক্ষেত্রে শরীয়তের সীমারেখা বজায় রাখতে আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন এবং এ বিষয়ে আপস করার কোনো মানসিকতা রাখবেন না ইনশাআল্লাহ।
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন আল্লাহ তাআলার কাছে এমন একজন জীবনসঙ্গীর দু'আ করি, যিনি সর্বাবস্থায় কুরআন ও সুন্নাহকে জীবনের একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করবেন। তাঁর আকীদা হবে সহীহ, ইসলামের সকল বিধান পালনে আন্তরিক এবং নিজের প্রবৃত্তির অনুসারী নয় বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ-এর আনুগত্যকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেবেন। শরয়ী ওজর ব্যতীত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাআতের সঙ্গে আদায়ে সচেষ্ট থাকেন।কুরআন সহীহভাবে তিলাওয়াত করতে পারেন অথবা তা শেখার জন্য নিরলস চেষ্টা করছেন। ফরজে আইন পরিমাণ দ্বীনি ইলম অর্জন ও সে অনুযায়ী আমল করার পাশাপাশি ইলম বৃদ্ধির আগ্রহ আজীবন বজায় থাকবে।তিনি হবেন তাকওয়াবান, আমানতদ্বার,উত্তম চরিত্রের অধিকারী, দায়িত্বশীল, পরিশ্রমী, বিশ্বস্ত, দয়ালু ও উম্মাহর কল্যাণে উদ্বিগ্ন একজন মানুষ। তাঁর আখলাক হবে নম্র ও মার্জিত। রাগকে সংযত রাখতে পারবেন। ক্রোধে হিতাহিতজ্ঞান হারিয়ে ফেলা, চিৎকার-চেঁচামেচি, কটু ভাষা বা অসম্মানজনক আচরণ তাঁর স্বভাব হবে না।অতিরিক্ত রাগী মানুষ থেকে পানাহ চাই। মতভেদ বা ভুল হলে হিকমাহ, ধৈর্য ও কোমলতার সঙ্গে তা সংশোধনের চেষ্টা করবেন। আমি এমন একজন মানুষ চাই, যিনি আমার সঙ্গে প্রতিটি আচরণে আল্লাহকে ভয় করবেন। দ্বীনের ব্যাপারে তিনি হবেন দৃঢ় ও আপসহীন। তিনি হবেন গায়রতসম্পন্ন। গায়রে মাহরামের ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান মেনে চলবেন এবং আমাকেও পর্দা রক্ষায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন। মামা চাচা ভাই,বোনের স্বামী এদের সামনে যাওয়ার জন্য কখনোই বলবেন নাহ উল্টো তাদের সাথে পর্দা রক্ষা করতে আমার ঢাল হয়ে দাড়াবেন। নিজেও গায়রে মাহরামের সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া মেলামেশা থেকে বিরত থাকবেন। ভাবি, মামি, চাচি, কাজিনসহ সকল নন-মাহরাম সম্পর্কের ক্ষেত্রে শরয়ী সীমারেখা বজায় রাখবেন।স্ত্রীর হক আদায়কে আল্লাহর নিকট জবাবদিহিতার বিষয় হিসেবে দেখবেন। পরিবার ও স্ত্রীর মধ্যে ইনসাফ বজায় রাখবেন, কখনো জুলুম করবেন না।সিদ্ধান্ত গ্রহণে শূরা (পারস্পরিক পরামর্শ) কে গুরুত্ব দেবেন এবং স্ত্রীর মতামতকে সম্মান করবেন। ভুল হলে নম্র নসিহায় সংশোধন করবেন। এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে চাইবেন, যেখানে কুরআনের তিলাওয়াত, ইলমের চর্চা, যিকির, পর্দা ও সুন্নাহ হবে আমাদের ঘরের স্বাভাবিক সংস্কৃতি।হালাল উপার্জনের ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকবেন এবং হারাম বা সন্দেহযুক্ত বিষয় থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করবেন।তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে হক কথা বলার সাহস রাখবেন।নিজের ভুল স্বীকার করতে সংকোচ বোধ করবেন না।নসীহাহ পেলে তা বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করার মানসিকতা থাকবে। তিনি অপচয়কারীও হবেন না, কৃপণও হবেন না। বরং মধ্যমপন্থা অবলম্বন করে আল্লাহ তাআলার পথে ব্যয় করতে ভালোবাসবেন। সাধ্য অনুযায়ী দান-সদাকায় আগ্রহী থাকবেন।স্ত্রীর ন্যায্য হক ও প্রয়োজন পূরণে যত্নশীল হবেন।আমার পরিবারকে নিজের পরিবারের মতো সম্মান ও মর্যাদা দেবেন এবং অতিথি আপ্যায়নকে উত্তম আখলাক ও সুন্নাহর অংশ হিসেবে লালন করবেন। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী কামনা করি, যার সঙ্গে আমার সম্পর্কের ভিত্তি হবে একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি। আমরা একে অপরকে দ্বীনের পথে উৎসাহিত করব, ভুল হলে সংশোধন করব, একসঙ্গে ইলম অর্জন করব, কুরআনের তাদাব্বুর করব, নেক আমলে একে অপরকে অনুপ্রাণিত করব এবং জান্নাতের পথে পরস্পরের সহযাত্রী হওয়ার চেষ্টা করব, ইন শা আল্লাহ।তাঁর অন্তরে আমাদের একসাথে বায়তুল্লাহর মুসাফির হওয়ার গভীর আকাঙ্ক্ষা থাকবে। আল্লাহর পথে নিজেকে উৎসর্গ করার মানসিকতা থাকবে এবং শহীদি মৃত্যুর তামান্না থাকবে। তিনি দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী মোহের চেয়ে আখিরাতের স্থায়ী সফলতাকে বেশি গুরুত্ব দেবেন।সর্বোপরি, তিনি এমন একজন মানুষ হবেন, যাঁকে দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়, যিনি আমার ঈমান বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ হবেন, দ্বীনের পথে আমার সহযাত্রী হবেন,যার সঙ্গে একটি দ্বীনদার, প্রশান্তিময় ও বরকতময় পরিবার গঠন করা যায় ইনশাআল্লাহ ।
জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) রাজশাহী (রাজশাহীর বাইরে পরিবার আগাতে আগ্রহী নয়)
কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসা
বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? হ্যা
আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? হ্যা
কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? হ্যা
যোগাযোগ

Unlock this biodata contact information with 1 gem.

Login to unlock contact

সর্বমোট ভিউ: 656 ভিউস